website seo ranking
SEO

ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার ১৩ টি উপায়,দেখে নিন!

ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার ১৩ টি উপায়,দেখে নিন!

Take a look 13 ways to improve SEO ranking on the website!

website seo ranking

আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিক কোথা থেকে আসছে?

গুগল অনুসন্ধানের মাধ্যমে আপনাকে খুঁজে পেতে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (এসইও) আপনার অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে থাকা দরকার।যদি কেউ আপনাকে না পায় তবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ভালো ট্র্যাফিক তৈরি করতে পারবেন না এবং ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করতে পারবেন না।

ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার উপায়

কেউ গুগলে অনুসন্ধান করার পরে কী ঘটে?

গুগলে শীর্ষে যে ফলাফলটি প্রকাশিত হয়,সেখানে ক্লিক করার ৩৩% সুযোগ রয়েছে। এর অর্থ আপনি যদি পৃষ্ঠায় এক নম্বরে না থেকে থাকেন, তবে আপনি সম্ভাব্য ট্র্যাফিকের এক তৃতীয়াংশ মিস করেছেন। আরও অবাক করা বিষয় হলো যে, ৭৫% লোক অনুসন্ধান এর পর অনুসন্ধান ফলাফলের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ক্লিক করবে না।

আমি আপনার ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার শীর্ষ ১৩ টি উপায় চিহ্নিত করেছি। তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার শীর্ষ ১৩ টি উপায়

১.আপনার পৃষ্ঠা লোডিং গতি উন্নত করুন

আপনার পৃষ্ঠা লোডিং সময়টি কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত– যদি আপনার ওয়েবসাইট লোডের গতি খুব ধীর হয় তবে গুগল এটি স্বীকৃতি দেবে কিন্তু এটি আপনার র‌্যাঙ্কিংয়ের ক্ষতি করবে। গবেষণায় দেখা যায় যে,ওয়েবসাইটের পৃষ্ঠাটি লোড হতে ৩ সেকেন্ডের বেশি সময় নিলে ৪০% দর্শক ওয়েবসাইট ত্যাগ করবেন। মারাত্মক বিষয়টি হলো ৮০% দর্শক সেই ওয়েবসাইটে আর ফিরে আসবে না।

এটি আপনার ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি উন্নতি না করলে শেষ পর্যন্ত আপনার সাইটের ট্র্যাফিক শুন্য করতে পারে।

website seo ranking

২. উচ্চমানের কনটেন্ট তৈরি করুন

আপনি কতবার আপনার ওয়েবসাইট আপডেট করবেন? আপনি এটি তৈরির দিন থেকেই যদি এটি স্পর্শ না এবং এডমিন প্যানেলে না ঢোকেন তাহলে আপনার এসইও র‌্যাঙ্কিং কখনোই থাকবে না। আপনার ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং বাড়ানোর জন্য উচ্চ মানের কনটেন্ট ও সাম্প্রতিক এবং প্রাসঙ্গিক নিশ থাকা দরকার।

আপনার সাইটে যদি আপনি নিয়মিত উত্তেজনাপূর্ণ বা সংবাদযোগ্য তথ্য আপডেট করেন ,তবে এটি আপনার ওয়েবসাইটের দর্শককে আরও দীর্ঘায়িত করবে। উচ্চ তথ্যবহুল সরবরাহকারী ওয়েবসাইটগুলিতে সাধারণত দীর্ঘ সময় বায় করে থাকে মানুষজন।

৩. আপনার ইমেজ অপটিমাইজ করুন

আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আপনি যদি এই চিত্রগুলি আপনার এসইও র‌্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি করতে চান তবে সেগুলি যথাযথভাবে অপটিমাইজ করা দরকার। বেশি কেবির চিত্রগুলি আপনার পৃষ্ঠা লোডিং সময়কে ধীর গতি করতে পারে এবং আপনার র‌্যাঙ্কিংয়ে ব্যাঘাত ঘটাবে। আপনার ইমেজে কে অবশ্যই অলটার টেক্সট ব্যবহার করতে হবে এবং অবশ্যই ১০০ কেবির নিচে হতে হবে। এভাবে করলে আপনার ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নতি করা সম্ভব।

৪. আপনার লিখিত শিরোনামকে হেডিং যুক্ত করুন

আপনার কিওয়ার্ড কে আপনার কন্টেন্ট এর টাইটেলে উল্লেখ করা উচিৎ । কানেন্ট টাইটেল ৫৫-৬০ ক্যারেক্টারের মাঝে স্পেসসহ রাখা। মেটা টাইটেল ট্যাগ হচ্ছে একটি ওয়েবপেজের এইচটিএমএল ট্যাগ। আপনি যখন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেন, তখন সেটি দেখা যায়। মেটা টাইটেল ট্যাগে ব্র্যান্ড কিওয়ার্ড ইউজ করা উচিত। এছাড়াও, শিরোনামগুলি সমস্ত কিছুকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে যা সর্বদা উপকারী।

এবং যদি আপনার ওয়েবসাইটটি কেবল পাঠ্যের প্রাচীর হয় তবে এটি মানুষকে এতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে নিরুৎসাহিত করবে। ফলস্বরূপ,আপনার এসইও র‌্যাঙ্কিং ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

 Read More- অনলাইন সার্চে শীর্ষ স্থান পেতে ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও !

website seo ranking

৫.আউটবাউন্ড লিঙ্কগুলি ব্যবহার করুন

আউটবাউন্ড লিঙ্কগুলি ব্যবহার করতে পারেন এতে আপনার ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি । আপনি আপনার কনটেন্ট এর মাঝে আপনার কন্টেন্ট রিলেটেড ফিল্ডে যারা ভাল দিক নির্দেশনা দিয়েছে তাদের কে লিঙ্ক দিবেন। আপনার কন্টেন্ট এর মাঝ থেকে । এইটা খুব ভালো কাজে দেয় ওয়েবসাইটকে র‍্যাংক করায়

৬.আপনার সাইটটি পঠনযোগ্য কিনা তা নিশ্চিত করুন

আপনি যখন নিজের ওয়েবসাইটে লিখিত বিষয়বস্তু লিখছেন তখন আপনার শ্রোতাদের কথা মনে রাখবেন। আপনি যদি চান যে লোকেরা আপনার সাইটে যাক এবং সেখানে সময় ব্যয় করুক। তাহলে এমন ভাবে কথা বলতে হবে যেন তারা বুঝতে পারে।

আপনাকে এম্নভাবে কনটেন্ট লিখতে হবে যেন,পাঠক পড়ে আকর্ষিত হয়। আপনি আপনার কনটেন্ট কে একটা সেপ দিবেন যাতে এটি আপনার কন্টেন্ট এর পাঠকের সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে । আপনি যত রকমের প্রশ্ন হতে পারে ওই কনটেন্ট নিয়ে তার উত্তর দিয়ে দেবেন কনটেন্ট এর মধ্যে। আপনার বিষয়টি এমনভাবে লেখা উচিত যাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক বুঝতে পারে।

৭.মোবাইল ডিভাইসের জন্য আপনার সাইটটি উপযোগী করুন

আমি নিশ্চিত যে আপনি জানেন, মোবাইলের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এটি এত দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে যে এটি আসলে কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ ডিভাইসগুলিকে ছাড়িয়ে গেছে। আসলে, গুগল অনুসন্ধানের জন্য ৬০% এর বেশি মোবাইল ডিভাইস থেকে আসে। তাহলে বুজতেই পারছেন,গুগল এটি স্বীকৃতি দেয় এবং সে অনুযায়ী সাইটগুলিকে র‍্যাঙ্ক করায়। এজন্য আপনার ওয়েবসাইটটি মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য উপযোগী করা দরকার।

৮.আপনার পৃষ্ঠাটি যথাযথভাবে সুপার ক্লিন করুন

আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্য একটি বিন্যাস নিয়ে আসবেন যেন, এটি পরিষ্কার, সংগঠিত এবং নিরবচ্ছিন্ন হয়। আপনার ফন্টের আকার এবং রঙিন বোল্ড অক্ষর,স্বল্প পরিমাণে ইটালিক ব্যবহার করুন। এতে লেখাটি পড়তে সহজ করে তোলে।

যদি আপনার ওয়েবসাইটটিতে খুব বেশি ছবি, বিজ্ঞাপন থাকে তবে এটি অবিশ্বস্ত হয়ে উঠতে পারে। একটি পরিষ্কার বিন্যাস আপনার এসইও র‌্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি করবে।

website seo ranking

৯. সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করার জন্য উৎসাহিত করুন

প্রতিটি ওয়েবসাইট সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করা প্রয়োজন। যদি আপনি প্রত্যেক পোস্ট এর নিচে বলেন,পোস্টটি শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এতে অনেকেই আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্কগুলি সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করে দিবে এতে আপনি আপনার এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করতে পারেন।

এসইও শিখুন

১০. কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন

কিওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে-

১. কান্ট্রি টার্গেটিং

২. সার্চ ভলিউম

৩. কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি ইত্যাদি।

ওয়েবসাইট ও কাজের ব্যাপ্তির ওপর নির্ভর করে ফ্রি ও পেইড সার্ভিস গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি: কিওয়ার্ড ডেনসিটি হচ্ছে কিওয়ার্ডের অনুপাত। যেমন- আপনি একটি কন্টেন্ট লিখলেন ১০০ শব্দের। তার মধ্যে আপনি তিনবার কিওয়ার্ড প্রয়োগ করলেন, তা হলে কিওয়ার্ড ডেনসিটি ৩%।

১১. পরিষ্কার ইউআরএল তৈরি করুন

পোস্ট ইউআরএল: আপনার কিওয়ার্ড কে আপনার কন্টেন্ট এর ইউআরএলে উল্লেখ করা । আর মনে রাখবেন আপনার ইউআরএল যেন ছোট হয়।

১. ইউআরএলে এ প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?), আন্ডার স্কোর (_), সটার মার্ক (*) ইত্যাদি থাকবে না।

২. ইউআরএল ছোট হবে।

৩. ওয়েবসাইট পোস্টের ইউআরএল স্ট্রাকচার হবে- রুট ডোমেইন+ পোস্ট হেডলাইন।

১২. একটি দুর্দান্ত মেটা ডেসক্রিপশন লিখুন

মেটা বর্ণনাটি আপনাকে অবশ্যই অনুকূল করতে হবে। মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ হচ্ছে একটি ওয়েবপেজের সামারি এইচটিএমএল ট্যাগ। সামারি দেখে ভিজিটর দ্রুত বুঝতে পারে যে ওয়েবসাইটটি কোন ধরনের কন্টেন্ট দিচ্ছে। মেটা টাইটেল ট্যাগের নিচে থাকে ইউআরএল, তারপর মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ। আপনার কিওয়ার্ড কে আপনার কন্টেন্ট এর মেটা ডেসক্রিপশনে উল্লেখ করতে হবে এবং অবশ্যই তা শুরুতে রাখা আর ডেসক্রিপশন ১৬০ শব্দের বেশি না হওয়া।

website seo ranking

ওয়েবসাইট এ ভিজিটর পাওয়ার ক্ষেত্রে আপনার শিরোনামটি যতটা গুরুত্বপূর্ণ। মেটা এটা তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয় কারণ লোকেরা বর্ণনায় প্রায় ততটা মনোযোগ দেয় না বলে মনে হয়, এটি এসইও র‌্যাঙ্কিং দৃষ্টিভঙ্গি থেকে গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং এটি উপেক্ষা করবেন না।

১৩. একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করুন

আপনি সম্ভবত ভাববেন যে আমি আবোল-তাবোল বকছি, আপনি আমার কথা একবার শুনে দেখুন কতটা আপনার রাঙ্কিং বাড়ে। একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা আপনার এসইওকে আরও বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করতে পারে। এটি একটি ব্যয়বহুল বিকল্প,তবে এটি একটি বিনিয়োগও ধরতে পারেন।

কেউ যখন আপনার কীওয়ার্ডগুলি সন্ধান করছে, তখন তারা আপনার অ্যাপটি খুঁজে পেতে পারে।

উদাহরণস্বরূপ-আপনি যখন গুগলে কোন কিছু অনুসন্ধান করেন তাহলে আপনি প্রথম পৃষ্ঠায় একটি অ্যাপ্লিকেশন পাবেন। যেমনটি আপনি করতে পারেন।

মনে রাখবেন, সার্চ ইঞ্জিন সব সময় বড় কনটেন্ট যেখানে অনেক তথ্য, ছবি ও ভিডিও আছে তা প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আপনি যে বিষয়ে লিখতে চান, আগে জেনে নিন তা অনলাইনে কী পরিমাণে খোঁজা হয়। কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে সার্চ করলে যে ওয়েবসাইট বা লিংকগুলো আগে আসে।

website seo ranking

সেগুলোর কনটেন্ট সাজানো, শব্দের সংখ্যা, ছবি ও ভিডিওর ব্যবহার, বিভিন্ন লিংকের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা নিয়ে আরও ভালো কিছু তৈরি করার চেষ্টা করতে হবে। ধৈর্য নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো কনটেন্ট তৈরি করতে থাকলে ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে এবং একসময় তা সার্চে শীর্ষ স্থানে আসে।

আমার বিশ্বাস আপনি যদি এভাবে ওয়েবসাইটের এসইও করেন তাহলে সার্চে শীর্ষ স্থান দখল করবেন।

পোস্টটি ভালো লাগলে বা উপকৃত হলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle.com এর সঙ্গেই থাকবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে তা কমেন্টে জানাতে পারেন।

BY:Factarticle.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *