Uncategorized

Extra Make Money Online – অনলাইনে আয় করুন সহজেই ২০২০!

আজকে আমাদের মূল আলোচনার বিষয় হলো- Extra Make Money ( অনলাইনে আয় করুন ) – কিভাবে আপনি অনলাইনে আয় করবেন সহজেই এবং আপনি কিভাবে বাড়তি আয় করবেন। তাহলে চলুন শুরু করা যাক- 

জীবনে সমৃদ্ধির জন্য অর্থের প্রয়োজন। যে কোনো একটি পেশা বা চাকরিতে পাওয়া অর্থে আজকাল অনেকেরই সমৃদ্ধি দূরে থাক, ভালোভাবে বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে উঠছে।

ফলে তাদেরকে খুঁজতে হচ্ছে বাড়তি আয়ের পথ।তথ্যপ্রযুক্তি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে। ইন্টারনেটের কল্যাণকর সহজলভ্যতায় মানুষ এখন ঘরে বসে বিশ্ব দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ব্যবসা বাণিজ্য চিকিৎসা চাকরি পড়ালেখা সব কিছুই এখন এই ইন্টারনেটকেন্দ্রিক।

অনলাইনে আয়ের জন্য দক্ষতা থাকা অত্যন্ত জরুরি। আর অনলাইন কাজের ব্যাপ্তি যেভাবে বিস্তৃত হয়ে উঠছে তাতে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে তৈরি করে নিতে না পারলে অভিজ্ঞ ও দক্ষদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার সম্ভবনাটাই বেশি।

তাই সময়োপযোগী কাজের দক্ষতা অর্জন ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে নিতে পারলেই লাভবান হওয়া যাবে। ভুলে গেলে চলবে না, ইন্টারনেটে একদিকে যেমন কাজের কোনো অভাব নেই, অপরদিকে কাজ করার যোগ্য ব্যক্তিরও চাহিদার শেষ নেই।

আবার অনলাইনে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে, তাই সতর্ক থাকতে হবে সর্বত্র। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।

জেনে নিন এসব সম্পর্কে এফিলিয়েট মার্কেটিং এটি একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে কোন পণ্যের প্রচার করবেন আর যখনই সেই পণ্য বিক্রি হবে, তখন এর থেকে কমিশন পাবেন।

এখানে অনেক আধুনিক আর ভালো পণ্য আছে যেগুলো বিক্রি করা যায় আর মানুষ কিনতেও আগ্রহী। আপনি একজন এফাইলিয়েট হয়েও কাজ করতে পারেন। আপনি ‘ক্লিক ব্যাংক’-এর মাধ্যমে একজন এফাইলিয়েট হয়ে পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

আমরা অনেকেই অনলাইনে নিচের এই পয়েন্ট গুলো জানার চেষ্টা করি-তাদের জন্যই মুলত এই পোস্টটি- অনলাইনে আয় করুন

  • কিভাবে সহজে অনলাইনে আয় করা যায়
  • অনলাইনে আয় করবো কিভাবে
  • কিভাবে অনলাইনে টাকা আয় করবো
  • কিভাবে আয় করবো
  • কিভাবে অনলাইনে টাকা আয় করবো
  • ঘরে বসে কিভাবে আয় করবো
  • কিভাবে ইউটিউব থেকে আয় করবেন

অনলাইনে আয় করুন

আপনি কিভাবে Extra Make Money Online – অনলাইনে আয় করবেন সহজেই তা নিচে উল্লেখ করা হয়েছে যা আপনাকে আর্থিকভাবে সাহায্য করবে-

শুরু করতে পারেন কারপুল

নিজের ব্যবহৃত গাড়িটি দিয়ে আপনি শুরু করতে পারেন কারপুল অর্থাৎ গাড়িটি অন্য কোথাও ভাড়া দেওয়া। যে রুটে আপনি প্রতিদিন অফিস কিংবা কর্মস্থলে যান ওই রুটে গাড়িতে তুলে নিতে পারেন কয়েকজন একই রুটের যাত্রী। এ জন্য আপনার বাড়তি বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই অথচ আসবে বাড়তি আয়।

শুরু করতে পারেন ব্লগ

ব্লগ শুরুর জন্য মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন হয় না, অথচ অর্জন করা যায় দীর্ঘমেয়াদি মুনাফা। এমন একটি জায়গা নির্ধারণ করুন যেখানে কাজ শুরু করতে পারেন।

আরও পড়ুন- সিপিএ মার্কেটিং করে অনলাইনে আয় করুন

এরপর প্রস্তুত করুন বিষয়ভিত্তিক লেখা এবং প্রাসঙ্গিক আকর্ষণীয় ভিডিও। প্রথমে একটু সময় লাগতে পারে। তবে একসময় আপনি বেশ কিছু ফলোয়ার পেয়ে যাবেন। এটি বাড়তি আয়ের একটি ভালো উপায় হতে পারে।

স্মার্ট বিনিয়োগ 

আপনার ব্যাংক একাউন্টে যতই অর্থ সঞ্চিত থাকুক না কেন, সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ইন্টারেস্ট পাবেন না। সুতরাং, আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে বাইরে। এ ক্ষেত্রে কোনো অর্থ উপদেষ্টার পরামর্শ নিতে পারেন।

অনলাইনে খুঁজতে পারেন বিনিয়োগের জায়গা। এটি মিউচুয়াল ফান্ড, শেয়ার, এসআইপি (সিস্টেমেটিক ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যান) বা অন্য কোনো স্কিম হতে পারে যেখানে ঝুঁকি কম।

রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ

বাজারের পরিস্থিতি এবং আপনার আর্থিক অবস্থা অনুসারে রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগে আপনি ভালো আয় করতে পারেন। নিজের সম্পত্তি ভাড়া দিতে পারেন, সম্পত্তি কিনে সুবিধাজনক সময় আরো ভালো দামে তা বিক্রি করতে পারেন।

আরও পড়ুন-  ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে 500$ আয় করবেন -দেখুন এবং অনলাইনে আয় করুন

তবে এ ব্যবসায় আসার আগে বিষয়টি ভালো করে বুঝতে হবে, জানতে হবে এতে কী কী ঝুঁকি রয়েছে। দ্রুত উপার্জনের চিন্তা বাদ দিয়ে আগে প্রস্তুতিটা নিতে হবে সময় নিয়ে।

গাড়ি সঙ্গে বিজ্ঞাপন

এই ধারণাটি এখনো সারা দেশে খুব একটা জনপ্রিয় নয়। তবে এটি বাড়তি আয়ের একটি চমৎকার বিকল্প। আপনাকে যা করতে হবে তা হলো গাড়ি বিজ্ঞাপনের এজেন্সিতে (সরাসরি অথবা ওয়েবসাইট) যোগাযোগ করতে হবে।

 Money Online 2020

এ সম্পর্কিত চুক্তির গ্রহণযোগ্য শর্তাদি জানতে হবে। আপনি গাড়িটি আপনার কাজেই ব্যবহার করবেন। কেবল এর গায়ে কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন থাকবে।

 ফ্রিল্যান্সিং কিংবা ক্ষুদ্র ব্যবসা

আপনার যদি লেখালেখির হাত থাকে তবে শুরু করতে পারেন কোনো ফ্রিল্যান্স প্রকল্প। যদি থাকে শিল্পচর্চা তবে ঘরে বসেই তৈরি করতে পারেন বাহারি নকশার মোমবাতি, গহনা, চকোলেট বা অনুরূপ কিছু। আপনার দৈনিক সময়সূচি থেকে অতিরিক্ত কিছু সময় ব্যয় করতে হবে। তৈরি পণ্য বিক্রি করতে পারবেন অনলাইনে।

অভিজ্ঞতা বিনিময়

আপনার যদি বিশেষ কোনো বিষয়ে ভালো অভিজ্ঞতা বা পড়াশুনা থাকে তবে কলেজগুলো সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অতিথি বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিতে পারেন। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে সহায়তায় চালু করতে পারেন শিক্ষাদান পরিষেবা বা কোর্স। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে এসবেরও রয়েছে ভালো চাহিদা।

আরও পড়ুন ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ উপায় -দেখুন 

প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে আয়

আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন- Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন।

যদি আপনি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলো আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ওই কোম্পানি থেকে আপনি টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় 

অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং খুবই জনপ্রিয় কেননা এ ক্ষেত্রে কোনো চাপ নিতে হয় না, বাধাধরা নিয়ম থাকে না। ইচ্ছামতো কাজ করার সুযোগ থাকে। খণ্ডকালীন কাজ হিসেবে এখন অনেকেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত।

এ ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট কাজ জানতে হয় না। আপনার দক্ষতা ও যোগ্যতা অনুযায়ী যে কাজটি পারেন তা দিয়েই অন্যকে সেবা দেয়াই হল ফ্রিল্যান্স। এ ক্ষেত্রে বিভিন্ন কাজ যেমন- ফটোগ্রাফি, ওয়েব ডিজাইনিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সাইট রিভিউং ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

আপওয়ার্কে সফল হওয়ার দুর্দান্ত ১০টি টিপস-দেখুন 

ফ্রিল্যান্সংয়ের মাধ্যমে ঘরে বসেই আপনি পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের সেবা দিতে পারবেন অর্থাৎ বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্কিং সৃষ্টি হয়।

ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে এসব ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় কিছু কিছু ওয়েবসাইট। অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়।

কাজদাতা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী যোগাযোগ করে ফ্রিল্যান্সারকে কাজ দেয়। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়।

ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে। বিভিন্ন অনলাইন পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অর্থ আনা যায়।

নিজস্ব ওয়েবসাইট

নিজের ওয়েবসাইট তৈরি খুবই সহজ আর অনলাইনেই সব উপাদান রয়েছে কীভাবে নিজের পছন্দমতো ওয়েবসাইট তৈরি করা যায়। ডোমেইন নির্বাচন, টেমপ্লেট ও ওয়েবসাইট ডিজাইনিং সবই রয়েছ।

ওয়েবসাইট তৈরি হয়ে গেলে এবার গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। গুগলের বিজ্ঞাপন সাইটে দেখানো শুরু হলেই তাতে ক্লিক পড়বে, আর আয় আসতে শুরু করবে। ওয়েবসাইটে ট্রাফিক যত বেশি হবে, আয়ের পরিমাণ তত বাড়বে।

ইভেন্টের প্রচারণা

অনলাইন বা অফলাইনে বিভিন্ন ইভেন্টের শুধু প্রচারণা চালিয়ে টাকা আয় করা যায়। অবাক হওয়ার মতো হলেও এটাই বাস্তবতা বর্তমান অনালাইন জগতের। এ ক্ষেত্রে কোনো ইভেন্ট কর্তৃপক্ষদয়ের হয়ে আপনি অনলাইনে নিবন্ধন এবং অন্যান্য তথ্য সরবরাহের কাজ করবেন যার বিনিময়ে আপনাকে কিছু সম্মানী দেয়া হবে।

আর্টিকেল লিখে আয় করুন

আপনি যদি সৃজনশীল মনের মানুষ হয়ে থাকেন বা আপনি যদি লেখার প্রতি আগ্রহী হয়ে থাকেন তবে আপনার এ শখটি হয়ে উঠতে পারে আপনার জন্য আদর্শ একটি পেশা।

বর্তমানে অনলাইনে কয়েক হাজার এমন ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আপনাকে আপনার লেখার বিনিময়ে পারিশ্রমিক প্রদান করবে। ইন্টারনেটে যে কোনো কাজের চেয়ে আর্টিকেল লেখা অনেক বেশি লাভজনক।

অনলাইনে টাইপ করে আয় করুনডাটা এন্ট্রি করে মাসে $500-$600 ডলার আয় করুন

অনেকে আবার ভাবতে পারেন যে আমি নতুন বা আমি ইংরেজি পড়ে বুঝতে পারলেও সাজিয়ে লিখতে পারি না, তাহলে আমি কী করতে পারি?

বর্তমানে গুগল অ্যাডসেন্স বাংলা ভাষার ওয়েবসাইটে প্রুভড করার ফলে বাংলা ভাষায় যারা আর্টিকেল লিখতে আগ্রহী তাদের জন্য বড় একটি সম্ভাবনার দুয়ার খুলে গেছে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম

ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট শুধু বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাটিং বা ফটো শেয়ারিংয়ের জন্য নয় বরং এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া মেন্টরদের প্রচুর অর্থ দিয়ে থাকে ব্র্যান্ডের প্রচারণার জন্য। অনলাইনে গ্রাহকের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অবশ্য সৃজনশীলতা দরকার।

ফেসবুক থেকে আয় করুন- ফেসবুক থেকে আয় করবেন-ক্লিক করে পড়ুন 

বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ পাওয়া যায়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যান-ফলোয়ার তৈরি করা এবং এই ফ্যান ফলোয়ার ধরে রাখা প্রচুর ধৈর্য রাখা দরকার।

ওয়েব ডিজাইন 

বর্তমানে অনলাইনে কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কোনো ওয়েবসাইট ডিজাইন করে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে সবাই ওয়েব ডিজাইনারের শরণাপন্ন হন।

যারা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ।

এ ছাড়া ওয়েবসাইট ম্যানেজমেন্ট ও আপডেটে জন্যও ওয়েব ডিজাইনার দরকার। ওয়েব ডিজাইনারের কাজের কোনো কমতি হয় না। কাজ অনুযায়ী ওয়েব ডিজাইনারের আয়ও বাড়তে থাকে।

ইন্টারনেট সার্ভে করে আয়

একটি কোম্পানির অগ্রগতির জন্য তাদের সম্পর্কে ক্রেতা ও সাধারণ মানুষ কী ভাবছে এটা জানা অনেক বেশি প্রয়োজনীয়। এর ফলে একদিকে নিজেদের অভ্যন্তরীণ ত্রুটিগুলো শুধরে নেয়া যায়।

অন্যদিকে পণ্য বা সেবার বিক্রি বেড়ে যায় বহুগুণে। এ জন্য এসব কোম্পানিগুলো গ্রাহক পর্যায় থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মতামত পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের সার্ভে করিয়ে থাকে। 

ইউটিউবে আয় করুন

অনলাইনে ইউটিউব এখন অন্যতম আয়ের মাধ্যম। বিভিন্ন রকম ভিডিও কমেন্ট তৈরি করে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে আপলোডের মাধ্যমে খুব সহজেই আয় করা যায় ইউটিউব থেকে। বর্তমানে যারা সফল ইউটিউবার তাদের অধিকাংশই কোনো খরচ না করেই প্রথম পর্যায়ে ইউটিউবিং শুরু করেছে।

তাই একবারে স্টুডিও দিয়ে শুরু করার চিন্তা না করে আপনার স্মার্টফোনটি দিয়ে ভিডিও শুট করে আপলোড করুন এবং প্রতিনিয়ত ভিডিও আপলোড করতে থাকুন। অবশ্য এ ক্ষেত্রে সৃজনশীল আর ভালো এডিটিং জানা থাকলে আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।

যে বিষয়ে মানুষের আগ্রহ বেশি, সেই বিষয়ে ভিডিও তৈরি করে আপলোড করতে হবে। কতজন ভিউয়ার আপনার ভিডিও কতবার দেখেছে সেই হিসাবে গুগল থেকে অর্থ পাবেন।

বিজ্ঞাপন দেখে আয়

অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখে যে কত টাকা আয় করা সম্ভব তা সম্পর্কে অনেকেরই বিশদ কোনো ধারণা নেই। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনদাতার সংখ্যা এতই বেশি যা অবাক করার মতো। বর্তমানে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দেয় না এমন কোম্পানির সংখ্যা নেই বললেই চলে।

এ কোম্পানিগুলো বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় তাদের ও কার্যক্রমের তথ্য পৌঁছে দিতে চায়, আর তার জন্য কোম্পানিগুলো অর্থ ব্যয় করে প্রচুর।

ইন্টারনেটে এমন বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যারা এসব কোম্পানির কাছ থেকে তাদের বিজ্ঞাপন জনসাধারণকে দেখানোর চুক্তিবদ্ধ হয় এবং পরে তারা ওইসব বিজ্ঞাপন দেখার জন্য তাদের লভ্যাংশ থেকে বিজ্ঞাপনটি যে দেখছে তাকেও কিছু অর্থ প্রদান করে থাকে। তবে কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি প্রকৃত সাইট কিনা।

Extra Make Money Online 2020

অনেক সময় বন্ধুতে রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন। ClixSense, NeoBxu, PrizeRebel, Paidverts এই ওয়েবসাইটগুলো থেকে প্রাথমিকভাবে কাজ শুরু করলে ভালো ফলাফল পাবেন।

ডেটা এন্ট্রি করে আয় 

অনলাইনের সবচেয়ে সহজ কাজগুলোর একটি হচ্ছে ডেটা এন্ট্রি। ডেটা এন্ট্রি থেকে ইনকাম অবশ্য খুব কম। তবে অটোমেশন ব্যবহারের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায় এই ধরনের কাজ।

ডাঁটা এন্ট্রি কাজ করতে চাইলে আপনার জন্য এই কনটেন্ট টি পড়ে নিতে পারেন- ডাঁটা এন্ট্রি কি? ডাঁটা এন্ট্রি করে কিভাবে আপনি মাসে ৩০০-৪৫০ ডলার ইনকাম করবেন- ক্লিক করুন 

যাদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তারাই মূলত ডেটা এন্ট্রির কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে।

অনলাইনে আয় করুন পোস্টটি ভালো লাগলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন।

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close