Income From Google Adsense
Google Adsence

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়ানোর দুর্দান্ত টিপস,দেখে নিন!

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়ানোর দুর্দান্ত টিপস,দেখে নিন!

Great Tips To Increase Income From Google Adsense, Check Out!

Income From Google Adsenseআজকে আমরা আলোচনা করবো গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়াবেন কিভাবে? দুর্দান্ত টিপস নিয়ে আলোচনা করবো এতে আপনার গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ভালো পরিমানে অর্থ আয় করতে পারবেন।

অনেকেই দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন করতে সক্ষম হলেও আয় বৃদ্ধি করতে পারে না। তাদের জন্যই মূলত আজকের পোস্টটি।

অনলাইনে আয়ের কথা কমবেশি সবাই জানি। বর্তমান সময়ে গুগল অ্যাডসেন্সের ( google adsence earnings ) সঙ্গে কম বেশি সবাই পরিচিত। মূলত অনলাইনে আয় করার সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এই গুগল অ্যাডসেন্স।

গুগল অ্যাডসেন্স একটি বিজ্ঞাপন প্রোগ্রাম যা আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট, ব্লগ, বা ইউটিউব ভিডিওতে বিজ্ঞাপন চালানোর অনুমতি দেয় এবং দর্শনার্থীরা ক্লিক করলে অর্থ প্রদান করতে পারে।

অ্যাডসেন্সের নিয়মকানুন এবং গাইডলাইন সঠিকভাবে অনুসরণ করলে সহজেই অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভড করে সঠিকভাবে বিজ্ঞাপন শো করিয়ে টাকা উপার্জন করা সম্ভব।

অনেকেই দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন করতে সক্ষম হলেও আয় বৃদ্ধি করতে পারে না অনেকেই। গুগল অ্যাডসেন্স আয় বৃদ্ধি না হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে এর সঠিক ব্যবহার করতে না পারা।

আজকের আলোচনায় থাকছে, গুগল অ্যাডসেন্স কী? কীভাবে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধি করা যায়?

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়

গুগল অ্যাডসেন্স ( google adsence )

গুগল অ্যাডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আডভারটাইজিং মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স হচ্ছে গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশীদারি প্রকল্প যার মাধ্যমে গুগল ও তার ব্যবহারকারী তাদের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

Income From Google Adsenseএকটি ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিক কিছু শর্তসাপেক্ষে তার সাইটে গুগল নির্ধারিত বিজ্ঞাপন দেখানোর বা স্থাপনের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। আর গুগল অ্যাডসেন্স বর্তমান সময়ের অত্যন্ত কার্যকরী ও বিশ্বের বৃহত্তম অনলাইন অ্যাডভার্টাইজিং নেটওয়ার্ক।

যার মাধ্যমে বিশ্বের বড়-বড় ব্লগার ও ওয়েব মাস্টাররা তাদের ব্লগ/ওয়েবসাইট মনিটাইজ করে টাকা আয় করে থাকেন। গুগল তাদের বার্ষিক আয়ের বড় একটি অংশ গুগল অ্যাডসেন্স থেকে করে থাকে।

কীভাবে গুগল অ্যাডসেন্স কাজ করে

প্রথমে আপনাকে গুগল অ্যাডসেন্সের পাবলিশার হতে হবে এবং আপনার ব্লগ/ওয়েবসাইট বা ইউটিউব চ্যানেলে অ্যাডসেন্সের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে। কেউ যদি সেই বিজ্ঞাপন দেখে ক্লিক করে তাহলে আপনে প্রতি ক্লিকের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা পাবেন।

এ ছাড়া শুধু মাত্র আপনার ব্লগ/সাইটের বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্যও আপনি অল্পকিছু পরিমাণ টাকা পাবেন। আর এই বিজ্ঞাপনগুলো গুগল তাদের আরেকটি প্রোগ্রাম গুগল অ্যাডওয়ার্ডসের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে থাকে।

গুগল অ্যাডসেন্স এর মাধ্যমে আয় করার ক্ষেত্রে কিছু টিপস

১.ভালো মানের কন্টেন্ট তৈরি করুন

২.সাইট অ্যাপ তৈরি করুন

৩.নির্দিষ্ট নিশ নিয়ে কাজ করুন বা ইউনিক কিছু নিয়ে কাজ করুন

৪.কপি করার চেস্টা করবেন না

৫.মানুষকে সহযোগিতা করার চেস্টা করুন

৬.গুগল অ্যাডসেন্স এর নিয়ম মানুন

৭.পর্ণ বা উস্কানিমুলক কনটেন্ট থেকে বিরত থাকুন

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বৃদ্ধির কৌশল

গুগল অ্যাডসেন্সের পলিসি সঠিকভাবে অনুসরণ করুন। অনেকেই এ বিষয়টি নিয়ে তেমন একটা ভাবেন না। হয়তো মনে করেন এটি ব্লগের ক্ষেত্রে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না।

গুগল অ্যাডসেন্সের গাইডলাইন অনুসরণ না করে কোনো কিছু করলে আয় বৃদ্ধির হওয়ার পরিবর্তে যে কোনো সময় আপনার গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট ব্যান হতে পারে।Income From Google Adsenseগুগল অ্যাডসেন্স পেয়ে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারবেন না। গুগল অ্যাডসেন্সের প্রধান কয়েকটি বর্জনীয় বিষয় তুলে ধরলাম।

১.নিজের ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করা।

২.Paid Traffic বা Clicking ব্যবহার না করা।

৩.IP Address পরিবর্তন বা গোপন করে বিজ্ঞাপনে ক্লিক না করা।

৪.অন্যকে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে উৎসাহিত না করা।

কথায় আছে, অতি চালাকের গলায় দড়ি। আপনি নিজেকে কখনোই অতিরিক্ত চালাক ভাববেন না।কারন আপনার থেকে অনেক বেশি চালাক তাই গুগলের নিয়মগুলি পড়ুন এবং মেনে চলুন।

সঠিক জায়গায় বিজ্ঞাপন কোড বসান

গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপনের কোডগুলো এমন জায়গায় বসাতে হবে যাতে করে ভিজিটররা খুব সহজে অ্যাড-টি দেখতে পায়। আর এই পদ্ধতিটাই ব্লগের বিজ্ঞাপনে ক্লিক হওয়ার অধিক সম্ভাবনা তৈরি করবে Google Adsense সবসময় কনটেন্ট Related বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে।

কাজেই যখন পাঠক সহজে বিজ্ঞাপন দেখতে পাবে তখন ওই জিনিসটা তার প্রয়োজন পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে সে তার প্রয়োজনে অবশ্যই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। তবে ব্লগের কনটেন্ট Area-এর ভেতরে অধিক পরিমাণে বিজ্ঞাপন বসানো থেকে বিরত থাকবেন।

ব্লগের লোডিং স্পিড বৃদ্ধি করা

একটি দ্রুতগতির ব্লগ ভিজিটর এবং বিজ্ঞাপন ক্লিক দুটিই বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবে। ব্লগ যদি খুব ধীরগতির হয় তাহলে কোনোভাবেই ভিজিটর এবং পেজ ভিউ পাওয়া যায় না। কারণ ব্লগ যদি লোড নিতে বেশি সময় নেয় তাহলে ভিজিটররা বিরক্ত বোধ করবে এবং আপনার ব্লগ থেকে বেরিয়ে যাবে।

আপনার পৃষ্ঠা লোডিং সময়টি কয়েকটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথমত– যদি আপনার ওয়েবসাইট লোডের গতি খুব ধীর হয় তবে গুগল এটি স্বীকৃতি দেবে কিন্তু এটি আপনার র‌্যাঙ্কিংয়ের ক্ষতি করবে। গবেষণায় দেখা যায় যে,ওয়েবসাইটের পৃষ্ঠাটি লোড হতে ৩ সেকেন্ডের বেশি সময় নিলে ৪০% দর্শক ওয়েবসাইট ত্যাগ করবেন।

মারাত্মক বিষয়টি হলো ৮০% দর্শক সেই ওয়েবসাইটে আর ফিরে আসবে না।

এটি আপনার ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি উন্নতি না করলে শেষ পর্যন্ত আপনার সাইটের ট্র্যাফিক শুন্য করতে পারে। এতে আপনার আয় কমে যাবে।

google adsence income

এজন্য আপনি এসইও তে মনোযোগ দিতে পারেন-দেখে নিতে পারেন- ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার ১৩ টি উপায়

অন্যান্য বিজ্ঞাপন বাদ দেয়া

গুগল অ্যাডসেন্স বিজ্ঞাপন থেকে আয় বৃদ্ধি করতে চাইলে অবশ্যই অ্যাডসেন্স থেকে কম গুরুত্ব বহন করে এমন সব বিজ্ঞাপন পরিহার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ব্লগের Load Time অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাবে।

গুগল অ্যাডসেন্স তাদের বিজ্ঞাপনের পাশাপাশি অন্য ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পছন্দ করে না। গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে আপনি যদি অন্য কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করেন তাহলে অবশ্যই সেটি জবসড়াব করবেন। তা না হলে কোনোভাবে Adsense টিম আপনার আবেদন অনুমোদন করবে না।

অরিজিনাল ও কোয়ালিটি কন্টেন্ট লেখা

অ্যাডসেন্স থেকে ভালো আয় করার প্রথম শর্তই হচ্ছে ভিজিটরের চাহিদা মাফিক অরিজিনাল এবং কোয়ালিটি সম্পন্ন কন্টেন্ট নিয়মিত ওয়েবসাইটে পাবলিশ করা।সে জন্য অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যেন সাইটে কপি-পেস্ট কন্টেন্ট না দেয়া হয়।

কোয়ালিটিসম্পন্ন কন্টেন্টে হাইপেয়িং বিজ্ঞাপনদাতাদের এডস আসে, যারা ক্লিকের জন্য বেশ ভালো সিপিসি দিতে আগ্রহী থাকে। বুঝতেই পারছেন অরিজিনাল এবং কোয়ালিটিসম্পন্ন পোস্ট লিখার গুরুত্ব কেমন।

আপনি কতবার আপনার ওয়েবসাইট আপডেট করবেন? আপনি এটি তৈরির দিন থেকেই যদি এটি স্পর্শ না এবং এডমিন প্যানেলে না ঢোকেন তাহলে আপনার এসইও র‌্যাঙ্কিং কখনোই থাকবে না।

আপনার ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং বাড়ানোর জন্য উচ্চ মানের কনটেন্ট ও সাম্প্রতিক এবং প্রাসঙ্গিক নিশ থাকা দরকার।

আপনার সাইটে যদি আপনি নিয়মিত উত্তেজনাপূর্ণ বা সংবাদযোগ্য তথ্য আপডেট করেন ,তবে এটি আপনার ওয়েবসাইটের দর্শককে আরও দীর্ঘায়িত করবে। উচ্চ তথ্যবহুল সরবরাহকারী ওয়েবসাইটগুলিতে সাধারণত দীর্ঘ সময় বায় করে থাকে মানুষজন।

সুতরাং অ্যাডসেন্স রেভিনিউ বৃদ্ধি করতে চাহিদা মাফিক কপি-পেস্টবিহীন কোয়ালিটি কন্টেন্ট পোস্ট করা উচিত।

google adsence income

নিয়মিত কনটেন্ট পাবলিশ করা

ব্লগে প্রচুর পরিমাণে নিত্যনতুন ইউনিক ভিজিটর পেতে অবশ্যই নিয়মিত নতুন নতুন আর্টিকেল পোস্ট করতে হবে। SEO অনুসরণ করে ব্লগে ভালোমানের কনটেন্ট শেয়ার করলেই ভিজিটর ও আয় দুটিই বাড়তে থাকবে।
তবে মনে রাখতে হবে বেশি কনটেন্ট শেয়ার করতে গিয়ে কপি কনটেন্ট শেয়ার না হয়ে যায়।

এতে করে আয় বৃদ্ধি হওয়ার পরিবর্তে Adsense অ্যাকাউন্ট হারাতে পারে।আপনি দেখতে পাচ্ছেন যে কোনও ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয় করার অনেকগুলি উপায় রয়েছে। তবে অনেকের আপনার অর্থোপার্জনের আগে আপনার কাছে উল্লেখযোগ্য ট্র্যাফিক থাকা দরকার।

গুগলে শীর্ষে যে ফলাফলটি প্রকাশিত হয়। সেখানে ক্লিক করার ৩৩% সুযোগ রয়েছে এর অর্থ আপনি যদি পৃষ্ঠায় এক নম্বরে না থেকে থাকেন তাহলে আপনি সম্ভাব্য ট্র্যাফিকের এক তৃতীয়াংশ মিস করেছেন আরও অবাক করার বিষয় হলো যে, ৭৫% লোক অনুসন্ধান এর পর অনুসন্ধান ফলাফলের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ক্লিক করবে না।

গবেষণায় দেখা যায় যে,ওয়েবসাইটের পৃষ্ঠাটি লোড হতে ৩ সেকেন্ডের বেশি সময় নিলে ৪০% দর্শক ওয়েবসাইট ত্যাগ করবেন। মারাত্মক বিষয়টি হলো ৮০% দর্শক সেই ওয়েবসাইটে আর ফিরে আসবে না।

এজন্য চলুন ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও এর দিকে একটু সময় দেই।এতে আপনার ট্র্যাফিক বারলে আপনার আয়ও তাড়াতাড়ি বাড়বে।এজন্য দেখুন- অনলাইন সার্চে শীর্ষ স্থান পেতে ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও !

google adsence youtube

এছাড়াও আপনি ইউটিউব থেকে গুগল অ্যাডসেন্সে আয় করতে পারেন।

মনে রাখবেন, সার্চ ইঞ্জিন/গুগল সব সময় বড় কনটেন্ট যেখানে অনেক তথ্য, ছবি ও ভিডিও আছে তা প্রাধান্য দিয়ে থাকে। আপনি যে বিষয়ে লিখতে চান, আগে জেনে নিন তা অনলাইনে কী পরিমাণে খোঁজা হয়। কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে সার্চ করলে যে ওয়েবসাইট বা লিংকগুলো আগে আসে।

google adsence income

সেগুলোর কনটেন্ট সাজানো, শব্দের সংখ্যা, ছবি ও ভিডিওর ব্যবহার, বিভিন্ন লিংকের ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা নিয়ে আরও ভালো কিছু তৈরি করার চেষ্টা করতে হবে।

ধৈর্য নিয়ে ধারাবাহিকভাবে ভালো কনটেন্ট তৈরি করতে থাকলে ওয়েবসাইটের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে এবং একসময় তা সার্চে শীর্ষ স্থানে আসে।

শীর্ষ স্থানে আসা মানেই আপনার আয় বেশি হওয়া। এজন্য আপনি এসব বিষয় মাথায় রাখলে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়াতে পারবেন।

আমার বিশ্বাস আপনি যদি এভাবে ওয়েবসাইটের সার্বিক বিষয় মাথায় রেখে কাজ করেন, তাহলে সার্চে শীর্ষ স্থান দখল করবেন এবং ভিজিটর বাড়বে এবং গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় বাড়াতে পারবেন।

পোস্টটি ভালো লাগলে বা উপকৃত হলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle.com এর সঙ্গেই থাকবেন। কোন প্রশ্ন থাকলে তা কমেন্টে জানাতে পারেন।

BY:Factarticle.com

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *