Uncategorized

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব না থাকলেও গুগলে চাকরি মিলবে!

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব না থাকলেও গুগলে চাকরি মিলবে! 

Regardless of the importance of institutional education, Google will find a job

google jobআমাদের আজকের মূল আলোচনার বিষয় হলো আপনি কিভাবে গুগলে চাকরি পাবেন? চলুন তাহলে শুরু করা যাক-

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন হলো গুগল। গুগল নামটি আসলে এসেছে গাণিতিক হিসাবের গোগল (googol) ভুল করে লেখার মাধ্যমে-যার হলো ১ এর পর একশোটি শূন্য। এ নিয়ে এখন অনেক গল্প প্রচলিত আছে যে, একজন প্রকৌশলী বা ছাত্র আসল নামের বদলে এই ভুল বানানটি লিখেছিলেন। এভাবেই সেই ভুল নামই পুরো দুনিয়ার সামনে চলে আসে।

জিমেইল, গুগল ম্যাপস, গুগল ড্রাইভ এবং গুগল ক্রোম এসবের বাইরে ২০১০ সাল থেকে গুগল প্রায় প্রতি সপ্তাহেই একটি করে কোম্পানির মালিক হচ্ছে। অ্যান্ড্রুয়েড,ইউটিউব, ওয়ায, অ্যাডসেন্স-এসব প্রতিষ্ঠানের মালিক গুগল, এরকম আরো ৭০টি কোম্পানি রয়েছে। গুগল প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৪০ হাজার অনুসন্ধানের জবাব বের করে- প্রতিদিন যার মানে সাড়ে তিন বিলিয়ন অনুসন্ধান (ফোর্বসের হিসাব) অনুযায়ী।

যাঁরা প্রচলিত অফিস বাদ দিয়ে ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং করে সবচেয়ে বেশি আয় করতে চান, তাঁদের জন্য ডেটা অ্যানালিটিক্স ও ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্ষেত্রের দক্ষতা সবচেয়ে বেশি কাজে লাগবে। সম্প্রতি এ দুটি খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বাড়তে দেখা গেছে।

আমরা অনেকেই গুগলে চাকরি পেতে খুবই আগ্রহী এবং চাকরির জন্য এসব প্রশ্ন সবার মনে জেগে উঠে। সেই সব প্রশ্ন নিয়েই আজকের মূলত পোস্টটা-

গুগলে চাকরির বেতন

গুগলে চাকরি পাওয়ার উপায়

গুগলে চাকরির যোগ্যতা

গুগলে চাকরি পেতে চাই

বাংলাদেশ থেকে গুগলে চাকরি

গুগলে চাকরির আবেদন

অনেকের স্বপ্ন গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করবেন। দারুণ সুযোগ-সুবিধা, আকর্ষণীয় বেতন, সন্তোষজনক কর্মপরিবেশ সবার মনেই আগ্রহ জাগায়। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি বেতন দিয়ে থাকে, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গুগল।google jobকিন্তু গুগলের কর্মী হওয়া খুব সহজ কাজ নয়। কারণ, গুগলে চাকরি পেতে জিপিএ কিংবা পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পাওয়ার বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্বই নেই।

নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লাজলো বক বলেছিলেন, গুগলে চাকরি পেতে গণিত ও কম্পিউটিং, বিশেষ করে কোড লেখার দক্ষতা জরুরি।

যদি কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় ভালো গ্রেড অর্জন করে এবং সত্যিকারের দক্ষতা দেখাতে পারে, তারা গুগলে চাকরির জন্য অবশ্যই আবেদন করতে পারে। গণিত আর কোড, এ দুটি দক্ষতা চাকরিপ্রার্থীর জন্য একটা বাড়তি সুবিধা করে দিতে পারে। তবে এ দুটির বাইরে গুগলে চাকরি পেতে আরও অনেক দক্ষতাই অর্জন করতে হবে।

গুগলে চাকরির জন্য পাঁচটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়। যদি চাকরির পদটি কোনো কারিগরি বিষয় হয়, তবে জোর দেওয়া হয় কোডিং দক্ষতার ওপর। গুগলে চাকরির প্রায় অর্ধেকই অবশ্য কারিগরি শ্রেণিতেই পড়ে।

প্রতিটি চাকরির ক্ষেত্রেই যে মূল বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয় তা হচ্ছে সাধারণ জ্ঞানের দক্ষতা। বিষয়টিতে আইকিউয়ের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না।

এখানে সাধারণ জ্ঞান বলতে বোঝানো হচ্ছে, কোনো বিষয় শেখার দক্ষতা, দ্রুত শেখার ক্ষমতা এবং তা কাজে লাগানোর ক্ষমতা। এই দক্ষতা হচ্ছে, অতিসূক্ষ্ম জিনিসের মধ্যে পার্থক্য করার ক্ষমতা।

গুগলে চাকরির জন্য সাক্ষাৎকার নেওয়ার সময় আচরণগত এ বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে নেতৃত্বগুণ। গুগলে চাকরি পেতে গেলে আরও দুটি ভালো গুণ অর্জন করা জরুরি।

এর একটি নম্রতা, অন্যটি কোনো জিনিসকে দ্রুত নিজের করে নেওয়ার ক্ষমতা। গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য আরেকটি দক্ষতা থাকতে হবে আর তা হচ্ছে কোনো কাজের ওপর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা।

ন্যূনতম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে কাজে নেওয়া হলে তাঁর শেখার আগ্রহ, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার আগ্রহ থাকে। গুগল যে কাজটি করে তা হচ্ছে, প্রচলিত জিপিএ বা প্রচলিত শিক্ষার বাইরের মেধাগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে।google job

গুগলে চাকরি পেতে কিছু আজব প্রশ্ন

ক্রিয়েটিভ স্পেশালিস্ট

গুগলের ক্রিয়েটিভ স্পেশালিস্ট নিয়োগ দেওয়ার আগে তাঁর সাধারণ জ্ঞান ও দক্ষতা যাচাই করা হয়। ২০১৬ সালের জানুয়ারি মাসে এক সাক্ষাৎকারে এ পদের প্রার্থীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—এইচটিএমএল ৫-এর গুরুত্ব ল্যারি পেজকে বোঝানোর পর কীভাবে তা আমার দাদিকে বোঝাব?

ডেটাবেইস অ্যাডমিন

গুগলের গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট হচ্ছে ডেটাবেইস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। এ পদে নিয়োগের জন্য ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে এক সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনাকে যদি এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার ও একটি মহাকাশযান দেওয়া হয় তবে মানবসভ্যতার সবচেয়ে বড় সমস্যা কীভাবে সমাধান করবেন?

সফটওয়্যার প্রকৌশলী

সফটওয়্যার প্রকৌশলীদেরও নানা জটিল প্রশ্ন করে গুগল। এর আগে এক কর্মীকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনাকে গোড়া থেকে গুগল ম্যাপ তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হলে গেটওয়ে অব ইন্ডিয়াতে (মুম্বাই) দাঁড়ানো এক ব্যক্তিকে গাইড করে ইন্ডিয়া গেটে কীভাবে নেবেন?

প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজার

গুগলের প্রোডাক্ট মার্কেটিং ম্যানেজারদের চাকরির আগে প্রশ্ন করা হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর কলেজ সিনিয়র যাঁরা চার বছর মেয়াদি স্নাতক শেষ করে চাকরি নিয়ে বের হচ্ছেন, তাঁদের সংখ্যা অনুমান করে বলুন।

অ্যাসোসিয়েট প্রোডাক্ট ম্যানেজার

এ পদের কর্মীদেরও নানা কৌশলী প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এর আগে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনার কাছে যদি ব্যাংকের ডেটাবেইস ব্যবহারের সুযোগ থাকে, তবে ওই তথ্য ব্যবহার করে বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য কীভাবে এটিএম তৈরি করবেন?

প্রোডাক্ট ম্যানেজার

গুগলের প্রোডাক্ট ম্যানেজার পদটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। এ পদে চাকরির জন্য প্রশ্ন করা হয়, সান ফ্রান্সিসকোর ডাউনটাউনে গৃহহীন হওয়ার সমস্যা কীভাবে সমাধান করবেন?

কোয়ানটিটিভ কমপেনশেসন অ্যানালিস্ট

বিশ্বের কোথাও যদি আপনি গুগলের নতুন অফিস খোলেন তবে সেখানকার কর্মীদের বেতনভাতার বিষয়টি কীভাবে বের করবেন?

কোয়ানটিটিভ অ্যানালিস্ট

একটি কয়েন ১ হাজার বার চক্কর দিলে ৫৬০ বার হেড পড়ে। আপনি কি মনে করেন ওই কয়েনটি পক্ষপাতদুষ্ট?google job

ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজার

এ পদের জন্য বেশ মজার প্রশ্ন করা হয়। ধরুন, আপনি যদি কোনো জলদস্যু জাহাজের কাপ্তান এবং লুট করা সোনার ভাগ পেতে নাবিকদের ভোট লাগবে। যদি আপনার পক্ষে অর্ধেকের কম ভোট পড়ে তবে নির্ঘাত মৃত্যু। তাহলে কীভাবে ওই সোনা আপনি ভাগ করবেন, যাতে নিজের ভাগে বেশিটা পড়ে এবং আপনি টিকেও যান?

বিজনেস অ্যাসোসিয়েটস

একটি খড়ের গাদায় হারানো সুচ আপনি কত উপায়ে খুঁজবেন?

গুগলে চাকরির বেতন

সিনিয়র ডেভেলপার– $ 150,000 ডলার

সিনিয়র ম্যানেজার– $ 130,000 ডলার

ডিজাইনার-$ 115,000 ডলার

ম্যানেজার-$ 103.000 ডলার

বিকাশকারী-$ 100,000 ডলার

আইটি বিশ্লেষক-$ 72.000 ডলার

গুগলে চাকরি পাওয়ার উপায়

গুগলে চাকরি পেতে পরীক্ষায় বেশি জিপিএ থাকতে হবে, এ ধারণা করা ঠিক নয়। গুগলে চাকরি পেতে জিপিএ কিংবা পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পাওয়ার বিষয়টির তেমন কোনো গুরুত্বই নেই।

কারণ পরীক্ষার ফল দেখে কারও সম্পর্কে ধারণা করা যায় না—এ কথাগুলো নিউইয়র্ক টাইমসকে এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন গুগলের মানবসম্পদ বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট লাজলো বক।

লাজলোর মতে, ধীরে ধীরে প্রচলিত শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় বা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ছাড়া গুগলকর্মীর সংখ্যা বাড়ছে। গুগলের কিছু কিছু টিমে ১৪ শতাংশ কর্মীর প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ডিগ্রি নেই।

লাজলো বলেন ‘আমাকে ভুল বুঝবেন না’। পরীক্ষায় কেউ ভালো ফল করলে বা ভালো গ্রেড পেলে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা নেই। তবে গুগলে চাকরি পেতে গণিত ও কম্পিউটিং, বিশেষ করে কোড লেখার দক্ষতা জরুরি।

যদি কেউ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষায় ভালো গ্রেড অর্জন করে এবং সত্যিকারের দক্ষতা দেখাতে পারে, তারা গুগলে চাকরির জন্য অবশ্যই আবেদন করতে পারে। গণিত আর কোড এ দুটি দক্ষতা চাকরিপ্রার্থীর জন্য একটা বাড়তি সুবিধা করে দিতে পারে। তবে এ দুটির বাইরে গুগলে চাকরি পেতে আরও অনেক দক্ষতাই অর্জন করতে হবে।

বক বলেন, গুগলের কর্মীর দায়িত্ব হলো নিজের কাজটুকু ঠিকভাবে করা এবং অন্যের জন্য তার কাজের সুযোগ করে দেওয়া।

গুগলে ভদ্রতা বলতে অন্যকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া নয়; বরং এটিকে বলা চলে বুদ্ধিবৃত্তিক নম্রতা। এই নম্রতা বা অন্যকে সম্মান দেখানোর মানসিকতা তৈরি না হলে কর্মীদের পক্ষে নতুন কিছু শেখা সম্ভব নয়।

গবেষকদের প্রসঙ্গ টেনে লাজলো বলেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের আধিক্য দেখা যায়। অধিকাংশ সফল ও মেধাবীর ক্ষেত্রে ব্যর্থতার হার খুব কম থাকে, তাই তারা ব্যর্থতার থেকে কীভাবে শিক্ষা নিতে হয়, সেই বিষয়টিই শিখতে পারে না।

লাজলো বক বলেন, গুগলে চাকরি পাওয়ার জন্য আরেকটি দক্ষতা থাকতে হবে আর তা হচ্ছে—কোনো কাজের ওপর ন্যূনতম অভিজ্ঞতা। ন্যূনতম অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাউকে কাজে নেওয়া হলে তাঁর শেখার আগ্রহ, যোগাযোগ দক্ষতা, নেতৃত্ব দেওয়ার আগ্রহ থাকে।

বকের কথার সংক্ষেপ করলে দেখা যাবে, মানুষের মেধা বিভিন্ন ধরনের হতে পারে এবং এই মেধাকে প্রচলিত ধারার বাইরেও নানাভাবে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান ও নিয়োগকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে শুধু নামকরা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে চেয়ে থাকলেই হবে না।

কারণ, স্কুল থেকে ঝরে পড়া অনেক মানুষই তাঁদের পথ খুঁজে নিয়ে বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। যদিও তাঁরা ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হন। এই ব্যতিক্রমী মানুষদেরই আমাদের খুঁজে বের করা উচিত।Income From Google Adsense

বক বলেন, অনেক নামকরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে কিন্তু সেখান থেকে তাদের প্রতিশ্রুতি মতো স্নাতকদের বের করতে পারে না। তারা জীবনের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়। এটা মানুষের কৈশরকেই কেবল বিলম্বিত করে।

গুগল যে কাজটি করে তা হচ্ছে প্রচলিত জিপিএ বা প্রচলিত শিক্ষার বাইরের মেধাগুলোকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করে। যদিও অধিকাংশ তরুণ এখন স্কুল-কলেজের শিক্ষা নিতে যাচ্ছেন, তার পরও তাঁদের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়তে যে বিষয়গুলো কাজে লাগবে তা শেখাটাই মূল বিষয়।

বক বলেন, আপনি কতটুকু জানেন এবং আপনার জানার পরিধি কাজে লাগিয়ে কী করতে পারেন, বর্তমান বিশ্ব সে বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেবে এবং আপনার সেই মেধার মূল্য শোধ করবে।

বর্তমান উদ্ভাবনী বিশ্বে নেতৃত্ব, নম্রতা, সহযোগিতা ও সহজে গ্রহণ করা, শিখতে ভালো এবং বারবার শিখতে চাওয়ার মতো দক্ষতাগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। আর এ বিষয়গুলো শুধু গুগলে চাকরি পেতেই নয়, যেখানেই কাজ করতে যান না কেন সেখানেই কাজে লাগবে।

গুগলে চাকরি এই পোস্টটি যদি ভালো লাগে তাহলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle.com এর সঙ্গেই থাকবেন।

BY: Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close