Uncategorized

সরকারী চাকরি VS ফ্রিল্যান্সিং

সরকারী চাকরি VS ফ্রিল্যান্সিংsuccess

Government Jobs VS Freelancing

আমার আজকের পোস্ট টা সবার জন্যে না।যারা অল্প সময়েই মিলিওনারি হতে চায় তাদের জন্য।

সরকারি চাকরি

আমরা আমাদের পরিবারে স্বভাবতই এরকম কথা শুনতে পাই যে, পড়াশুনায় ভালো করে A+ পেতেই হবে এবং সরকারী চাকরী করতে হবে। টাকা জমাতে হবে এবং শেষ বয়েসে এসে সুন্দর লাক্সারী লাইফ ইনজয় করা যাবে। এখানে আমি সরকারী চাকরির বিরিদ্ধে একদমই বলছি না,আমি বলতে চাচ্ছি যে,সরকারী চাকরিই জীবনের একমাত্র পথ হতে পারে না।

আসলেই কি সরকারি চাকরিতে লাক্সারী লাইফ লীড করা যায়?

সারাজীবন পরিশ্রম করে টাকা জমিয়ে শেষ বয়েসে এসে ধনী হওয়া মানেই কি লাক্সারি লাইফ!
একজন সরকারী কর্মজীবি মানুষ সারাজীবন পরিশ্রম করে ধনী হয়ে শেষ বয়েসে সম্পদ উপভোগ করবে বলে ভাবেন। সত্যিই কি সেই সম্পদ উপভোগ করার সময় থাকে তাদের!

সারাজীবন সরকারের কাজের জন্য গাধার মতো খেতে হার্টের রোগ,ডায়বেটিস নিয়ে কিভাবে সম্পদ উপভোগ করবেন?
এই চাকরি গুলোতে এমনকি ছুটির দিনেও কাজ করতে হবে আপনাকে।ওভারটাইম ও করতে হয়।এতে না পারবেন নিজেকে সময় দিতে ,না পারবেন পরিবারকে সময় দিতে।

আর সরকারি চাকরিতে সবচেয়ে বড় বিষয় যে, আপনার যোগ্যতা বাঁ বয়স শেষ তাহলে আপনার আর কোন দরকার নাই।আপনার আর চাকরি থাকলো না ।
এভাবে আপনি সারাজীবন পরিশ্রম করে বয়স শেষে সম্পদ উপভাগ করার সুযোগ থাকবে না।

কথাটা এজন্য বলছি কারন,সেই সময় না আপনি পাহাড়ে চড়তে পাবেন,না আপনি এভারেস্ট এ চড়তে পাবেন, না আপনি মরুভূমি পাড়ি দিতে পাবেন।

তাহলে কিভাবে সেই সময় সম্পদ উপভোগ করবেন।এত দিনের শ্রম দেয়ার পর যদি সেই সম্পদ কে উপভোগ করতে না পারেন তাহলে সম্পদ করে লাভটা কি হলো।freelancer vs

ফ্রিল্যান্সিং

এখন আসি ফ্রিল্যান্সিংএ,

এখানেও পরিশ্রম আছে কিন্তু এখানে সফলতা তাড়াতাড়ি আসবে। সেটা একান্তই আপনার নিজের দক্ষতার উপর নির্ভর করবে। আপনি যদি এখানে একটানা কয়েক বছর পরিশ্রম করে ভালো একটা সিস্টেম দাঁর করাতে পারেন তাহলে আপনাকে আর সারাদিন ডিইটি করতে হবে না।

ধরুন প্যাঁসিভ ইনকাম গুলো।যেমনঃ অ্যাপ,সফটওয়্যার,বই,গেম,ওয়েবসাইট,ব্লগ,প্রোগ্রাম ইত্যাদি। এগুলার মাধ্যমে যদি একটা ভালো সিস্টেম দাড় করান তাহলে আপনি ঘুমিয়ে থাকলেও টাকা ইনকাম হবে।লাইফ টাকে এনজয় করতে পারবেন।পরিবারের সাথে সময় দিতে পারবেন। এখানে আপনাকে চাকরির বয়স শেষে টাকা গুনতে হবে না।

এগুলা ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ের উপর উদ্যোক্তা হতে পারেন। প্রথম দিকে একটু খাটাখাটনি করলে প্রচার এর মাদ্ধমে জনপ্রিয় করতে পারলেই আপনাকে আর কাজ করা লাগবে না। যেমন আমরা যখন গাছ লাগাই তখন প্রথমে একটু বেশি যত্ন নিতে হয়,কিন্তু গাছ যখন বড় হয় তখন তাকে আর বেশি যত্ন নিতে হয় না,তখন সে এমনিতেই ফল দিতে শুরু করে।

একটা সুন্দর উদাহরন দেয়া যাক,মনে করি আবুল ও বকুল তাদের আয়ু হলো ৮০ বছর । আবুল ৬০ বছর বয়সে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিলো যে , সে পাহাড়ে চড়বে তারপর সে তার স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দিবে।

অন্যদিকে বকুল একই সিধান্ত নিলো ৩০ বছর বয়সে যে,সেও পাহাড়ে চড়বে এবং তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করলো।
এখানে তাহলে কে বেশি লাভবান হলো?

তেমনি সহজ কথায় বললে,সঠিক পথে সঠিক সময়ে কাজ করেন তাহলে যেন টাকার গাছ লাগালেন। তাই এখানে আপনি বকুল এর মতো ৩০ বছর বয়সেই পাহাড়ে চড়তে পারবেন। আর লাইফে সম্পদ উপভোগ করার সময় ও থাকবে।

কিন্তু এটাও একমাত্র পথ না,কারন সবাই সময় মতো সফল নাও হতে পারেন।

পোস্টটি ভালো লাগলে Factarticle.com এর সঙ্গেই থাকার চেষ্টা করবেন।

BY:Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close