মায়ের দেয়া উপহারই ছিল তার আশীর্বাদঃ টমাস আল্ভা এডিসন | Factarticle.Com            
Factarticle.Com
tomas

মায়ের দেয়া উপহারই ছিল তার আশীর্বাদঃ টমাস আল্ভা এডিসন

tomas alva

Mother’s gift was her blessing: Tomas Alva Edison

বর্তমান যুগের প্রযুক্তি মূলত টমাস আল্ভা এডিসন এর হাত দিয়েই শুরু। তিনি হলেন শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ এক বিজ্ঞানী। তার মতো সফল মানুষ পৃথিবীর ইতিহাসে খুব কম লোকই এসেছেন। আমরা হয়তো কম বেশি তার ব্যাপারে কম বেশি একটু আদটু জানি। তিনি এত বড় বিজ্ঞানী হওয়ার পাশাপাশি তিনি ছিলেন ইতিহাসের সেরা সফল একজন উদ্যোক্তা। মোট কথা, বর্তমান যুগের প্রযুক্তি তার হাত দিয়েই শুরু।

১৮৪৭ সালের ১১ই ফেব্রুয়ারী জন্ম নেয়া ছোট্ট টমাস আল্ভা এডিশন একদিন হয়ে উঠলো উজ্জল নক্ষত্র।সাতভাই বোনের মধ্যে ছিল টমাস সবার ছোট।

টমাস আল্ভা এডিশন ছিল পড়ায় খুবই অমনোযোগী। তার স্কুল শিক্ষকরা তাকে খুবই দুর্বল ছাত্র ভেবেছিলো। কিন্তু টমাসের প্রতি তার মায়ের পুরো আস্থা ছিল যে, টমাস একদিন ভালো কিছু করবে।
টমাসকে তার শিক্ষকরা মূলত অপছন্দ করত কারন ছিল টমাস খুবই প্রশ্ন করতো যার ফলে তারা বিরক্ত হতেন।
ছেলেবেলা থেকেই তার চারপাশের জিনিসের প্রতি ছিল জিজ্ঞাসুমনোভাব। তার মনে যে ধরনের প্রশ্ন আসতো সেটার উত্তর বার করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠতেন। এর ফলে মানুষজন তাকে পাগল বলে ঠাট্টা করতেন। ৯ বছর বয়স থেকেই তিনি বাসায় ছোট ছোট একপেরিম্যানট চালায়।

টমাসের একটি হাস্যকর গল্প বলি, একদিন ছোট্ট টমাস শুনতে পায় যে,পাখিরা আকাশে উড়তে পারে কারন তারা পোকামাকড় খায় এজন্যই। এই কথাটি সে প্রমাণ করার জন্য তিনি পরদিন সকালে কিছু পোকামাকড় ধরে আনে এবং এগুলা মিশ্রণ করে তার বন্ধুকে খাইয়ে দেয়। কিন্তু সেই যাত্রায় তার বন্ধুর আর আকাশে উড়া হলো না,বরং তাকে হাসপাতালে অনেকদিন চিকিৎসা নিতে হয়।

আর একটি ছোট্ট ঘটনা বলি , এটাই হয়তো তার জীবনকে এত মহৎ করে তুলেছিলো।

এডিশনকে তার স্কুল থেকে একটা চিঠি দেয় এবং তার মাকে সেটা দিতে বলে, সে কথামতো মাকে চিঠিটা দেয়। তারপর তার মা চিঠিটা খুলে পরে কাঁদতে শুরু করে । ছোট্ট এডিশন তার মাকে বলে মা কাদছো কেন? তার মা তাকে বলেন যে, চিঠির মধ্যে লেখা আছে আপনার ছেলে ভীষণ জ্ঞানী । যেহেতু আমাদের স্কুল খুবই সাধারণ এবং আমাদের শিক্ষকরা তেমন উচ্চ-শিক্ষিত নয় । তাই আমরা আপনার ছেলেকে পড়াতে পারছি না।
কিন্তু বাস্তবে এসব কিছুই লিখা ছিল না।কারন এডিশন যেন কষ্ট না পায় সেজন্য তার মা তাকে এইভাবে বলেছিল। তৎপর তার মা তাকে একটা বই উপহার দিয়েছিল।

হয়তো তার মায়ের সেই ছোট্ট উপহার টার জন্যই তার এত বড় সফলতা।

alva

১০ বছর বয়সে তিনি নিজেই ল্যাবররেটরি বানান। তার এই কাজের জন্য তার দরকার ছিল অনেক টাকার। এজন্য তিনি রাস্তায় রাস্তায় পত্রিকা বেচে টাকা যোগাড় করতেন।

এডিসনের কানে শোনায় সমস্যা ছিল। কিন্তু তার এটার জন্য কোন কষ্ট ছিল না। তিনি বরং বলতেন মানুষের কোন অপ্রয়োজনীয় কথা তার কানে আসবে না ফলে সে মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারবেন। এক কথায় তিনি ছিলেন কাজ পাগল বিজ্ঞানী।

সেই টমাস আল্ভা এডিশন আজকে মোট ১০৯৩ টি আবিষ্কার করেন। তার আবিস্কারের বর্ণনা দিতে গেলে সকাল হয়ে যাবে।তার রেখে যাওয়া সম্পদের মূল্য আজ ১৭১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

আমরা অনেকেই একটা কাজ যদি না করতে পারি মনে করি আমার দারা মনে হয় হবে না, তারপর আমরা আর চেষ্টাও করি না একবার।
কিন্তু এই টমাস আল্ভা এডিসন বাল্প আবিষ্কার করতে গিয়ে ১০,০০০ বার বার্থ হওয়ার পরেও থেমে না গিয়ে চেষ্টা করে গেছেন।
আমরা সবাই যেন তার কাছ থেকে অনুপ্রানিত হই।

পোস্টটি ভালো লাগলে Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন

BY:Factarticle.com

Shahin Hasan

1 comment

Ads

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

Most discussed

shares