মার্ক জাকারবার্গ এর জীবনী ,মার্ক যখন বিলিওনিয়ার! | Factarticle.Com            
Factarticle.Com

মার্ক জাকারবার্গ এর জীবনী ,মার্ক যখন বিলিওনিয়ার!

মার্ক জাকারবার্গ এর জীবনী

Biography of Mark Zuckerberg, while Mark is a Billionaire!mark and his wife

অনেকদিন ধরে মনে মনে ভাবতেছি একজন জিনিয়াস কে নিয়ে লিখব কিন্তু সময়েই হচ্ছে না। তাই আজকে সেই জিনিয়াস মার্ক কে নিয়ে লিখতে বসলাম।
মূলত মার্ক এর কথা আমার মনে আসে একটা বিশেষ কারণে। যাই হোক কথা না বাড়াইয়া মার্ক গুরু সম্পর্কে কিছু লিখি।

মার্ক জুকারবার্গ আমাদের সবারই আদর্শ হওয়া উচিত।অনেকেই মার্ক এর জীবনী পরে আজকে সফলতা পেয়েছেন।চলুন শুরু করা যাক।

মার্ক জুকারবার্গ

১৯৮৪ সালের ১৪ই মে নিউ ইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন্স এ জন্ম নেয়া সেই মার্ক-এলিয়ট-জুকারবার্গ ওই হলো আজকের ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠা।তিনি একজন আমেরিকান কম্পিউটার প্রোগ্রামার ও সফটওয়্যার ডেভেলপার। বর্তমানে তার সম্পদের পরিমাণ ৬৮.৪ বিলিয়ন USD ডলার। তিনি বর্তমানে ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্ট।

শিক্ষিত আমেরিকান পরিবারে জন্ম হয় মার্ক জুকাবার্গের। তাঁর বাল্যকাল কাটে গ্রাম ডোবস্ ফেরিতে। তার বাবা এডওয়ার্ড জুকারবার্গ দাঁতের চিকিৎসক ছিলেন। তাঁর মা ক্যারেন মার্ক ও তাঁর এক ভাই র‌্যানডি, এবং দুই বোন ডোনা ও এরিএল।যদিও তিনি ইহুদি পরিবারে জন্ম করেন কিন্তু বর্তমানে নিজেকে একজন নাস্তিক হিসেবে বর্ণনা দিয়ে থাকেন।

মার্ক জাকারবার্গ শিক্ষা

জাকারবার্গের হাই স্কুল জীবন কাটে আর্ডসেলি নামক স্কুলে।তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছিলেন। ২০০২ সালে এক্সিটার থেকে পাশ করে জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। হার্ভার্ডে ২০০৪ সালে স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময়ে তিনি তাঁর ওয়েবসাইটে পূর্ণ সময় দেয়ার জন্য পড়াশুনা ছেড়ে দেন।

মার্ক জাকারবার্গ এর প্রতিভা

ছোটবেলাথেকেই মার্কের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কম্পিউটার। ১২ বছর বয়সেই তিনি তাঁর বাবার কাজের সুবিধার জন্য “জুকনেট” নামে একটি মেসেজিং সফটঅয়্যার তৈরী করেন । জুকারবার্গ ঘরের ভেতর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করত “জুকনেট” সফটওয়্যার দিয়ে। শুধুমাত্র মজা করার ছলে বালক মার্ক তাঁর কয়েকজন বন্ধুর সাথে মিলে একটি কম্পিউটার গেমও তৈরী করেছিলেন।

কম্পিউটারের প্রতি মার্কের প্রবল আগ্রহের জন্য তাঁর পিতামাতা ডেভিড নিউম্যান নামে একজন কম্পিউটার শিক্ষককে রেখে দেন। তিনি সপ্তাহে একদিন মার্কের বাসায় এসে তাঁকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দিতেন। জুকার্বাগের মূল আগ্রহের স্থান ছিল কম্পিউটার। তিনি প্রতিনিয়তই নতুন নতুন প্রোগ্রাম করতেন এবং শিখতেন।

ফেসবুক প্রতিষ্ঠা

বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠিত ফেসবুকের নিয়মিত ব্যবহারকারী ২০০ কোটির উপরে এবং এটি বিশ্বের বৃহৎ মার্কেটিং প্লাটফর্ম।
২০১০ সালের অস্কার মনোনয়ন পাওয়া সোস্যাল নেটওয়ার্ক ছবিটি নির্মিত হয় জুকারবার্গের ফেসবুক প্রতিষ্ঠার কাহিনীকে ভিত্তি করে। বর্তমানে ফেসবুক ছাড়াও বেশ কয়েকটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান চালান জুকারবার্গ।

মার্ক জাকারবার্গ সফটওয়্যার তৈরি

মার্ক জুকারবার্গ ছাত্র থাকার সময়েই প্যান্ডোরা মিউজিক সফটঅয়্যারের একটি প্রাথমিক সংস্করণ করেন। যা কিনে নেয়ার জন্য এ.ও.এল এবং মাইক্রোসফটের মত বড় বড় কোম্পানী তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছিল মার্ক এর প্রতি।
সম্মাননা
২০১০ সালে ফেসবুকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মার্ক জাকারবার্গ বিশ্বের সর্বাধিক পঠিত সাপ্তাহিক টাইম ম্যাগাজিন কর্তৃক তাদের প্রচ্ছদে ঠাঁই করে নেন৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টাইম ম্যাগাজিন ঐ বছর তাকে পারসন অব দ্য ইয়ার হিসেবে মনোনীত করেছিল।

mark zuckerbwerg

মার্ক জাকারবার্গ যখন প্রোগ্রামার

মার্ক এর সবচেয়ে ভালোলাগার বিষয় ছিল কম্পিউটার। তিনি সব সময় প্রোগ্রাম নিয়ে খেলা করতেন,সেই ছলেই কিছু নতুন আবিষ্কার। সেই সময়েই তিনি “Coursematch” নামে একটি প্রোগ্রাম তৈরী করেন। এই প্রোগ্রাম এর কাজটা ছিল একজন শিক্ষার্থীকে অন্য শিক্ষার্থীদের কোর্স নির্বাচনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সুবিধাজনক ক্লাস বেছে নিতে সাহায্য করত।

এটা ছাড়াও তিনি “Facemash” নামে একটি প্রোগ্রাম তৈরী করেছিলেন। যেটার মাধ্যমে তার কলেজের ক্যাম্পাসের যে কোনও দুইজন শিক্ষার্থীর ছবির মধ্যে তুলনা করতে পারতো এবং এদের মধ্যে কে বেশি আকর্ষণীয়/সুন্দর তা নির্বাচন করতো এবং কমেন্ট করতে পারতো। প্রোগ্রামটি জনপ্রিয়তা পেলে ও ক্যাম্পাস কতৃপক্ষ এটিকে দৃষ্টিকটু বিবেচনা করে।

শুরুর থেকেই “The Facebook” নামেই এই সাইট পরিচালনা করা হয়। জুকারবার্গ ও তাঁর তিন বন্ধু ডাসটিন মস্কোভিজ, ক্রিস হাগ্স এবং এদুয়ার্দো স্যাভেরিনকে নিয়ে Facebook নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন।হার্ভার্ডের দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করে মার্ক জুকারবার্গ ফেসবুকের পেছনে তাঁর পূর্ণ সময় ও মনযোগ দেয়। প্রথমে তিনি তাঁর কোম্পানীকে ক্যালিফোর্নিয়ার পাওলো আলটোতে স্থানান্তর করলেন।

Facebook এ প্রথমত ব্যবহারকারীদের কি রকম সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে সেটা নিয়ে তাঁর বন্ধুদের নিয়ে আলোচনায় বসেন এবং সিদ্ধান্ত নেন যে, ব্যবহারকারীদের নিজস্ব প্রোফাইল তৈরী, ছবি আপলোড এবং অন্য ব্যবহারকারীদের সাথে যোগাযোগের সুবিধা থাকবে।

এভাবেই তারা Facebook নিয়ে উন্নতির দিকে এগোতে থাকলো।

মার্ক জাকারবার্গ যখন জনপ্রিয়

২০০৫ সালে ফেসবুক এসেল পার্টনার্স প্রতিষ্ঠান এর কাছ থেকে একটি বিশাল সহায়তা পায়। এই প্রতিষ্ঠান টি এক কোটি সাতাশ লক্ষ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করে। যা শুধুমাত্র বরাদ্দ ছিল “ইভে লিগ” এর শিক্ষার্থীদের জন্য।
পরে উন্নতির দিকে হাটা ২০০৫ এর ডিসেম্বরের মধ্যে ৫.৫ মিলিয়নে পৌঁছে গিয়েছিল ফেসবুক মেম্বার।
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে ফেসবুককে অন্যান্য কোম্পানীর নজরে পরতে শুরু করলো এবং এই জনপ্রিয় নেটওয়ার্কটিতে তাদের পন্যের বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজে লাগাতে চাইল।

জুকারবার্গের উন্নতির পথে যেভাবে বাধা আসতো

অনেক বড় বড় কোম্পানীকে মার্ক এর ফেসবুককে বিশাল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে কিনে নিতেও চাইল। মার্ক ইয়াহু এবং এমটিভি নেটওয়ার্কের মত প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব দেয় কিন্তু মার্ক সেটা নাচক করে দেন এবং সাইটের উন্নয়নে মনযোগ দেন। বাইরের প্রোগ্রামারদের ফেসবুকে কাজ করার জন্য ডাকা হল, এবং প্রতিনিয়ত ফেসবুকে নতুন নতুন ফিচার যোগ হতে থাকল।

জুকারবার্গের উন্নতির পথে যখন বাধা

আমাদের সবারই জানা যে, যখন কেউ উন্নতির দিকে পথচলা শুরু করেন তখন অনেকেরই চোখ পরে সেই উন্নতি টাকে ঠেকাতে।হিগ্নসা করতে শুরু করেন তেমনি মার্ককেও এই পথচলায় তাকে বাধা পেতে হয়েছে।
২০০৬ সালে জুকারবার্গ প্রথমবারের মত বড় সমস্যায় পরে যায় ।

হার্ভার্ড কানেশনের উদ্যোক্তারার দাবি করেন যে জুকারবার্গের ফেসবুকের ধারনা আসলে তাঁদের হার্ভার্ড কানেশনের থেকে চুরি করা হয়েছে।
তাঁরা দাবি করলো তাঁদের ব্যবসার ক্ষতির জন্য মার্ককে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
জুকারবার্গ যদিও জানতেন না বিষয় টা পরে,আইনজীবিরা সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন যে ফেসবুকের ইন্সট্যান্ট মেসেজিং খুব সম্ভবত হার্ভার্ড কানেকশনের আইডিয়া থেকে চুরি করা হয়েছে।

পরে মার্ক জানতে পারলো যে ব্যবহারকারীদের কিছু ব্যক্তিগত তথ্য তাঁর বন্ধুদের হাতে তুলে দিয়েছেন এবং সেটার মাধ্যমেই মূলত এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছিলো।

পরে জুকারবার্গ ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেছিলেন “আপনি যদি একটি সার্ভিস তৈরী করেন যা মানুষের ওপর প্রভাব ফেলবে এবং যার ওপর মানুষ ভরসা করবে, তাহলে আপনার আচরন পরিনত হওয়া উচিৎ, তাই নয়কি? আমার মনে হয় (এখন) আমি পরিনত এবং আমি অনেক কিছুই শিখেছি।”

সমস্যায় যখন মার্ক

২০০৯ সালে জুকারবার্গকে আবারও একটি ব্যক্তিগত সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। লেখক বেন মেজরিচের “এ্যাক্সিডেন্টাল বিলিয়নেয়ারস” বইটি যখন প্রকাশ পায় এবং সেটা নিয়ে জোরালো প্রতিবাদ করার কারণে একটু সমস্যায় পড়েছিলেন। লেখক মেজরিচ তাঁর বইটির সত্ব চিত্রনাট্যকার এ্যারন সরকিনের কাছে বিক্রয় করতে সমর্থ হন এবং একটি প্রশংসিত সিনেমা হিসেবে “দি সোস্যাল নেটওয়ার্ক” আটটি অস্কার মনোনয়ন জিতে নেয়।

সেবায় যখন মার্ক

ফেসবুকের থেকে বিশাল সম্পদের অধিকারী হওয়ার মূহুর্ত থেকেই জুকারবার্গ তাঁর বিপুল অর্থের একটি বড় অংশ জনগণের কার্যক্রমে ব্যয় করতে শুরু করেন।

মার্ক ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে, নিউ জার্সির ভঙ্গুর পাবলিক স্কুল ব্যবস্থাকে উপরে তোলার জন্য ১০ কোটি মার্কিন ডলার অনুদান প্রদান করেন। সেই বছরের ডিসেম্বরে জুকারবার্গ “দানের শপথনামায়” স্বাক্ষর করেন। এই শপথনামায় সই করার মাধ্যমে তিনি তাঁর জীবনে অর্জিত আয়ের ৫০ শতাংশ দাতব্য কাজে ব্যয় করার প্রতিজ্ঞা করেন। এর আগে জর্জ লুকাস, ওয়ারেন বাফেট এবং বিল গেটসের মত ব্যক্তিরা একই ধরনের শপথনামায় স্বাক্ষর করেছিলেন।

ফেসবুক যখন পাবলিক জনপ্রিয়

২০১২ সালের মে মাসে জুকারবার্গ পাবলিক লিমিডেট কোম্পানী হিসেবে ফেসবুক প্রথমবারের মত বাজারে শেয়ার ছেড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এ দেয়, এর আগে কোন কোম্পানী এতবড় আইপিও অর্জন করতে পারেনি। পরে জুকারবার্গ তাঁর প্রতিষ্ঠানের ব্যাপ্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেন এবং ইনস্টাগ্রাম কেনার জন্য চিন্তাভাবনা করেন। ২০১৩ সালে ফরচুন ম্যাগাজিনের সেরা ৫০০ তালিকায় ফেসবুক প্রথমবারে মত স্থান করে নেয়।mark zukarberg familly

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন

মার্ক তার ভালবাসার মানুষকে পেতে চাইল এবং ২০১২ সালে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।
তাদের এই সম্পর্ক আর সুখময় হতে থাকলো এবং ২০১৫ সালের নভেম্বরে তাঁদের প্রথম কন্যাসন্তান ম্যাক্সকে পৃথিবীর বুকে স্বাগত জানালো।

মার্ক ও তার স্ত্রী বলেন আমরা ফেসবুকের শেয়ারের ৯৯ শতাংশ দাতব্য কাজে দান করে যাবো এবং আমাদের ফেসবুক শেয়ারের ৯৯ শতাংশ পরবর্তী প্রজন্মের কল্যান ও পৃথিবীকে আরও সুন্দর করার জন্য একাত্মতা প্রকাশ করে। ২০১৭ সালের মার্চে জুকারবার্গ দম্পতি বলেন যে, তাঁরা তাঁদের দ্বিতীয় সন্তান আশা করছেন। সেই বছরের ২৮শে আগ্স্ট তাঁদের দ্বিতীয় কন্যা জন্ম নিলো।

মার্ক জাকারবার্গ এর উক্তি

১. আমি আমার রুমে ফেসবুকের কোড লিখেছি এবং সেখান থেকেই ফেসবুক চালু করেছি। প্রতি মাসে ৮৫ ডলারের বিনিময়ে আমি সার্ভার ভাড়া করেছিলাম, এই টাকা জোগাতে আমি সাইটে একটি বিজ্ঞাপন দিয়েছিলাম। আর এখন পর্যন্ত বিজ্ঞাপন দিয়েই আমরা আমাদের খরচ জোগাচ্ছি।

২. আপনার সামনে একটি কাঠবিড়ালি মারা যাচ্ছে, এটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে যেখানে আফ্রিকায় প্রতিনিয়তই মরছে মানুষ।

৩. আপনার সামনে একটি কাঠবিড়ালি মারা যাচ্ছে, এটি আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে যেখানে আফ্রিকায় প্রতিনিয়তই মরছে মানুষ।

৪. দ্রুত কাজ করে অন্যকে অতিক্রম করুন। আপনি যদি সেটি না পারেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনি খুব দ্রুত কাজ করতে পারছেন না।

৫. এটা খুবই বিকৃত চিন্তাভাবনা, কিন্তু এর মধ্য দিয়ে আমাকেও যেতে হয়েছে যেখানে মানুষ আমার কাজকে ছোট করে দেখত। তবে এর ফলে আমরা আরও বড় পরিসরে কাজ করে মানুষকে অবাক করে দেয়ার মতো উদ্যম পাই।

৬. কেউ কেউ খুব স্মার্ট কিংবা দক্ষ হতে পারে, কিন্তু তারা যদি তাতে বিশ্বাস না রাখে, তাহলে তারা কঠোর পরিশ্রমে আগ্রহী হয় না।

৭. কাজটি করছি, তাহলে সময় কাটানোটা আমার কাছে মূল্যহীন।

৮. আপনার সম্পর্কে একটা মুভিতে কি বলা হল কিংবা আপনি কী বলছেন, তাতে অন্যরা খুব একটা গুরুত্ব দেবে না। আপনি কী করেছেন, সবাই সেটি দেখতে চায়।

৯. সিলিকন ভ্যালিতে সবার মধ্যে একটা মনোভাব কাজ করে যে আমাকে এখানে কিছু একটা করতেই হবে। কিন্তু কিছু করার জন্য এটাই একমাত্র জায়গা নয়। আমি যদি এখন শুরু করতাম, তাহলে আমি বোস্টনকে বেছে নিতাম। সিলিকন ভ্যালি ব্যাপারটা কেমন যেন সংকীর্ণ মনে হয় আমার কাছে যা সত্যিই বিরক্তিকর

১০ আমি প্রতিদিন একই পোশাক অথবা অন্তত একই পোশাকের আরেকটি ভিন্ন কপি পরিধান করি।

১১. আমি শুধু এতটুকু নিশ্চিত করতে চাই যে, যখন আমার সন্তান হবে আমি যেন তখনকার সময় গুলো তাদের সাথে কাটাতে পারি। 

পোস্টটিতে অনেক কিছু তথ্য দেয়ার চেষ্টা করেছি,যদি ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই জানাবেন।

আর Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন।

Shahin Hasan

Topics

    Ads By Sidebar

    Ads

    Follow us

    Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

    Most discussed

    shares