বিখ্যাত উক্তি
Motivation

এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা-যে বিখ্যাত উক্তি আপনার জীবনবোধ বদলে দিতে পারে!

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা কখনও না কখনও প্রতিটি মানুষেরই প্রয়োজন হয়। কথায় বলে, দিন সব সময়ে একরকম যায় না। জীবনে ভালো ও সফল সময় যেমন আসে, তেমনি আসে ব্যর্থতা পূর্ণ সময়।

খারাপ সময় অথবা ব্যর্থতা আসলে জীবনেরই একটা অংশ। আপনি যে অবস্থায়ই থাকেন না কেন, এর মুখোমুখী আপনাকে হতেই হবে। কিন্তু ব্যর্থ হওয়া বা খারাপ সময় আসা মানেই জীবন থেমে যাওয়া নয়।

এমন সময়ে শুধু তারাই চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়, যারা নতুন অনুপ্রেরণা নিয়ে শুরু করতে পারে না। আর যারা যে কোনও খারাপ সময়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ধরে রেখে কাজ করে যায় – সাময়িক খারাপ অবস্থা বা ব্যর্থতা তাদের কোনও ক্ষতিই করতে পারে না। বরং এই খারাপ সময় অথবা ব্যর্থতা তাদের আরও শক্তিশালী করে।

আজকের আলোচনায় থাকছে –

  • উক্তি ও বাণী
  • বিখ্যাতদের বাণী ও উক্তি
  • অনুপ্রেরণা মূলক গল্প
  • অনুপ্রেরণা মূলক উক্তি
  • শিক্ষণীয় গল্প
  • শিক্ষণীয় উক্তি
  • অনুপ্রেরণামূলক বাণী
  • বিখ্যাত উক্তি
  • বিখ্যাত ব্যাক্তিদের উক্তি

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

সত্যি কথা বলতে, খারাপ সময় আসলে যারা এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে পারে তাদের কাছে এই খারাপ সময় অথবা ব্যর্থতা একটি শিক্ষার সুযোগ। সেইসাথে সুযোগ নিজেকে আরও শক্তিশালী করার। তাই আমাদের সাথে থেকে সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ে নিন-  

বিখ্যাত উক্তি

বিশ্বাস থেকে স্বপ্ন- তারপর অর্জন

১৯০৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১০টা। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাতাসের চেয়ে ভারী শক্তিচালিত এক যান নিয়ে মানুষ সফলভাবে আকাশে উড়ল, হাজার বছর ধরে যা ছিল শুধু এক অসম্ভব কল্পনা। আর তা করলেন দুভাই- উইলবার রাইট এবং অরভিল রাইট। মজার ব্যাপার হল, তারা কেউ কিন্তু কোনো বিজ্ঞানী ছিলেন না।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংক, পদার্থবিজ্ঞান বা অ্যারোনটিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তাদের কোনো উচ্চতর ডিগ্রি ছিল না, এমনকি হাইস্কুলের গণ্ডিও তারা পেরোন নি। ডেটনের দুজন বাইসাইকেল মিস্ত্রি কি করে এই অসম্ভবকে সম্ভব করলেন?

ছোটবেলায় বাবার এনে দেয়া একটি উড়ন্ত খেলনা থেকেই দুভাইয়ের মাথায় প্রথম উড়ে যাওয়ার চিন্তা জাগে। তারপর বছরের পর বছর ধরে গবেষণা, চেষ্টা, ব্যর্থতার পর তারা লাভ করেন এ সাফল্য। তাহলে আসল কথা হল- মন যা ভাবতে পারে, যা বিশ্বাস করতে পারে; মন পারে তা অর্জন করতেও।

স্থির হও- কাজে মনোযোগ বাড়বে

এক ব্যক্তি তার বাড়ির বিশাল গোলাঘরে হাতঘড়ি হারিয়ে ফেললেন। সারাদিন অনেক খোঁজাখুঁজির পর ক্লান্ত হয়ে লোকটি হাল ছেড়ে দিলেন। গোলাঘরের পাশেই কিছু ছোট বাচ্চা খেলা করছিল, লোকটি ওদের ডেকে বললেন, যে ঘড়িটি খুঁজে দেবে সে পুরস্কৃত হবে।

ছোট বাচ্চাগুলো দলবেধে গোলাঘরের মধ্যে ঢুকে খোঁজাখুঁজি আরম্ভ করে দিল, কিন্তু ওরা ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেল। ছোট একটি ছেলে এসে আরেকবার খোঁজার অনুমতি চাইল। তিনি অনুমতি দিলেন। কিছুক্ষণ পর ছেলেটি হাতে ঘড়ি নিয়ে গোলাঘর থেকে বেরিয়ে এলো।

সাধের ঘড়িটি হাতে পেয়ে লোকটি আনন্দে কেঁদে ফেলল। ছেলেটি বলল, ‘আমি গোলাঘরে ঢুকে কিছুক্ষণ চুপচাপ বসেছিলাম। কিছুক্ষণ পর সবকিছু নীরব হয়ে গেলে ঘড়িটার টিকটিক আওয়াজ শুনে তারপর খুঁজতেই পেয়ে গেলাম!’

শিক্ষার্থী বন্ধুরা, বুঝতে পেরেছ নিশ্চয়ই। অস্থির এবং অশান্ত মনের চেয়ে স্থির এবং শান্ত মনের ক্ষমতা এবং কার্যকারিতা অনেক বেশি। যে কোনো কঠিন কাজে অশান্ত এবং অস্থির না হয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে বসে মনটাকে শান্ত এবং স্থির করলে সমাধান হয়ে যাবে।

নিজের যোগ্যতায় বড় হও

শিক্ষক ক্লাসে ঢুকে ব্লাকবোর্ডে একটা লম্বা দাগ টানলেন। এবার সবাইকে উদ্দেশ্য করে তিনি জানতে চাইলেন- আচ্ছা, তোমাদের মধ্যে কে আছ যে এই দাগটিকে ছোট করতে পারবে? কিন্তু শর্ত হচ্ছে তোমরা একে মুছতে পারবে না!!

না মুছেই ছোট করতে হবে! শিক্ষার্থীরা কিছুক্ষণ এ ওর দিকে তাকাল। তারপর, তারা সবাই অপারগতা প্রকাশ করল। কারণ, মোছা ছাড়া দাগটিকে ছোট করার আর কোনো পদ্ধতি তাদের মাথায় আসছে না!! এবার শিক্ষক দাগটির নিচে আরেকটি দাগ টানলেন, যা আগেরটির চেয়ে একটু বড়।

ব্যস, আগের দাগটি মোছা ছাড়াই ছোট হয়ে গেল! এবার শিক্ষক বললেন, বুঝতে পারলে তোমরা? কাউকে ছোট করতে বা হারাতে হলে তাকে স্পর্শ না করেও পারা যায়! নিজেকে বড় করে গড়ে তোল, তাহলে অন্যের সমালোচনা বা দুর্নাম করে তাকে ছোট করতে হবে না, তুমি বড় হলে এমনিতেই সে ছোট হয়ে যাবে!! তার মানে তোমরা নিজের যোগ্যতায় বড় হওয়ার চেষ্টা করবে।

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

নিজের সেরাটা দিয়ে করবে

একজন রাজমিস্ত্রি তার কাজ থেকে অবসর নিতে চাইল। এ কথা সে তার মালিককে জানাল। মালিক এতে কিছুটা দুঃখ পেল কারণ সে ছিল সবচেয়ে দক্ষ ও কর্মঠ রাজমিস্ত্রি। সে বলল, ‘ঠিক আছে, কিন্তু তুমি কি চলে যাওয়ার আগে আর একটিমাত্র বাড়ি বানাতে আমাদের সাহায্য করবে?

সে আমতা আমতা করে এই প্রস্তাবে রাজি হল। কিন্তু জীবনের শেষ কাজ ভেবে কিছুটা অন্যমনস্ক থাকত। সবসময় সে বাড়ির চিন্তা করত। তাই এর আগে যত কাজ সে করেছিল এই কাজটাই তার করা সবচেয়ে খারাপ কাজ হয়ে গেল।

বাড়ি বানানো শেষ হলে মালিক তার হাতে বাড়ির চাবি দিয়ে বলল, ‘এটা এখন থেকে তোমার বাড়ি’। এ কথা শুনে আনন্দিত হওয়ার চেয়ে বেশি আফসোস করল! সে মনে মনে ভাবল, ‘হায় হায়! একটু মনোযোগ দিয়ে কাজটা করলে এটা অনেক সুন্দর বাড়ি হতো।’

ছোট্ট বন্ধুরা, বুঝতে পেরেছ নিশ্চয়ই। যে কাজই কর না কেন, নিজের সেরাটা দিয়ে করবে। নইলে নিজেকেই ঠকানো হয়।

শিক্ষণীয়- ভালো কাজের প্রতিদান

স্কটল্যান্ডের এক গরিব কৃষক। তার নাম ফ্লেমিং। একদিন তিনি জমিতে কাজ করছিলেন। হঠাৎ কাছের পুকুর থেকে চিৎকার ভেসে এলো, ‘বাঁচাও। বাঁ-চা-ও!’

কৃষক ফ্লেমিং ছেলেটাকে উদ্ধার করলেন মৃত্যুর হাত থেকে। পরদিন সকালে ওই ছেলের বাবা প্রতিদান হিসেবে কৃষকের ছেলেটিকে মানুষ করার দায়িত্ব নিলেন। কৃষক ফ্লেমিংয়ের ছেলেকে ভর্তি করানো হল সেরা স্কুলে। যথাসময়ে সেই ছেলেটি

স্নাতক পাস করলেন লন্ডনের সেন্ট মেরিজ হসপিটাল মেডিকেল স্কুল থেকে। আর পেনিসিলিন আবিষ্কার করে সারা দুনিয়ায় তিনি পরিচিতি লাভ করলেন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং হিসেবে। কয়েক বছর পরের কথা।

পুকুর থেকে বাঁচানো ভদ্রলোকের সেই ছেলেটি নিউমোনিয়ায় মারাত্মকভাবে ভুগছিলেন। সে সময়ে তার প্রাণ বাঁচল সেই পেনিসিলিনে- যার আবিষ্কারক আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ভদ্রলোকটির নাম লর্ড রানডলফ চার্চিল। আর তার ছেলের নাম স্যার উইনস্টন চার্চিল।

উক্তি – এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ও অনুপ্রেরণা

খারাপ সময় অথবা ব্যর্থতা আসলে জীবনেরই একটা অংশ। আপনি যে অবস্থায়ই থাকেন না কেন, এর মুখোমুখী আপনাকে হতেই হবে। কিন্তু ব্যর্থ হওয়া বা খারাপ সময় আসা মানেই জীবন থেমে যাওয়া নয়।

1. জীবন বাইসাইকেল চালানোর মতো একটা ব্যাপার, পড়ে যেতে না চাইলে তোমাকে     সামনে চলতে হবে।
-আইনস্টাইন

2. যতক্ষণ না তুমি অতীতকে ভুলে যাচ্ছ, যতক্ষণ না তুমি ক্ষমা করতে পারছ, যতক্ষণ না তুমি মেনে নিচ্ছ অতীত চলে গেছে, ততক্ষণ তুমি নিজের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাকে কাজে লাগাচ্ছ না  স্টিভ

3. আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি- কারণ আমরা কৌতূহলী। আর এই কৌতূহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা  – ওয়াল্ট ডিজনি

4. বিশ্বাস মানে হল সামনে কিছু না দেখেও সামনে এগিয়ে যাওয়া, সময়ে সবকিছুই পরিষ্কার দেখা যাবে  -ম্যানি হ্যাল

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

সত্যি কথা বলতে, খারাপ সময় আসলে যারা এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে পারে। তাদের কাছে এই খারাপ সময় অথবা ব্যর্থতা একটি শিক্ষার সুযোগ। সেইসাথে সুযোগ নিজেকে আরও শক্তিশালী করার।

কাজেই জীবনের যে কোনও খারাপ পরিস্থিতিতে আপনিও যাতে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে পারেন

-তাই আপনার সামনে আজ কিছু টিপস নিয়ে এসেছি যা আপনার জন্য হয়তো প্রয়োজনীয়-

এই টিপস আপনাকে সবচেয়ে খারাপ সময়েও এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ও অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে সাহায্য করবে।

খারাপ সময়ে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা খুঁজে পাওয়ার কিছু টিপস-

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

০১. মনে রাখবেন- সবকিছুরই শেষ আছে

পৃথিবীতে কোনও কিছুই স্থায়ী নয়। প্রতিটি জিনিসেরই শুরু ও শেষ আছে। খারাপ সময় ও ব্যর্থতাও এর ব্যতিক্রম নয়। আপনি যদি খারাপ সময় পার করেন, তবে চিন্তা করে দেখুন, এর আগেও কি আপনি খারাপ সময় পার করেননি?

সেগুলোও তো একটা সময়ে পার হয়ে গেছে। এটাও হবে। সব সময়ে চিন্তা করুন, এর আগে কত খারাপ অবস্থা আপনি কাটিয়ে উঠেছেন। শুধু ধৈর্য ধরতে হবে। আর সেইসাথে বিশ্বাস রাখতে হবে যে, সামনে ভালো কিছু অপেক্ষা করছে।

০২. মেন্টাল মডেলিং

কিছুটা সময় ধরে যদি আপনি সুন্দর ভবিষ্যতের কথা, বা খারাপ সময় পার হয়ে গেলে আপনার জীবনটা কেমন হবে – এই কথা চিন্তা ও কল্পনা করেন – তাহলে দেখবেন অনেকটাই ভালো লাগছে। ব্যাপারগুলো কল্পনা করতে করতে একটা সময়ে আপনি সেই কল্পনাকে বাস্তব করার অনুপ্রেরণা নিজের ভেতরেই খুঁজে পাবেন। এই পদ্ধতিকে বলে মেন্টাল মডেলিং।

চাপের মাঝে কাজ করা অথবা খারাপ সময়ে স্বাভাবিক থেকে সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে এই মেন্টাল মডেলিং পদ্ধতির জুড়ি নেই।

আপনার অবস্থা যত খারাপই হোক না কেন, দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় সবকিছু ভুলে শুধু কল্পনা করুন সুন্দর ভবিষ্যতের কথা আর খারাপ পরিস্থিতে কেটে গেলে জীবন কেমন হবে সেই দৃশ্য। কিছুদিন এমনটা করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন যে, আপনার ভেতরে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটা অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হচ্ছে।

০৩. ব্যর্থতার কারণ বের করুন এবং আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করুন

যে কোনও খারাপ অবস্থা বা ব্যর্থতা আসলে আমাদের জীবনের সমস্যা। পৃথিবীতে যাবতীয় সমস্যার দূটি দিক আছে।

এক- সমস্যার কারণ ,  দুই– সমস্যার সমাধান।

আপনি যে সমস্যাতেই পড়েন না কেন, তার পেছনে নিশ্চই কোনও না কোনও কারণ আছে। হয়তো কারণগুলো ভালো করে আপনি ভেবে দেখেননি।

এক্ষেত্রে খুব ঠান্ডা মাথায় সমস্যার কারণগুলো নিয়ে ভাবুন। প্রয়োজনে কিছু সময়ের জন্য সম্পূর্ণ একা হয়ে যান, এবং চিন্তা করুন। মূল কারণগুলো পেয়ে গেলে চিন্তা করুন সমস্যার সমাধান কিভাবে করা যায়। সমাধান নিয়ে পরিকল্পনা করুন, এবং তা নিয়ে কাজ শুরু করুন।

হয়তো মনে হতে পারে, আপনার সমস্যার সমাধান হবে না। অথবা মনে হতে পারে আপনি যে পরিকল্পনা করেছেন, তাতে করে এই সমস্যার সমাধান হবে না।

কিন্তু এইসব চিন্তাকে পাত্তা দেবেন না। সমাধানের জন্য কাজ করতে থাকুন। মনে রাখুন, বসে থাকলে এমনিতেও সমস্যার সমাধান হবে না। কাজেই চেষ্টা করাই ভালো। আর এই চেষ্টা করতে করতেই দেখবেন আপনি সমস্যা ও ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা খুঁজে পাচ্ছেন।

হয়তো প্রথম চেষ্টায় আপনার সমস্যার সমাধান হবে না। কিন্তু বিশ্বাস রাখুন যে, চেষ্টা করলে সবই সম্ভব। এভাবে চেষ্টা করতে করতে একটা সময়ে দেখবেন আপনি খারাপ অবস্থাও কাটিয়ে উঠেছেন।

০৪. রোল মডেলদের দিকে তাকান এবং হতাশদের এড়িয়ে চলুন

আপনি হয়তো জানেনই না, আপনার আশপাশের অনেক সফল ও সুখী মানুষ আসলে কতটা কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে এই পর্যায়ে এসেছেন।

হয়তো আপনি ২-৩ বার কোনও কিছুতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন আপনার কাছে সবকিছু অর্থহীন লাগছে। মনে হচ্ছে আপনার জীবনটাই ব্যর্থ হয়ে গেল।

কিন্তু খোঁজ নিয়ে দেখুন, আপনি যাদের মত হতে চাইছেন, অথবা যারা আপনার ক্ষেত্রের সেরা সফল মানুষ – তাদের অনেকেই আপনার চেয়েও বেশিবার ব্যর্থ হয়েছেন। আপনার চেয়েও খারাপ অবস্থা মোকাবিলা করে তারা আজকের পর্যায়ে পৌঁছেছেন। এগুলো যখন জানবেন, তখন দেখবেন নিজের ভেতরে অন্য রকম এক অনুপ্রেরণা জন্ম নিচ্ছে।

জ্যাক মা, ইলন মাস্ক, টমাস আলভা এডিসন অথবা স্টিভ জবস – এর মত বিশ্বসেরা সফল মানুষদের দিকে তাকালেই আপনি বুঝতে পারবেন, জীবনে কত খারাপ সময় পার করেও কত বড় সাফল্য অর্জন করা যায়। সাফল্যের ইতিহাস আসলে সফল মানুষের ব্যর্থতার গল্প দিয়ে পূর্ণ।

যদি আপনার সাথে যদি আপনার কাজের ক্ষেত্রের সবচেয়ে সফল কারও পরিচয় থাকে – তবে তাদের কাছে পরামর্শ চান।

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

জ্যাক মা অনুপ্রেরণা

আমরা বেশিরভাগ সময়ে সাহায্য বা পরামর্শ চাইতে লজ্জা পাই, সঙ্কোচ বোধ করি। কিন্তু সত্যিকথা বলতে, বেশিরভাগ সফল মানুষই চান অন্যদেরও সফল হতে সাহায্য করতে।

আপনি যদি তাঁর কাছে তাঁর ব্যর্থতার গল্প, ও কিভাবে তিনি এইসব ব্যর্থতা কাটিয়ে সফল হলেন – তা জানতে চান, তবে তিনি খোলা মনে আপনাকে বলবেন, এই সম্ভাবনাই বেশি। খারাপ সময়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা হিসেবে এটি অন্যতম সেরা একটি অনুপ্রেরণা হতে পারে।

পরিচিত কেউ থাকলে সরাসরি তাঁর সাথে কথা বলুন। আর না থাকলে বই বা ইন্টারনেট ঘাঁটুন। দেখবেন তাঁদের সম্পর্কে এমন অনেক কিছুই জানতে পারছেন – যা আগে হয়তো ভাবতেও পারেননি। এগুলো আপনাকে দারুনভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

আর অবশ্যই নেতিবাচক ও হতাশ মানুষের সঙ্গ এড়িয়ে চলুন। কিছু মানুষ আছে যারা কোনও কারণ ছাড়াই হতাশ। তারা মনে করে সবাই তাদের বঞ্চিত করছে, তাদের কোনও দোষ নেই তাদের খারাপ অবস্থার জন্য।

এই ধরনের মানুষদের ধারেকাছে যত কম যাবেন –ততই ভালো। খারাপ সময়ে এরা হতাশার কথা বলে বলে আপনাকে আরও দুর্বল করার চেষ্টা করবে।

অন্যদিকে ইতিবাচক ও সফল মানুষদের সাথে থাকলে তারা আপনাকে সব সময়ে আশার কথা বলবে এবং উ‌ৎসাহ দেবে। যার ফলে আপনি ব্যর্থতা কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাবেন।

০৫. নিজের সত্যিকার প্যাশন বা আগ্রহ নিয়ে ভাবুন

মানুষ অনেক সময়ে অন্যের চোখে ভালো বা বড় হওয়ার জন্য, অথবা অন্যদের সাথে তাল মেলানোর জন্য এমন কিছু করে, যা আসলে তার নিজের প্যাশন নয়। অনেকে বুঝতেও পারে না যে, সে আসলে তার নিজের প্যাশন বা আগ্রহের বিষয় ছেড়ে অন্য বিষয় নিয়ে পড়াশুনা অথবা কাজ করে।

আপনার সত্যিকার প্যাশন হয়তো রসায়ন নিয়ে, কিন্তু যুগের চাহিদামত আপনি ফিজিক্স পড়ছেন বা আইন পড়ছেন। এই ফাঁদে আটকা পড়া মানুষ অনেক সময়েই হতাশ হয়ে পড়ে। সবকিছু ঠিক থাকলেও কিছু ভালো লাগে না।

এমন অবস্থায় আপনাকে খুব গভীর ভাবে আপনার নিজের সত্যিকার প্যাশনের জায়গা নিয়ে ভাবতে হবে। তারপর সেই প্যাশনের পেছনে ছুটতে হবে। তাহলেই আপনি জীবনের সত্যিকার অনুপ্রেরণা খুঁজে পাবেন।

০৬. কাজকে ভালোবাসুন

পৃথিবীর অনেক সফল ব্যবসায়ী, জেনারেল, রাজনীতিবিদ, লেখক, শিল্পী – এই ধরনের মানুষদের ওপর গবেষণা চালিয়ে লেখক চার্লস ডুহিগ দেখেছেন, সফল মানুষেরা যে কোনও পরিস্থিতিতেই নিজের কাজটা করতে পারেন।

কাজের মুড না থাকলেও তাঁরা কাজে বসেন। জোর করে কাজে মনোযোগ দেন। কাজের মান খারাপ হলেও কাজ করা বন্ধ করেন না। তাঁরা জানেন, কাজ করতে থাকলে এক সময়ে মুড ভালো হবেই, এবং কাজ করলেই যে কোনও খারাপ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

অনেকেই কাজের ফলাফল খারাপ হলে হতাশ হয়ে কাজ করার অনুপ্রেরণা হারিয়ে ফেলেন। এর ফলে অনেক সম্ভাবনাময় উদ্যোগও ব্যর্থ হয়ে যায়।

আপনি যদি কাজের ফলাফলের পাশাপাশি কাজটাকেও ভালোবাসেন, তবে দেখবেন, কাজে সাময়িক ব্যর্থতা এলেও আপনি সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন। এর জন্য প্রথমেই এমন কাজ বা ক্যারিয়ার বেছে নিন, যে কাজ করে আপনি আনন্দ পান। এবং যে কাজের প্রতি আপনার প্যাশন আছে। তাহলেই দেখবেন কাজকে ভালোবাসতে পারছেন, এবং খারাপ সময় আসলেও আপনি কাজে ব্যস্ত থাকতে পারছেন।

০৭. প্রার্থনা করুন

খারাপ পরিস্থিতি বা ব্যর্থতার মুখে পড়লে, প্রার্থণা হতে পারে সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা পাওয়ার শ্রেষ্ঠ উপায়।

খারাপ পরিস্থিতিতে পড়লে নিয়মিত সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা ও সাহায্য চাইলে মনের অবস্থা অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে যায়। আপনি যদি এমন পরিস্থিতিতে নিয়মিত প্রার্থনা করেন, তবে দেখবেন একটু একটু করে মনের গভীরে আশার আলো জ্বলে উঠছে। আত্মবিশ্বাস বা অনুপ্রেরণা একদম হারিয়ে গেলেও প্রার্থণার ফলে তা আবার ফিরে আসবে।

০৮. দিন শুরু করুন ইতিবাচক ভাবে

আজ পর্যন্ত সেলফ ডেভেলপমেন্টের ওপর যতগুলো বই লেখা হয়েছে, তার মধ্যে হ্যাল ইরলোডের ‘মিরাকেল মর্নিং’ সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রশংসিত একটি বই।

এই বইটিতে কয়েকটি সকালের অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে, যা হ্যালকে তার জীবনের সবচেয়ে খারাপ অবস্থা (দেউলিয়া হয়ে যাওয়া, ক্যান্সার) থেকে আবার সফল হতে সাহায্য করেছে।

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

প্রতিদিন সকালে উঠে যদি একজন মানুষ কিছুটা সময় প্রার্থণা করে, তারপর পজিটিভ কোনও বই এর কিছুটা পড়ে, অথবা পজিটিভ ভাষণ শোনে; সেইসাথে নিজের উদ্দেশ্যে ভালো কিছু কথা বলে এবং আজকের দিন অথবা নিজের ভবিষ্য‌ৎ নিয়ে সুন্দর কিছু কল্পনা করে, তবে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তার ভেতরে একটি অন্যরকম অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে।

আপনি যদি একটি পবিত্র ও পজিটিভ মনোভাব নিয়ে দিন শুরু করেন, তখন সারাদিনই সেটা আপনার মাঝে কাজ করবে। এবং আপনি আরও বেশি আশাবাদী হয়ে নিজের অবস্থা বদলানোর জন্য কাজ করবেন।

আপনি যত খারাপ অবস্থাতেই থাকুন না কেন, মনের মাঝে সামনে এগিয়ে যাওয়ার একটি অদম্য অনুপ্রেরণা সৃষ্টি হবে, এবং তার দিনও বদলাতে শুরু করবে।

অনুপ্রেরণা এমন একটি জিনিস, যা একজন মানুষকে এমনকি মৃত্যুর মুখ থেকেও ফিরে আসার সাহস দিতে পারে। জীবনে যত খারাপ অবস্থাতেই আমরা পড়ি না কেন, আমাদের মাঝে যদি সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা থাকে, তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসা সবার পক্ষেই সম্ভব।

এগিয়ে যাওয়ার উক্তি গুলোর মূল কথা হল পেছনে না তাকিয়ে জীবনকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া। শুধু পেছন ফিরে তাকিয়ে থাকলে অথবা এক জায়গায় থেমে থাকলে জীবনেও পিছিয়ে পড়তে হয়। জীবন একটাই আর সফল জীবনের মানেই হল শুধু এগিয়ে যাওয়ার গল্প।

আপনার জীবনটাও যেন এগিয়ে যাওয়ার আর সাফল্যের গল্প হয়ে ওঠে – সেকারণেই আমরা আজ কিছু এগিয়ে যাওয়ার উক্তি অথবা এগিয়ে যাওয়ার বাণী নিয়ে এসেছি। যাতে আপনি অতীতের গ্লানি মুছে থেমে না থেকে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনুপ্রেরণা পান।

আরও এগিয়ে যাওয়ার উক্তি- 19টি বাণী

1. আগের অধ্যায় বার বার পড়তে থাকলে পরের অধ্যায়ে এগিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই  – ইংলিশ প্রবাদ

এগিয়ে যাওয়ার উক্তি

2. “ভালো কিছু থেকে ব্যর্থ হওয়া মানে জীবন ব্যর্থ নয়, হয়তোবা তুমি আরও ভালো কিছুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে আছ” – সংগৃহীত

3. “যতক্ষণ না তুমি অতীতকে ভুলে যাচ্ছ, যতক্ষণ না তুমি ক্ষমা করতে পারছ, যতক্ষণ না তুমি মেনে নিচ্ছ অতীত চলে গেছে – ততক্ষণ তুমি নিজের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাকে কাজে লাগাচ্ছ না”  – স্টিভ ম্যারাবোলি (বিজ্ঞানী ও মোটিভেটর)

4. “আমরা শুধু সামনের দিকেই এগুতে পারি; আমরা নতুন দরজা খুলতে পারি, নতুন আবিষ্কার করতে পারি – কারণ আমরা কৌতুহলী। আর এই কৌতুহলই আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা  ওয়াল্ট ডিজনি

5. গতকালকের দিনটা যেন তোমার আজকের দিনটার ক্ষতি করতে না পারে – সংগৃহীত

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা ও বাণী 

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

6. এক জায়গায় দাঁড়িয়ে জীবন পার করে দেয়া মানে সৃষ্টিকর্তার দেয়া উপহারের প্রতি অবিচার করা – সংগৃহীত

7. তুমি চাইলেও পেছনে যেতে পারবে না, তবে সামনে না এগিয়ে থেমে আছ কেন?— সংগৃহীত

8. বিশ্বাস মানে হল সামনে কিছু না দেখেও সামনে এগিয়ে যাওয়া, সময়ে সবকিছুই পরিস্কার দেখা যাবেম্যানি হ্যাল (বিখ্যাত লেখিকা)

9. ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাও, অতীতের সবকিছুর জন্য কৃতজ্ঞ বোধ করো – মাইক রোও (আমেরিকান টিভি ব্যক্তিত্ব)

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা ও উদাহারন 

10. জীবনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য নিজের সামনে একটি লক্ষ্য ঠিক করো, তারপর তার দিকে এগিয়ে যাও –  জর্জ পিরি (সর্বকালের সেরা একজন মিক্সড মার্শাল আর্টিস্ট)

11. তখনই বুঝবে যে তুমি সঠিক পথে আছ, যখন দেখবে পেছন ফিরে না তাকিয়ে তুমি সামনে এগিয়ে চলেছ – সংগৃহীত

12. সামনে এগুনোর জন্য তোমার সব জানার প্রয়োজন নেই, শুধু সামনে পা বাড়াও – একে একে সবই জানতে পারবে – সংগৃহীত

13. অতীতের ভুল নিয়ে আফসোস করো না। সামনের কাজগুলো নির্ভুল ভাবে করার জন্য তোমার সব শক্তিকে কাজে লাগাওডেনিস ওয়েটলি (মোটিভেটর ও পরামর্শক)

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা ও বাণী

14. শুধু সামনে এগিয়ে যাও। কে কি বলছে – তাতে কান দিও না। নিজের ভালোর জন্য যা করতে হবে, করতে থাকো জনি ডেপ (ইতিহাসের সফলতম অভিনেতাদের একজন)

15. যদি উড়তে না পার, তবে দৌড়াও; যদি দৌড়াতে না পার, তবে হাঁটো; হাঁটতে না পারলে হামাগুড়ি দাও। যে অবস্থাতেই থাকো, সামনে চলা বন্ধ করবে না”

– মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (আফ্রিকান আমেরিকান নেতা)

16. মানুষ সব সময়েই ছাত্র, মাস্টার বলে কিছু নেই। এটা যে বুঝবে – সে সব সময়ে সামনে এগিয়ে যাবে কনরাড হ্যাল (ফটোগ্রাফি গ্রেট)

17. যারা শুদ্ধ বিশ্বাস নিয়ে সামনে এগিয়ে যায়, তারা একদিন সবকিছুই ঠিক হতে দেখে

– গর্ডন হিংকলি (আমেরিকান ধর্মীয় বক্তা ও লেখক)

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা ও গল্প

বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা

18. আমরা যদি নতুনকে গ্রহণ করতে না পারি, তবে সামনে এগিয়ে যেতে পারব না– জন উডেন (বাস্কেটবল গ্রেট)

19. অতীতকে বিদায় জানাতে সাহস লাগে। সেই সাহস দেখাতে পারলে জীবন তোমাকে নতুন কিছু উপহার দেবে পাওলো কোয়েলহো (বিশ্বখ্যাত ব্রাজিলিয়ান লেখক)

জীবনে এগিয়ে যাওয়ার উক্তি বা বাণী গুলো আপনাকে অতীত ব্যর্থতা ও দু:খকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেবে – এটাই আমরা আশা করি।

জীবনে যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন – মনে যদি এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা ও সাহস থাকে – তবে আপনি যা চান, তাই অর্জন করতে পারবেন।

আর সেই অর্জনের পথে অনুপ্রেরণা খুঁজে নিতে এই এগিয়ে যাওয়ার উক্তি ও বাণী গুলো যদি আপনাকে অনুপ্রেরণা দিতে পারে – তাহলেই আমাদের প্রচেষ্টা সফল।

অনুপ্রেরণা এমন একটি জিনিস, যা একজন মানুষকে এমনকি মৃত্যুর মুখ থেকেও ফিরে আসার সাহস দিতে পারে। জীবনে যত খারাপ অবস্থাতেই আমরা পড়ি না কেন, আমাদের মাঝে যদি সামনে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা থাকে, তবে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে আসা সবার পক্ষেই সম্ভব।

আর সেই অনুপ্রেরণা খুঁজে পেতে যেন আপনার একটু সুবিধা হয়, সেই কারণেই অনেক ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করে , বিভিন্ন বই ঘেঁটে আজকের এই লেখা।

যদি বিখ্যাত উক্তি এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা লেখাটি পড়ে আপনি একটু হলেও উপকৃত হন, তাহলেই আমাদের চেষ্টা সফল এবং আমাদের সঙ্গেই ( Factarticle ) থাকার চেষ্টা করবেন, সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন।

Credit by- research various website.

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Leave a Reply