ফ্রিল্যান্সিং করে দৈনিক ৫৯,৯৯৯ টাকা কিভাবে আয় করবেন? সবার জন্য প্লাটফর্ম! | Factarticle.Com            
Factarticle.Com
online income

ফ্রিল্যান্সিং করে দৈনিক ৫৯,৯৯৯ টাকা কিভাবে আয় করবেন? সবার জন্য প্লাটফর্ম!

ফ্রিল্যান্সিং করে দৈনিক ৫৯,৯৯৯ টাকা কিভাবে freelancing workআয় করবেন? সবার জন্য প্লাটফর্ম!

How to earn Tk 59,999 per day by freelancing? Platform for everyone!

ফ্রিল্যান্সিং

এই পোস্টে কিভাবে আপনি ভালো একটা অঙ্কের অর্থ ইনকাম করতে পাবেন সেটাই দেখাবো।সফলতা পাবেন।

প্রতিটি মানুষই তাদের নিয়মিত চাকরি বাদে কিছু অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে চায়। অনেক লোক প্রতিটি দিনেই গুগলে বিনিয়োগ ছাড়াই হোম বেসড অনলাইন পার্টটাইম চাকরি সন্ধান করছেন ।

মানুষ এখন অনলাইনে অর্থ আয়ের জন্য নানা কৌশল প্রয়োগ করছে। অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোচ্ছেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইন প্লাটফর্মগুলোতে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে। অনলাইনে কাজ করে রাতারাতি কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই।

তাই এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজের ক্ষেত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হবে। কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করতে পারবেন।বেশিরভাগ লোকের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে কিছু অতিরিক্ত আয় করতে হয়।

নিচে আমরা সবার জন্য বাড়ি থেকে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের সেরা উপায়গুলি তালিকাভুক্ত করেছি।freelancer

বাড়ি থেকে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করুন

অনলাইনে অর্থ উপার্জনের অনেকগুলি উপায় রয়েছে যেমন ব্লগিং,ইউটিউব ভিডিও তৈরি করা,অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং,পিটিসি সাইট এবং আরও অনেক কিছু। কোন ধরণের বিনিয়োগ ছাড়াই আপনি এখানে সফল হতে পারবেন।

এই পোস্টে আমি সমস্ত বিবরণ এবং কৌশল দিবো। এই কৌশল অনুযায়ী কাজ করলে আপনি বাড়ি থেকে অনলাইনে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। 

এই পোস্টে এসব বিষয় দেখাবঃ 

১.ফ্রিল্যান্সিং করে কত আয় করা যায়।

২.ফ্রিল্যান্সিং আর্টিকেল রাইটিং।

৩.ফ্রিল্যান্সিং এ কি কি কাজ করা যায়।

৪.ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট/ফ্রিল্যান্সিং টিপস।

৫.গ্রাফিক্স ফ্রিল্যান্সিং/ফ্রিল্যান্সিং ডাটা এন্ট্রি।

৬.জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইট/ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট গুলো। 

বাড়ি থেকে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের ১৩ টি উপায় তালিকাভুক্ত করেছি।

আপনি যেকোনও একটা চেষ্টা করতে পারেন বা আপনি একাধিক উপায়ও চেষ্টা করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং করে আয় freelancer

১.ফ্রিল্যান্সিং

অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করার বিষয়টি সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্স কাজের সুযোগ দেয় অনেক ওয়েবসাইট।সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়।

অ্যাডসেন্স এবং অনুমোদিত বিপণনের পরে অর্থোপার্জনের আরও একটি জনপ্রিয় উপায় হলো ফ্রিল্যান্সিং। ফ্রিল্যান্সার হিসাবে, আপনি অস্থায়ী ভিত্তিতে ছোট বা বড় সংস্থার সাথে কাজ করতে পারেন এবং তাদের আপনার পরিষেবা সরবরাহ করতে পারেন।

কয়েকটি ওয়েবাসাইটে কাজের দক্ষতার বিবরণ জানাতে হয়, যাতে ক্রেতা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন। এসব সাইটের মধ্যে ফাইভার ডটকম, আপওয়ার্ক ডটকম, ফ্রিল্যান্সার ডটকম ও ওয়ার্কএনহায়ার ডটকমে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়।

আরও দেখুন- আপনি আপনার সোফায় বসে অর্থ উপার্জন করুন ৯ টা ওয়েবসাইট থেকে, না দেখলে মিস করবেন-কিল্ক করুন 

ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৫৫০ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায় এসব সাইট থেকে। কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং দিতে পারেন।আপনি ফ্রিল্যান্সার হিসাবে যে ধরনের দক্ষতা ব্যবহার করবেন তার উপর নির্ভর করে মাসে ৫০০ ডলার থেকে ১৫০০ ডলার তৈরি করতে পারেন।

আপনি যে কোনও বিষয়বস্তুর লেখক, ওয়েব ডিজাইনার, গ্রাফিক্স ডিজাইন হিসাবে কাজ করতে পারেন বা এসইও, ডেটা এন্ট্রি এবং আরও অনেক কিছু পরিষেবা সরবরাহ করতে পারেন।এল্যান্সের মতো কয়েক ডজন জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যা আপনাকে প্রস্তুত ক্লায়েন্টদের সাথে প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম দিতে পারে।marketing

২.অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

আগের পোস্টে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 

এই পদ্ধতিতে আয়ের ক্ষেত্রেও নিজের ওয়েবপেজ বা ব্লগ প্রয়োজন। যখন ওয়েবসাইট বা ব্লগ চালু হবে, তখন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লিংক তাতে যুক্ত করতে পারবেন। যখন আপনার সাইট থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা কোনো দর্শক কিনবেন, তখনই আপনার আয় আসতে শুরু করবে।grafix design

৩.গ্রাফিকস ডিজাইন

অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন ভালো উপায়। যাঁরা এই কাজে দক্ষ, তাঁরা বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে দিয়ে রাখেন। সেখান থেকে মূলত তাঁদের আয় আসে। তাঁদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও গ্রাফিকস ডিজাইনারদের অনেক চাহিদা রয়েছে।

৪.জরিপ, সার্চ ও রিভিউ

অনলাইন জরিপে অংশ নিয়ে অর্থ আয় করতে পারেন। অনেক ওয়েবসাইট জরিপে অংশ নিলে তারা অর্থ দেয়। এ ছাড়া অনলাইন সার্চ ও পণ্যের পর্যালোচনা লিখে আয় করতে পারেন। তবে, এ ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংকিং তথ্য দেওয়া লাগতে পারে। কাজের সময় কোনটি প্রকৃত কাজ আর কোনটি স্ক্যাম—যাচাই-বাছাই করে নিয়ে কাজ করতে পারেন।

৫.অনুবাদ

ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট অনুবাদ করে আয় করতে পারেন। যাঁদের স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, আরবি, জার্মানসহ অন্যান্য ভাষা জানা আছে এবং এগুলো থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ বা ইংরেজি থেকে এসব ভাষায় অনুবাদ করতে পারলে ভালো আয় করতে পারবেন।social media

৬.সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম

ফেসবুক, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম এখন আর শুধু বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য নয়। এগুলো কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে সোশ্যাল মিডিয়া পরিকল্পকদের প্রচুর অর্থ দেওয়া হয় তাদের ব্র্যান্ডের প্রচার করার জন্য। বিভিন্ন পোস্ট তৈরি, ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রকাশ করে তা ভাইরাল করতে পারলে ভালো অর্থ আসে।

৭.ওয়েব ডিজাইন

এখনকার দিনে অনলাইনের কাজের ক্ষেত্রে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা ব্যাপক। এমনও প্রজেক্ট আছে যেখান থেকে আপনি হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজে আয় করা যায়। নিজেদের ওয়েবসাইট তৈরিতে তাঁদের ওয়েব ডিজাইনারের দরকার পড়ে।

যাঁরা ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে কাজ করতে চান নিজেদের ওয়েবসাইট খুলে সেখান থেকেই ছোট ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন। ওয়েবসাইট তৈরিতে এখন কোডিং আর ওয়েব ডিজাইন দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লায়েন্ট ও কাজের ওপর ভিত্তি করে ওয়েব ডিজাইনারের আয় বাড়তে থাকে।

৮.কনটেন্ট রাইটিং

যাঁরা লেখালেখিতে ভালো এবং একাধিক ভাষায় সাবলীল লিখতে পারেন, তাঁদের কাজের জন্য বসে থাকতে হয় না। অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে কাজ করে বা লিখে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। আর্টিকেল লেখার মানের ওপর ভিত্তি করে আয় আসে। এভাবে নির্দিষ্ট বিষয় বা নিশ ধরে নিজের দক্ষতা বাড়াতে পারলে আয়ের ধারা বেড়ে যায়।web design

৯.ব্লগিং

অনেকেই শখ করে অনেক বিষয়ে লিখে থাকেন কিন্তু শখের বিষয়টি যদি পেশাগত কাজে লাগাতে পারেন, তবে অনলাইনে আয় করতে পারবেন। ব্লগিং করেও আয় করার সুযোগ আছে।

দুই উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করা যায়।

একটি হচ্ছে নিজের ব্লগ সাইট তৈরি। ওয়ার্ডপ্রেস প্ল্যাটফর্মে বিনা মূল্যে ব্লগ শুরু করতে পারেন।

আবার চাইলে নিজে ডোমেইন হোস্টিং কিনে ব্লগ চালু করতে পারেন। তবে নিজে ব্লগ চালু করতে গেলে কিছু বিনিয়োগ করার দরকার হবে। ডোমেইন, হোস্টিং কিনতে হবে।

নিজের ব্লগ শুরু করাটাই ভালো। কারণ, এতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক পরিবর্তন করার সুযোগ আছে। বিজ্ঞাপন, ফেসবুকের ইনস্ট্যান্ট আর্টিকেল প্রভৃতি নানা উপায়ে ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। কিন্তু ব্লগ লিখে আয় করতে গেলে রাতারাতি আয় আসবে না। এ জন্য প্রচুর সময় ও ধৈর্য থাকতে হবে। অনেকের ব্লগ থেকে আয় করতে কয়েক বছর পর্যন্ত লেগে যায়।

১০.ইউটিউব

বিনিয়োগের দরকার নেই বলেই অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য ইউটিউব সেরা বিকল্প। কোনও ডোমেন বা হোস্টিং বা ওয়েবসাইট তৈরির দরকার নেই। বাড়ি থেকে অর্থ অনলাইনে উপার্জনের সেরা উপায় এটি। আপনার কেবল একটি জিমেইল অ্যাকাউন্ট এবং ইন্টারনেটের কিছু জ্ঞান দরকার। এখানে আপনার কাছে ইউটিউব চ্যানেল থাকলে আপনার জানা উচিত এমন কিছু কৌশল এবং টিপস যা মানুষকে আকৃষ্ট করবে এবং পাশাপাশি উপকারও করবে।

ইউটিউবে প্রচুর অর্থোপার্জন করা ততটা সহজ নয় যতটা আপনি ভাবেন। প্রক্রিয়াটিতে প্রচুর প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে হবে। তবে, আপনার যদি শখ থাকে তবে একটি নির্দিষ্ট ক্রিয়াকলাপে সত্যিই ভাল এবং লোকেদের সাহায্য করতে চান, মজাদার বা এমনকি আপনি যদি কিছুটা মজা করতে চান তবে কিছু অতিরিক্ত টাকা আপনাকে কিছু করতে নগদ করার জন্য ইউটিউব একটি দুর্দান্ত বিকল্প।bitcoin

১১.পিটিসি

অনেক ওয়েবসাইট আছে, যাতে রাখা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনাকে অর্থ দেওয়া হবে। এ ধরনের সাইটকে পিটিসি সাইট বলে। প্রকল্প শুরুর আগে নিবন্ধন করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে পিটিসি সাইটগুলো বেশির ভাগ ভুয়া হয়। তাই কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি প্রকৃত সাইট কি না। অনেক সময় বন্ধুতে রেফারেন্স দিয়ে আয় করতে পারেন।

১২.ডেটা এন্ট্রি

অনলাইনে সহজ কাজগুলোর একটি হচ্ছে ডেটা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম। তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাঁদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তাঁরা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন। অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এ ধরনের কাজ রয়েছে। তবে যাঁদের কোনো কাজে দক্ষতা থাকে, তাঁরা সহজে কাজ পান এবং দ্রুত আয় বাড়াতে পারেন।

ডাঁটা এন্ট্রি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে দেখে নিতে পারেনডাঁটা এন্ট্রি কি? ডাঁটা এন্ট্রি করে কিভাবে আপনি মাসে ৩০০-৪৫০ ডলার ইনকাম করবেন দেখে নিন-কিল্ক করুন money

১৩.ফাইবারে বিক্রয়কারী

ফাইভার এমন একটি জায়গা যেখানে আপনি ৫ ডলারে যে কোনও পরিষেবা করতে পারেন। আপনি যদি বিশেষজ্ঞ হন তবে লোগো তৈরি করা বা গণিতে আপনি পারদর্শী তবে অবশ্যই ফাইভারে যোগ দিতে পারেন। তাই আপনার জন্য বাড়ি থেকে অনলাইনে অর্থ উপার্জনের উপায়টি দক্ষতার পক্ষে সেরা উপায়।

আপনি যদি ফাইভারের একজন বিক্রেতা হয়ে উঠতে পারেন এবং আপনার জিগগুলি সফল্ভাবে তৈরি করতে পারেন তবে আপনি লোকদের বলতে পারেন যে আপনি ৫ ডলারে এটি করতে পারবো। তখন লোকেরা আপনার জিগ দেখে এবং যদি এটি পছন্দ করে তবে তারা আপনার পরিষেবার জন্য আদেশ দেবে। এভাবে যদি ক্লায়েন্ট এর কাছে বিশ্বাসততা হয়ে উঠতে পারেন তাহলে এমনকি আপনি প্রতিদিন ১ গিগ সম্পূর্ণ করলেই প্রতি মাসে ১৫০ ডলার বা ৬০০ ডলার তৈরি করতে পারবেন।

পোস্টটি যদি ভালো লাগে তাহলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এতে সবাই প্রতারণামূলক সাইট গুলোতে কাজ না করে ভালো একটা সাইট এ কাজ করার সুযোগ পাবে এবং Factarticle.com এর সঙ্গেই থাকবেন।

BY:Factarticle.com

Shahin Hasan

Add comment

Ads

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

Most popular

Most discussed

shares