Technology

ফেস রিকগনিশন অ্যাপস কিভাবে কাজ করবে এবং কলকাতায় চোর ধরতে ব্যাবহার!

ফেস রিকগনিশন Face Recognition Apps  Police Caught By Theifঅ্যাপস কিভাবে কাজ করবে? 

How face recognition apps work and use to catch a thief in Kolkata!

কীভাবে কাজ করবে ‘ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যার’?

ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যার মুলত সিসিটিভি ক্যামেরায় ইনস্টল করে দেয়া হবে এবংএই অ্যাপস এর মাধ্যমে ভীড়ের মধ্যে মিশে থাকা অপরাধীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে।

যত পকেটমার, ছিনতাইবাজ ও কেপমারদের গ্রেফতার করে তাদের বায়োমেট্রিকের একটি ডেটাবেস তৈরি করার পর সেই ডেটাবেস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অপরাধীর মুখের খুঁটিনাটি ফেস রেকগনিশন সফটওয়্যারে ইনস্টল করা হবে।

এতে পকেটমার,ছিনতাইবাজ  তারা যখন ভিরের মধ্যে চুরি বা ছিনতাই করবে তখন তাদের বায়োমেট্রিকের ডেটাবেস মিলবে আর তখনই এদের ধরা সম্ভব হবে। 

‘ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যার’ ব্যাবহার করা হয় কলকাতায়

কলকাতায় চোর–ডাকাত ধরতে নতুন প্রযুক্তির ‘ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যার’ Face Recognition Apps

নতুন এক উদ্যোগ নিয়ে কলকাতা পুলিশ। ভিড়ের মধ্যে বাজারে বা যেসব এলাকায় মানুষ বেশি থাকে, যেসব জায়গায় দুষ্কৃতকারীদের ধরতে নতুন এক প্রযুক্তি আনছে তারা। এসব জায়গায় থাকা ইনস্টল করা হচ্ছে নতুন এক সফটওয়্যার ‘ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যার’।

ফেস রিকগনিশন সফটওয়্যারের’ মাধ্যমে ভিড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী, পকেটমারদের ধরা সহজ হবে বলছে কলকাতা পুলিশ।শহরের বিভিন্ন বাজার, শপিং মলসহ ভিড়ের স্থানে লাগানো সিসিটিভিতে এই সফটওয়্যার ইনস্টল করতে শুরু করেছে পুলিশের সাইবার সেল।

এ ছাড়া কলকাতা শহরের বিভিন্ন সড়কে লাগানো আছে সিসিটিভি। কলকাতা পুলিশের হেডকোয়ার্টার লালবাজার কন্ট্রোল রুম থেকে এসব সিসিটিভির ওপর নজরদারি করা হয়।Theif By Pocketরাস্তার মোড় বা ভীড় বাজারের মধ্যে, এখন অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় সিসিটিভি লাগানো থাকে।লালবাজারের কন্ট্রোল রুম থেকে সেই ক্যামেরাগুলির মাধ্যমে সর্বদা নজরদারি চালানো হয়।

এখন শহরের উপর নজরদারি করছে যে ক্যামেরাগুলি, সেখানেই এই বিশেষ সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে দেবে লালবাজার সাইবার সেল ইউনিট। এর মাধ্যমে ভীড়ের মধ্যে মিশে থাকা অপরাধীকে চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। এমনটাই জানাচ্ছেন লালবাজার গোয়েন্দা বিভাগের কর্তারা। খবর: জি নিউজ।

তাঁরা জানিয়েছেন, দিওয়ালির আগেই ভীড় বাজারগুলোর সিসিটিভি-তে এই সফটওয়্যার ইনস্টল করে দেওয়া হবে।

ইতিমধ্যেই গত একবছরে  করা হয়েছে, লালবাজারের ওয়াচ অ্যান্ড বার্গলারি বিভাগ সেই সব অপরাধীদের বায়োমেট্রিকের একটি ডেটাবেস তৈরি করছে। বায়োমেট্রিক বলতে চোখ, নাক, মুখের অবয়ব হাত ও পায়ের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে ডেটাবেস তৈরি করা হয়েছে।

সেই ডেটাবেস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই অপরাধীর মুখের খুঁটিনাটি ফেস রেকগনিশন সফটওয়্যারে ইনস্টল করা হয়েছে।এখন এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ভীড়ের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অপরাধীদের কন্ট্রোল রুমে বসেই চিহ্নিত করতে পারবে পুলিশ।

এই অপরাধীরা যদি ফের কোনও অপরাধ করে বা কোনও জায়গায় যদি তাঁদের দেখা যায়, তাহলে তাঁদের চিহ্নিত করতে সুবিধা হবে পুলিশের। নিতে পারবে আগাম ব্যবস্থাও।

তবে এই সফটওয়্যারের একটি সমস্যাও রয়েছে। যদি ডেটাবেস-এর বাইরের কোনও চক্র অপরাধ সংঘটিত করে, তাহলে এই ফেস রেকগনিশন সফটওয়্যার সেইসব অপরাধীদের ধরতে পারবে না।

ইতিমধ্যেই বড়বাজার, পোস্তা, বৌবাজার সহ অন্যান্য বড়ো মার্কেট, যেখানে দিওয়ালি বা ধনতেরাসের কেনাকাটির জন্য ভীড় হতে পারে, সেখানকার সিসিটিভিগুলিতে এই সফটওয়্যার ইনস্টল করার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

পোস্টটা দেখে যত বন্ধু বান্ধব আছে তাদেরকে দেখার সুযোগ করে দিবেন,এতে যাদের এই এই ধরণের বদ অভ্যাস আছে তারা একটু হলেও সতর্ক হয়ে যাবেন। 

BY:Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close