Uncategorized

পর্ণকে না বলা শিখুন,পর্ণ থেকে বিরত থাকুন এবং সোচ্চার হন!

পর্ণগ্রাফি কি

পর্ণ হলো যৌন উত্তেজনা সৃষ্টিকারী কোনো অশ্লীল সংলাপ, অভিনয়, অঙ্গভঙ্গি, নগ্ন বা অর্ধনগ্ন নৃত্য-চলচ্চিত্রই হচ্ছে পর্নোগ্রাফি ।

পর্নোগ্রাফি বিভিন্ন মাধ্যমের সাহায্যে উপস্থাপন করা হতে পারে, এর মধ্যে অর্ন্তভুক্ত রয়েছে, বই, সাময়িকী, পোস্টকার্ড, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, অঙ্কন, পেইন্টিং

এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে যে, সেক্স প্রসঙ্গে যারা সংযমী, বেশি পর্ন তারাই দেখে! বলা হয়েছে যারা সেক্স নিয়ে কথা বলে বা একেবারেই বলে না, তাদের মধ্যে পর্ন দেখার প্রবণতাও বেশি।

পর্ণ কে না বলা শিখুন

পর্নোগ্রাফির দর্শক মানে শুধুই পুরুষ নয়! হাজার হাজার নারী বর্তমানে যৌনতার নতুন কলাকৌশল শিখতে পর্নোগ্রাফিতে ঝুকে আছেন। কেউ বাস্তবজীবনে সঙ্গীর অভাব মেটাতে পর্ন দেখছেন।

পর্ণ দেখে বহু নারী পুরুষ বিছানায় চরম সুখের মুহূর্তে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পর্নস্টারদের ফ্লিম দেখছেন তারা। এমনটাই জানিয়েছেন কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা।

কেউ কখনো দেখতে দেখতে আসক্ত হয়ে গেলেও , ‘কিভাবে এর থেকে মুক্তি পাবেন’ এটা লিখে গুগলে সার্চ দেয়া মানুষ খুজেও পাওয়া যাবে না।

স্কুল ছাত্রদের নিয়ে একটি জরিপ করেছে বেসরকারি সংস্থা ‘মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন’৷ দেখা গেছে, ঢাকার স্কুল পড়ুয়াদের প্রায় ৭৭ ভাগ পর্নোগ্রাফি দেখে৷

মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর আব্দুল্লাহ আল মামুন একটি পত্রিকাকে জানান, “আমাদের এই জরিপটি অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে করা হয়৷

পর্ণ

আর তাতে দেখা যায়, পর্নোগ্রাফি তারা ছবি, ভিডিও, অডিও এবং টেক্সট আকারে ব্যবহার করে৷ এসব পর্নোগ্রাফির আবার বড় অংশই দেশে তৈরি৷ এই শিক্ষার্থীরা প্রধাণত মোবাইল ফোনে অনলাইনে পর্নোগ্রাফি দেখে৷ এর বাইরে ট্যাব, ল্যাপটপেও তারা দেখে৷ আবার পেনড্রাইভ ব্যবহার করে বিনিময়ও করে৷”

জরিপে দেখা যায়, ৩০-৩৫ বছর যাদের বয়স এবং তাদের মধ্যে যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাদের শতভাগই একবার হলেও পর্নোগ্রাফি দেখেছেন৷ নিয়মিত পর্নোগ্রাফি দেখেন ৯০ ভাগ৷ নারীদের মধ্যে সংখ্যাটা শতকরা ৫০ ভাগ৷”

দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আইন থাকা সত্ত্বেও এই প্রবণতা কমে যাওয়ার কথা ছিলো, কিন্তু তা না হয়ে বরং তা বাড়ছে ভয়ানক গতিতে। যদিও বিটিআরসি ৫৬০টি পর্ন সাইট বন্ধ করেছে, কিন্তু পর্নোগ্রাফির জগত তো আর এই ৫৬০ এর মূল্যই রাখে না।

পর্ণগ্রাফির কুফল

1.পর্ন এর নেশা ড্রাগের চেয়েও মারাত্মক। পর্ন ড্রাগ, মদ বা সিগারেটের মতোই আসক্তি তৈরি করে। পর্ন দেখলে মস্তিষ্কে একটা ‘ফিল গুড’ রাসায়নিক তৈরি হয়। এর নাম ডোপামিন।

একটানা পর্ন দেখলে মস্তিষ্কে ডোপামিনের পরিমাণ বেড়ে যায়। তখন সামান্য ডোপামিনের ক্ষরণে উত্তেজনা তৈরি হয় না। আরও বেশি ডোপামিনের জন্য মস্তিষ্ক আরও বেশি পর্নের রসদ খোঁজে এবং আসক্তি বাড়িয়ে তোলে

2. যত বেশি পর্ন দেখবেন, ততই আপনি একটা পর্ণ জগতে চলে যাবেন। এর ফলে বাস্তবের সম্পর্কগুলো আর আপনাকে সুখ দিতে পারবে না, যা সম্পর্কের অবনতির অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে ওঠে।

3.অতিরিক্ত পর্ন মানসিক রোগের জন্ম দেয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পর্ন দেখা হয় একা, সমাজের চোখ এড়িয়ে। এর ফলে ধীরে ধীরে একটা অপরাধ বোধ জন্ম নেয়। যা থেকে ভবিষ্যতে মানসিক রোগ হতে পারে।

4. অতিরিক্ত পর্ন আপনার মনে ভাবনার সাম্যতা নষ্ট করে দেয়। বেশি পর্ন দেখলে আপনি মানসিকভাবে বাইরের মানুষদের মধ্যে সেই তারকাদের খুঁজে পেতে চেষ্টা করবেন।

5.অতিরিক্ত পর্ন আপনার স্বাভাবিক যৌনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে। অতিরিক্ত পর্ন আপনার সঙ্গীর প্রতি আসক্তি কমিয়ে দেয়। ফলে নষ্ট হয় স্বাভাবিক যৌনজীবন।

অনলাইনে পর্ন দেখলে নিজের মুখ দেখাতে হবে

অনেকেই পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত। রাতে বা দিনে যখনই সুযোগ পায় এসব দেখা শুরু করে। এবার পর্নো দেখতে গেলে দেখাতে হবে নিজের মুখ। অর্থাৎ ফেসিয়াল রেকগনিশনের মাধ্যমে নিজের পরিচয় নিশ্চিত করলে তবেই অনলাইনে পর্নোগ্রাফি দেখা সম্ভব হবে।

পর্ণ

নেটদুনিয়ায় হাজার হাজার সাইট পর্নোগ্রাফির পসরা সাজিয়ে বসে আছে বিভিন্ন সাইট। আঙুলের ছোঁয়াতেই সহজে পৌঁছে যাওয়া যায় সেখানে। আর তা আটকেই এই পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার

নাবালকরা যাতে কোনও ভাবেই অনলাইনে পর্নোগ্রাফি দেখতে না পারে। সে জন্যই এই প্রস্তাব এনেছে অস্ট্রেলীয় সরকার। বর্তমানে সে দেশে নাবালকদের পর্নোগ্রাফি দেখা থেকে আটকানোর কোনও আইন নেই।

তাই সেখানকার সরকার চাইছে, যে কোনও ধরনের অ্যাডাল্ট কনটেন্ট দেখার আগে নিশ্চিত করতে হবে বয়স।

কিন্তু কী ভাবে মুখ দেখে মিলবে বয়সের প্রমাণ? অস্ট্রেলীয় সরকার জানিয়েছে, সরকারি নথিতে থাকা ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারকারীর মুখ। সেই নথির উপর ভিত্তি করেই নির্ণয় করা হবে বয়স।

যদিও সরকারে পক্ষে এই প্রস্তাব দেওয়ার পরই তুমুল প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি। নেটিজেনরাও সরকারের এই ফেসিয়াল রেকগনিশনের প্রস্তাবে খুশি নয়।

প্রত্যেক অনলাইন সেশনের আগেই ফেসিয়াল রেকগনিশন করতে হবে কি না, তাও নির্দিষ্ট ভাবে জানানো হয়নি সরকারের তরফে। পাশাপাশি এই প্রযুক্তির নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

পোস্টটি সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন। 

সৌজন্যেঃ Factarticle.com 

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close