Uncategorized

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে যেভাবে আপনি সফল হবেন !

আজকে আমরা দেখানোর চেষ্টা করবো , ডিজিটাল মার্কেটিং কী ? ডিজিটাল মার্কেটিং কেন প্রয়োজন? কীভাবে করতে হয় ?  ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার ? ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় ? এই পর্বে ডিজিটাল মার্কেটিং digital marketing a to z বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক- 

সময়ের পরিবর্তনে সবকিছুই প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে। আর তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের ফলে আমরা ঘরে বসেই নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী পণ্য ক্রয়-বিক্রয় থেকে শুরু করে যে কোনো সেবা নিতে পারি।

ডিজিটাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনলাইন/ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার বিক্রয় কাজ পরিচালনা করাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

আর ওয়েব দুনিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য যত ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এগুলোই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

বর্তমান সময়ে পেশা বা একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের চাহিদা আকাশচুম্বী বলা যায়। দেশীয় কোম্পানিগুলোয় একজন ডিজিটাল মার্কেটারের কাজের ক্ষেত্র যেরকম তৈরি হচ্ছে।

ঠিক সেভাবে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোয়ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের কাজের জন্য ক্লায়েন্টরা প্রতিদিন জব পোস্ট করে যাচ্ছে। ওয়েব দুনিয়ায় মার্কেটিং করার জন্য যত ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এগুলোই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং কী?

ডিজিটাল প্রযুক্তি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সার্ভিসের প্রচারণা চালানোকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে। যেমন- আপনি ফেসবুক ব্রাউজ করার সময় কিছু স্পন্সর্ড পোস্ট দেখতে পান অথবা কোনো শব্দ ব্রাউজারে লিখে গুগলে সার্চ দিলে নিচে অ্যাড দেখায়।

এগুলো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্তর্ভুক্ত। সঠিক জায়গায় এবং সঠিক সময়ে ক্রেতার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করাই হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মূল লক্ষ্য।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি? ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে যেভাবে আপনি সফল হবেন

অন্যভাবে বললে, বর্তমান সময়ে সবথেকে জনপ্রিয় মাধ্যম হল ইন্টারনেট ভিত্তিক মার্কেটিং যার নাম দেয়া হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং। সহজ অর্থে ডিজিটাল প্রযুক্তি (ইন্টারনেট সেবা) ব্যবহার করে কোন পণ্য বা সেবার মার্কেটিং করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং (Digital Marketing) বলে।

digital marketing

digital marketing a good career

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন প্রয়োজন?

আমাদের বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। এক সময় পৃথিবীতে কাগজ থাকবে না। সবাই ইন্টারনেটে নিউজ পড়বে। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে ও ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের নামকরা সব গণমাধ্যম প্রিন্ট ভার্সনের পাশাপাশি অনলাইন ভার্সন খুব ভালোভাবে শুরু করেছে। ওয়েবসাইটে রেগুলার নিউজ পাবলিশ করছে। ওয়েবসাইটে পাঠক আনতে ফেসবুকে নিউজ শেয়ার দিচ্ছে। ওয়েবসাইটের এসইও অপটিমাইজেশন করছে।

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায়

ডিজিটাল মার্কেটিং টিউটোরিয়াল

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক সম্ভাবনাময় ও চ্যালেন্জিং বিষয় । ডিজিটাল মার্কেটিং এ বেশ কিছু সেক্টর রয়েছে । তাই আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর যেকোন একটি সেক্টর শিখে আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান।

তাহলে জেনে নিন এই ক্যারিয়ারে আপনাকে কী কী কাজ শিখতে হতে পারে। তবে আপনি যত বেশি শিখবেন ততই আপনার দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

  • SEO (Search Engine Optimization)
  • Online Advertising
  • SMM (Social Media Marketing)
  • Email Marketing
  • Affiliate Marketing
  • Content Marketing
  • PPC
  • SMO

উপরোক্ত বিষয়সমূহ শিখতে আপনি যে কোন ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হতে পারেন। অথবা গুগোল সার্চ করে বিভিন্ন ডিজিটাল মার্কেটারদের ব্লগ এবং ইউটিউবে ভিডিও দেথে শিখে নিতে পারবেন। 

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার ব্লগ লিস্ট-

  • Search Engine Journal
  • Niche Pursuits
  • Backlinko
  • Neil Patel
  • Smart Passive Income
  • Gotch SEO
  • MOZ Blog
  • Marketever
  • Tech Tage
  • Shout Me Loud

অনলাইন গণমাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্র

১. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

২. এসইও ফ্রেন্ডলি নিউজ রিপোর্টিং

৩. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

৪. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ইত্যাদি।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

এসইও এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে রেঙ্ক করানো হয়। অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট এক বা একাধিক কিওয়ার্ড দ্বারা সার্চ রেজাল্টে ওয়েবসাইটটিকে প্রথমে প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াটা হচ্ছে এসইও।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) নিয়ে কাজ করতে গেলে সবার আগে জানতে হবে সার্চ ইঞ্জিন ও সার্চ রেজাল্ট কী।

সার্চ ইঞ্জিন 

সার্চ ইঞ্জিন হল ওয়েব দুনিয়ায় যে কোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তিমাধ্যম। সার্চ ইঞ্জিনগুলো ওয়েবের প্রায় সব ওয়েবসাইটের ইনডেক্সগুলোর তথ্য সংগ্রহ করে এবং ইউজারের সামনে তা প্রদর্শন করে। সেরা ৫টি সার্চ ইঞ্জিন হল- গুগল, ইয়াহু, বিং, আস্ক ও বাইডু।

সার্চ রেজাল্ট 

ধরুন আপনি গুগলে একটি কিওয়ার্ড লিখে সার্চ করলেন- এই কিওয়ার্ড লিখে গুগলে সার্চ দেয়ার পর অনেক ওয়েবসাইট চলে আসবে। এটিই হল সার্চ রেজাল্ট।

এসইও’র কাজ তিন ধাপে করা হয়।

১. অনপেজ এসইও অপটিমাইজেশন

২. অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন

৩. টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন

অনপেজ এসইও অপটিমাইজেশন 

অনপেজ এসইও অপটিমাইজেশন বা ওয়েবসাইটের ভেতরে অপটিমাইজেশন। যেমন- মেটা টাইটেল, মেটাডেসক্রিপশন, ব্যবহৃত ছবিগুলোর টাইটেল, ট্যাগ ও ক্যাপশন যথাযথ ব্যবহার, ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পেজের মধ্যে ইন্টারনাল লিংকিং ইত্যাদি। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

digital marketing

কিওয়ার্ড রিসার্চ 

কিওয়ার্ড হচ্ছে সার্চিং ওয়ার্ড। আপনি যদি কোনো বিষয়ে জানতে চান, জানার জন্য অর্থবোধক যা লিখে গুগলে সার্চ করবেন সেটি হচ্ছে কিওয়ার্ড। কিওয়ার্ড রিসার্চ এসইওর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। কিওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অনেক ফ্রি এবং পেইড টুল পাওয়া যায়। কিওয়ার্ড নির্বাচনের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় লক্ষ রাখতে হবে-

১. কান্ট্রি টার্গেটিং

২. সার্চ ভলিউম

৩. কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি ইত্যাদি।

ওয়েবসাইট ও কাজের ব্যাপ্তির ওপর নির্ভর করে ফ্রি ও পেইড সার্ভিস গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

কিওয়ার্ড ডেনসিটি 

কিওয়ার্ড ডেনসিটি হচ্ছে কিওয়ার্ডের অনুপাত। যেমন- আপনি একটি কন্টেন্ট লিখলেন ১০০ শব্দের। তার মধ্যে আপনি তিনবার কিওয়ার্ড প্রয়োগ করলেন, তা হলে কিওয়ার্ড ডেনসিটি ৩%।

মেটা টাইটেল ট্যাগ

মেটা টাইটেল ট্যাগ হচ্ছে একটি ওয়েবপেজের এইচটিএমএল ট্যাগ। আপনি যখন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করেন, তখন সেটি দেখা যায়। মেটা টাইটেল ট্যাগে ব্র্যান্ড কিওয়ার্ড ইউজ করা উচিত।

মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ 

মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ হচ্ছে একটি ওয়েবপেজের সামারি এইচটিএমএল ট্যাগ। সামারি দেখে ভিজিটর দ্রুত বুঝতে পারে যে ওয়েবসাইটটি কোনো ধরনের কন্টেন্ট দিচ্ছে। মেটা টাইটেল ট্যাগের নিচে থাকে ইউআরএল, তারপর মেটা ডেসক্রিপশন ট্যাগ।

এসইও ফ্রেন্ডলি ইউআরএল 

এসইও ফ্রেন্ডলি ইউআরএল বলতে বুঝায়- ১. ইউআরএলে এ প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?), আন্ডার স্কোর (থ), স্টার মার্ক (*) ইত্যাদি থাকবে না। ২. ইউআরএল ছোট হবে। ৩. ওয়েবসাইট পোস্টের ইউআরএল স্ট্রাকচার হবে- রুট ডোমেইন+ পোস্ট হেডলাইন।

রোবট টেক্সট 

রোবট টেক্সটের মাধ্যমে গুগলসহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের রোবটকে ওয়েবসাইটের কিছু ওয়েবপেজ ইনডেক্স অথবা কিছু ওয়েবপেজ ডি-ইনডেক্স করে রাখতে পারবেন। অর্থাৎ আপনি যে ওয়েবপেজগুলোর এক্সেস গুগলসহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে দেবেন, শুধু সেই পেজগুলোতে সার্চ ইঞ্জিনের রোবট যেতে পারবে এবং ইনডেক্সও করতে পারবে।

সাইট ম্যাপ : গুগলকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেয়ার জন্য পোস্টের সাইট ম্যাপ ক্রিয়েট করতে হয়।

ইমেজ অলটার টেক্সট 

ওয়েবসাইটের ফটো কন্টেন্টে যথাযথ ইমেজ অলটার টেক্সট ব্যবহার করতে হবে। ইমেজ আপলোড করার ক্ষেত্রে ইমেজের সাইজ ও ফাইল নেইম ঠিক করতে হবে। হাই রেজুলেশনের ইমেজ ব্যবহার করা ভালো।

ফেভিকন 

ওয়েবসাইটের জন্য ইউনিক ফেভিকন ক্রিয়েট করতে হবে, যা আপনার ব্র্যান্ডের ভেলু বাড়াবে। ফেভিকন সাইজ ১৬ পিক্সেল বাই ১৬ পিক্সেল দিতে পারেন।

ফ্ল্যাশ ফাইল 

সাইটে কোনো ধরনের ফ্ল্যাশ ফাইল ব্যবহার না করাই ভালো। ফ্ল্যাশ ফাইলের পরিবর্তে জিফ ফাইল ব্যবহার করতে পারেন।

ইন্টারনাল লিংক 

এক কন্টেন্ট থেকে অন্য কন্টেন্টে লিংক করাটাই হচ্ছে ইন্টারনাল লিংক। ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে-

১. ইন্টারনাল লিংক যাতে সিমিলার কন্টেন্ট অথবা কিওয়ার্ডের সঙ্গে করা হয়।

২. সাধারণত কন্টেন্টের শেষের দিকে ইন্টারনাল লিংক করলে ভালো। এতে কন্টেন্ট পড়ার সময় পাঠকের মনোযোগ ঠিক থাকে।

ব্রোকেন লিংক 

যে লিংকে গেলে কন্টেন্ট খুঁজে পাওয়া যায় না সেটায় ব্রোকেন লিংক। সাইটে কোনোভাবেই ব্রোকেন লিংক রাখা যাবে না। সাইট থেকে ব্রোকেন লিংক রিমুভ করতে হবে।

ডেড লিংক

যে লিংকে গেলে কোনো কিছুই খুঁজে পাওয়া যায় না সেটি ডেড লিংক। সাইটে ডেড লিংক কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এইচ-১ ট্যাগ 

এইচ-১ ট্যাগ হচ্ছে একটি এইচটিএমএল ট্যাগ। কিওয়ার্ড অনুযায়ী সাইটে এইচ-১ ট্যাগের যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।

এইচটিএমএল পেজ সাইজ 

যতদূর সম্ভব এইচটিএমএল পেজ সাইজ কমাতে হবে, এতে করে সাইটের লোডিং টাইম ফাস্ট হবে। ইউজার অ্যাঙ্গেজমেন্ট বাড়বে।

Online advertising কয়েক ধরনের হয়ে থাকে

  • CPC (Cost Per Click)
  • CPA (Cost Per Action)
  • CPV (Cost Per View)
  • Display Advertising 

CPC হচ্ছে বিজ্ঞাপনের একটি ফর্ম যা ভোক্তাদের কাছে প্রচারমূলক বিপণনের বার্তা হিসেবে যাবে। আর একজন advertiser তার অ্যাড দেয়ার বিনিময়ে প্রতি ক্লিক এর জন্য কতো টাকা বা ডলার দিয়ে থাকেন।

CPA অর্থ হচ্ছে cost per action অর্থাৎ আপনি যদি কোন একটি অ্যাকশান কমপ্লিট করতে পারেন তার বিনিময়ে অনলাইন মার্কেট আপনাকে একটা revenue দেবে।

CPV অর্থাৎ cost per view. CPC, CPA এগুলোর মতো এটি ও একটি Online Advertising সিস্টেম। একটি বিজ্ঞাপন প্রতিবার কি পরিমান বা কতো সময় পর্যন্ত ভিউ হয়েছে তার উপর ভিত্তি করেই revenue দেয়।

Display advertising টা হচ্ছে মুলত পথে ঘাটে আমরা যে প্রচারমূলুক বিলবোর্ড বা ব্যানার গুলো দেখতে তার ডিজিটাল রূপ। আর এইগুলো গুগল অ্যাডওয়ার্ডস এর মাধ্যমেই করা হয়।

digital marketing e social media

আমরা অনেক ধরনের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করি , যেমনঃ Facebook, Twitter, Instagram, Google Plus আরো অনেক রয়েছে। এগুলোকে আমরা সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বলে থাকি।

আমরা একজন অন্যজনের সাথে বা একজন অনেকগুলো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষার্থে এই এই মাধ্যম গুলো ব্যবহার করে থাকি।

এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোকে কাজে লাগিয়ে মার্কেটিং করা বা যে পদ্ধতি অনুসরন করে আমরা প্রচারনা করি তাকেই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে।

Social Media Marketing  ২ প্রকার

  • Paid Marketing 
  • Free Marketing 

বর্তমানে কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তৈরি করা থেকে শুরু করে তার উন্নয়ন কার্জক্রম এ ও সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক ভুমিকা লক্ষ্য করা যায়।

বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সম্পর্কে ফিডব্যাক পাওয়া যায়। এই তাৎক্ষনিক ফিডব্যাক পাওয়ার কারনে আমাদের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর ভুল ত্রুটি নির্ধারণ করতে পারি খুব সহজেই।

পরস্পর যে কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারি। এবং কারো কোন বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে আমরা সেই বিষয়ে সরাসরি উত্তর দিতে পারি।

Email Marketing

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে এমন একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যেখানে কোম্পানি তার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌছানোর জন্য ঐ নির্দিষ্ট বিষয়ের সাথে জড়িত বা যারা এই বিষয় গুলো পছন্দ করেন তাদের ইমেইল কালেক্ট করেন, এবং তাদেরকে বিভিন্ন সময়ে ঐ বিষয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ধরনের প্রমোশনাল/প্রচারমূলক ইমেইল পাঠান।

ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য যে ২ টি বিষয় খুব গুরত্বপুর্ন 

Optin Form

Optin Form টা হচ্ছে যেখানে কোম্পানি নির্দিষ্ট কোন পন্যের উপর কমিশন থাকলে তা ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়ে দেয় অথবা কোন পন্য বা সার্ভিস এর সাথে কোন কিছু ফ্রী থাকলে তা নেওয়ার জন্য অফার করে।

Email Marketing Service

কোম্পানি যখন একাধিক ব্যক্তিকে ইমেইল পাঠায় তখন সে ইমেইল মার্কেটিং সার্ভিস বা এই রকম সফটওয়্যার এর মাধ্যমে ইমেইল পাঠায় । বিশেষ করে এই সব কাজে ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে ইমেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য জনপ্রিয় সফটওয়্যার 

  • Aweber
  • Mail Chimp
  • Get Response

ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স

এখন আমরা আলোচনা করবো ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন ও টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন।

digital marketing

অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন 

অফপেজ বা ওয়েবসাইটের বাইরে অপটিমাইজেশন। অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন বলতে আমরা সাধারণত বুঝি ব্যাকলিঙ্ক। আসলে এখানে শুধু ব্যাকলিঙ্ক ছাড়ও অনেক ফ্যাক্টর কাজ করে। যেমন : কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস, কম্পিটিটর ডেটা হ্যাক, হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডিং ইত্যাদি।

কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস 

কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস বলতে বোঝায় মার্কেট রিসার্চ। কম্পিটিটর কী করছে, কীভাবে করছে, কেন করছে, মার্কেটিং প্ল্যান? যতদূর সম্ভব সেগুলোর একটি চেক লিস্ট বের করা। কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস ছাড়া সাইট র‌্যাঙ্ক করানো প্রায় অসম্ভব।

কম্পিটিটর ডেটা হ্যাক 

শুধু কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস করলে হবে না। কম্পিটিটরদের সম্পর্কে রেগুলার আপডেট রাখতে হবে। অর্থাৎ কম্পিটিটরদের ডাটা কীভাবে পাওয়া যায় সেটার সুবুদ্ধি বের করে সে অনুযায়ী প্ল্যানিং করে কাজ করতে হবে।

ওয়েব ২.০ 

ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ কন্টেক্সচুয়াল ব্যাকলিঙ্কের সোর্স ওয়েব ২.০। শত ওয়েব ২.০ সাইটের মধ্য থেকে পছন্দেরগুলোয় অ্যাকাউন্ট করে একাধিক আর্টিকেল পোস্ট করে সেখান থেকে নিজের সাইটে ব্যাকলিঙ্ক নেয়া যায়।

লোকাল লিস্টিং-  বিভিন্ন বিজনেস লিস্টিং সাইট আছে সেগুলোয় সাইট অ্যাড করা।

প্রোফাইল ব্যাকলিঙ্ক – বিভিন্ন সাইটে প্রোফাইল ওপেন করে সেই প্রোফাইলে আপনার সাইটের লিঙ্ক অ্যাড করতে পারেন।

জেনুইন কমেন্টিং 

কিছু সাইট আছে যেগুলোয় কমেন্ট করা যায়। কন্টেন্ট পড়ে রিলিভেন্ট কমেন্ট করবেন এবং সঙ্গে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে আসবেন।

ফটো শেয়ারিং 

অনেক ফটো শেয়ারিং সাইট রয়েছে যেগুলোয় ফটো দেয়ার সময় কন্টেন্ট সোর্স হিসেবে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ইউজ করতে পারেন।

আসলে লিঙ্ক বিল্ডিং একটা চলমান পক্রিয়া। হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডিং আরও অনেকভাবে করা যায়।

টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন 

টেকনিক্যাল এসইও বলতে বোঝায় সার্চ ইঞ্জিনের র‌্যাংকিংয়ে আসার জন্য একটি ওয়েবসাইটকে র‌্যাংকিং ফ্যাক্টর অনুযায়ী অপটিমাইজ করা।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

গুগল ওয়েবমাস্টার 

এসইও নিয়ে কাজ করার জন্য গুগল ওয়েবমাস্টার জানাটা অত্যাবশ্যক। গুগল ওয়েবমাস্টার হচ্ছে গুগলের নিজস্ব ফ্রি সার্ভিস, যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটকে মনিটর এবং মেইনটেইন করা যায়।

গুগলে ওয়েবসাইটকে ইনডেক্স করতে গুগল ওয়েবমাস্টার টুল বা গুগল সার্চ কনসোল-এ সাইনআপ করতে হয়। একটি জি-মেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ওয়েবসাইটের নামে গুগল ওয়েবমাস্টার অ্যাকাউন্ট খোলা যায়।

গুগল ওয়েবমাস্টার নিয়ে কিছু টিপস-

সাইটম্যাপ 

ওয়েবসাইটের সাইটম্যাপ গুগল ওয়েবমাস্টারে সাবমিট করতে হয়। যার ফলে গুগল ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট এবং আপডেট খুব সহজেই দ্রুত ইন্ডেক্স করে। পাশাপাশি ইন্ডেক্সিং রিপোর্ট তৈরি করে।

কন্টেন্ট 

ওয়েবসাইটের প্রায় সব কন্টেন্ট মনিটরিং করে গুগল ওয়েবমাস্টার। কোনো কন্টেন্ট কত ইম্প্রেশন হল এবং কতজন ভিজিটর কন্টেন্টটি পড়েছে সেটি বের করা যায়। ফলে আমরা সহজেই বুঝতে পারি কোন ধরনের কন্টেন্ট দিলে মানুষ পড়বে।

ইন্টারন্যাশনাল টার্গেটিং 

দেশভিত্তিক এবং ভাষাকেন্দ্রিকভাবে কন্টেন্ট গুগল ইন্ডেক্স করে থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন দেশে র‌্যাংক করাতে চান সেটি ওয়েবমাস্টারকে নির্বাচন দিতে হবে। তাহলে সে অনুযায়ী সাইট র‌্যাংক হবে।

সার্চ রেজাল্ট ও ক্লিক : ভিজিটর কোনো ধরনের কিওয়ার্ড গুগলে সার্চ দিয়ে আপনার সাইটে আসছে সেটির রিপোর্ট দেখা যায়। টোটাল ওয়েবসাইট ইম্প্রেশন ও টোটাল ক্লিক খুব সহজেই বের করা যায় গুগল ওয়েবমাস্টারের সাহায্যে।

ওয়েবসাইট লোড টাইম

ওয়েবসাইটের লোড টাইম কত তা খুব সহজেই বের করা যায়। সাইটের লোড টাইম যদি বেশি হয় তাহলে পাঠক নিউজ কম পড়বে। এমনও হতে পারে পাঠক বিরক্ত হয়ে সাইট থেকে বের হয়ে চলে যাবে। সাইটের বাউন্স রেট বেড়ে যাবে।

আপনার ওয়েবসাইট এর লোড টাইম দেখতে কিল্ক করুনMe Click

ফলে সাইটের লোড টাইম কমাতে হবে যাতে ভিজিটর বিরক্ত না হয় এবং বেশিক্ষণ সাইটে অবস্থান করে।

মোবাইল ফ্রেন্ডলি 

নিউজ ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মোট পাঠকের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ পাঠক নিউজ পড়ে মোবাইল ডিভাইস দিয়ে। সুতরাং ওয়েবসাইটকে অবশ্যই মোবাইল ফ্রেন্ডলি তৈরি করতে হবে। গুগল ওয়েবমাস্টারে ওয়েবসাইট মোবাইল ফ্রেন্ডলি রিপোর্ট পাওয়া যায়।

সিকিউরিটি 

হ্যাকাররা ওতপেতে বসে থাকে ওয়েবসাইট হ্যাক করার জন্য। ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সংক্রান্ত কোনো ইস্যু থাকলে সেটা গুগল ওয়েবমাস্টার নোটিফিকেশন দিয়ে জানিয়ে দেয়।

গুগল মাই বিজনেস 

গুগল মাই বিজনেস গুগলের একটি সার্ভিস যা প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার অনলাইন উপস্থিতির জানান দেয়। কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম লিখে গুগলে সার্চ করলে পিসিতে ডান পাশে এবং মোবাইলে ওপরের দিকে একটা বক্সের মধ্যে বিজনেস লোকেশন, ফটো, অ্যাড্রেসসহ বিভিন্ন তথ্য দেখা যায়।

এটি মূলত গুগল মাই বিজনেস দিয়ে ক্রিয়েট করতে হয়। যেমন- বিজনেসের নাম, ক্যাটাগরি, লোকেশন, অ্যাড্রেস, বিজনেস আওয়ার, ফোন নম্বর, ওয়েবসাইট, ম্যাপ লিস্টিং ইত্যাদি।

গুগল অ্যানালাইটিক্স 

গুগল অ্যানালাইটিক্স টুলস গুগলের একটি ফ্রি সেবা। যার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন-

  • ভিজিটরের রিয়েলটাইম রিপোর্ট
  • ভিজিটরের অবস্থানকাল
  • ভিজিটরের সংখ্যা
  • রেফারেল সাইটের লিস্ট
  • সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটরের সংখ্যা
  • ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট
  • তুলনামূলক রিপোর্ট
  • সোশ্যাল মিডিয়া (ফেসবুক, টুইটার, গুগল প্লাস, লিঙ্কডিন ইত্যাদি) থেকে ভিজিটরের সংখ্যা ইত্যাদি।

গুগল অ্যানালাইটিক্স এ রিপোর্ট দেখতে কিল্ক করুনClick Me

পোস্টটি যদি ভালো লাগে এবং উপকৃত হন তাহলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিয়ে আমাদের ( Factarticle ) সঙ্গেই থাকবেন।

Credit- Various News & blog

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close