কিভাবে টাকা আবিষ্কার করবেন? কিভাবে ৫ ঘণ্টায় ৪০,০০০ ডলার তৈরি করবেন-রবার্ট কিয়োসাকি! | Factarticle.Com            
Factarticle.Com
Money increase tips

কিভাবে টাকা আবিষ্কার করবেন? কিভাবে ৫ ঘণ্টায় ৪০,০০০ ডলার তৈরি করবেন-রবার্ট কিয়োসাকি!

কিভাবে টাকা আবিষ্কার করবেন? কিভাবে ৫ Money increase triksঘণ্টায় ৪০,০০০ ডলার তৈরি করবেন-রবার্ট কিয়োসাকি!

How to discover money? How to make 40,000 dolar in 5 hours – Robert Kiyosaki!

রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড-Rich Dad Poor Dad-Robert Kiyosaki.

আগেই বলে নেই একটু রবার্ট কিয়োসাকি সম্পর্কে। তাহলে বন্ধুরা শুরু করা যাক।

“রবার্ট কিয়োসাকি” হলো রিচ ড্যাড পুওর ড্যাড এর প্রকাশক।তিনি সকলকে সাহায্য করতে চেষ্টা করেছেন যারা আর্থিক শিক্ষাগ্রহনে আগ্রহী।

রবার্টের জন্ম হাওয়াইয়ে ও সেখানেই বেড়ে ওঠে।তিনি প্রখ্যাত শিক্ষক পরিবারের সন্তান।তার বাবা হাওয়াই রাষ্ট্রের শিক্ষা-বিভাগের প্রধান ছিলেন। হাইস্কুলের পর রবার্ট নিউইয়র্ক এ যায় এবং গ্রাজুয়েশন শেষে তিনি একজন অফিসার ও পাইলট হিসেবে ভিয়েতনামে চলে যান। যুদ্ধ থেকে ফেরার পর রবার্ট বাবসা শুরু করেন। ১৯৭৭ তিনি একটি কোম্পানি তৈরি করেন যেটি মার্কেট এ প্রথম নাইলন ও ভেলকো নিয়ে আসে। যা মাল্টি মিলিয়ন ডলারের পণ্য সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দেয়।

আরও পড়ুন- কেন আমরা বস্তায় বস্তায় টাকা ছাপাই না-জানতে কিল্ক করুন 

এরপর তিনি বাণিজ্যিক বিশ্ব ১৯৮৫ সালে ছেড়ে দিয়ে একটি আন্ত্রজাতিক শিক্ষা কোম্পানির সহস্থাপন করলেন। যেটি ৭ টি দেশে ১০ হাজারেরও বেশি গ্রাজুয়েটদের ব্যবসায় ও বিনিয়োগ শিক্ষা দিত। এরপর তিনি ৪৭ বছর বয়সে রিটেয়ার করার পর রবার্ট তাই করলেন যেটা করতে তার ভালো লাগত-বিনিয়োগে।Investment money

রবার্ট কিয়োসাকি বলেন,”আপনার অর্থের দায়িত্ব নিন বা সারা জীবন আদেশ মানুন হয় আপনি টাকার মালিক হবেন না হয় এর দাস”।

রবার্ট কিয়োসাকি বলেন,“মানুষের আর্থিক সংগ্রাম করার মূল কারন হলো তারা অনেক বছর স্কুলে ব্যয় করে কিন্তু অর্থ সম্পর্কে কিছু শিখেনা।ফলে মানুষ টাকার জন্য কাজ করতে শিখে ,কিন্তু টাকা কিভাবে তাদের কাজ করে,সেটা শিখে না”।

তিনি আরও একটা বার্তা দেন যে,”আপনার মধ্যকার অর্থনৈতিক প্রতিভাবানকে জাগান এবং আপনার প্রতিভা বেরিয়ে আসার অপেক্ষায় থাকুন”।

ধনীরা টাকা আবিষ্কার করে? কিভাবে ৫ ঘণ্টায় ৪০,০০০ ডলার তৈরি করবেন-রবার্ট কিয়োসাকি!

রবার্টের বার্তাটি অমূল্য

অর্থনৈতিক পরিবর্তনের এই সময়ে রবার্টের বার্তাটি অমূল্য। “আমদের বর্তমান শিক্ষাবাবস্থা বিশ্বের সার্কিট ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে খাপ খেয়ে চলতে পারছে না। তরুণদের আমরা শিক্ষাগত ও আর্থিক উভয় যোগ্যতায় শেখাবো,যাতে তারা কেবল টিকে থাকা নয়,পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় সমৃদ্ধি লাভ করতে পারে”।

আরও পড়ুন- প্রাচীনকালে গর্ভধারনের কয়েকটি আচার্য পরিক্ষা ও বর্তমান পরিক্ষা- জানতে কিল্ক করুন 

dolar money

“অ্যান্থনি রবিন্সন”-Anthony Robbins

বিশ্ববিখ্যাত বক্তা ও গ্রন্থকার অ্যান্থনি রবিন্সন রবার্টের কাজ সম্পর্কে বলেছেন,”শিক্ষার ক্ষেত্রে রবার্টের কাজ শক্তিশালী,গভীর জীবন পরিবর্তনকারী। আমি তার চেষ্টাকে স্যালুট জানাই ও তাকে যথেষ্ট সমর্থন করি”।

রবার্ট কিয়সাকির ভাষ্যমতে,

“গরিব ও মধ্যবিত্তরা টাকার জন্য কাজ করে।আর ধনীরা টাকা বানায়। টাকাকে যত বাস্তব মনে করবে,টাকার জন্য তত বেশি খাটবে।যদি তোমরা এটা মানতে পারো যে,টাকা বাস্তব নয় তাহলে তোমরা দ্রুত ধনী হয়ে উঠবে”।

এখানে কথা হচ্ছে তাহলে টাকা কি?

“রবার্ট কিয়োসাকির ধনী পিতা বললেন”,আমি যা মনে করি।

“যে শক্তিশালী সম্পদ আমাদের সবার মধ্যে রয়েছে সেটি হল আমাদের মন। একে ঠিকমত প্রশিক্ষণ দেয়া গেলে এটি প্রচুর ধন অর্জন করতে পারে। ৩০০ বছর আগে সম্পদ ছিল কেবল রাজা ও রানির স্বপ্নে। প্রশিক্ষণবিহীন মন সারাজীবনের জন্য প্রচণ্ড অভাব তৈরি করতে পারে।

আরও পড়ুনকখনো জীবন আপনার কপালে ইট মারবে না তাহলে হাল ছাড়বেন কেন?দেখতে কিল্ক করুন 

তথ্যযুগে টাকা বাড়ছে গুনিতক হারে। কিছু বাক্তি কেবল ধারণা ও চুক্তির মাধ্যমে অবিশ্বাস্যরকম ধনী হয়ে উঠেছে। আপনি যদি কাউকে স্টক বা অন্য কোন ব্যবসায় বিনিয়োগের ব্যাপারে বলেন,দেখবেন তারা ইতিমধ্যে সেসব করে ফেলেছেন। অনেক সময় শুন্য থেকে লক্ষ্য বানিয়ে ফেলেছে কোন কিছু না করেই”।Banking Money Increase

কাজেই আপনার আর্থিক প্রতিভা কেন বাড়াতে হবে?

আপনি কেবল জবাব দিতে পারেন। আমি কেবল বলতে পারি নিজের বুদ্ধিমত্তা আমি কেন বৃদ্ধি করেছিলাম।

করেছিলাম কারন,আমি দ্রুত টাকা বানাতে চেয়েছি। এমনটা নয় যে,আমার টাকার খুব প্রয়োজন ছিল। কিন্তু আমি এটা করতে চেয়েছি। এটা বেশ চমৎকার শেখার পদ্ধতি। আমি অর্থনৈতিক আই কিউ বাড়িয়েছিলাম কারন পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত ও বড় খেলায় আমি অংশ নিতে চেয়েছিলাম।

আর নিজস্ব ছোট্ট প্রক্রিয়ায় আমি মানবতার নজিরবিহীন মূল্যায়ন ও সেই চমৎকার সময়ের একটি অংশ হতে পেরেছি,যেখানে মানুষ শরীরের মাধ্যমে নয়,পুরোপুরি হৃদয়ের সংযোগে কাজ করে। তাছাড়া এখানেই কর্ম সম্পাদন হয়। এখানে যা ঘটে,তাই বাস্তব। এটাই আনন্দের। এটাই ভয়ের এবং এটাই মজার।

টাকা তৈরির একটি সহজ উদাহরন-রবার্ট কিয়োসাকি

১৯৯০ এর শুরুর দিকে ফোনিক্সের অর্থনীতি খুব ভয়ঙ্কর ছিল। রবার্ট তখন টিভি শো দেখতেছিলো তখন একজন অর্থসংক্রান্ত প্লানার এলো আর বিষণ্ণতা প্রকাশ করতে শুরু করলো। তার উপদেশ ছিল টাকা জমানো। সে বলল,প্রতিমাসে ১০০ ডলার করে রাখলে বছরে মাল্টিমিলিয়নার হওয়া যায়।

হুম,বেসত প্রতিমাসে টাকা জমানো একটি ভালো পরামর্শ। এটি একটি বিকল্প সেটি সব মানুষই করে। এর সমস্যা হলো,বাস্তবে যা ঘটছে,তার ব্যাপারে এটি মানুষকে অন্ধ করে দেয় এবং তারা সেই অর্থের অনেক বেশি বর্ধনের বিরাট সুযোগ হারিয়ে ফেলে।তাদের পাশ দিয়ে চলে যায় সবকিছু।

আরও পরুন-আসলে ব্যাংক আমাদের বোকা বানাচ্ছে-পড়তে কিল্ক করুন 

রবার্ট যা বলেছিলেন-

সেসময় অর্থনীতি ভয়াবহ ছিল। বিনিয়োগকারীদের জন্য সেটি ছিল বেশ উপযুক্ত সময়। রবার্ট বলেন যে,আমার টাকার সিংহভাগ স্টক মার্কেট ও অ্যাপারমেনট হাউজে ছিল। আমার ক্যাশ টাকা কম ছিলো কারন প্রতেকে ছেড়ে দিচ্ছিল আর আমি কিনছিলাম। আমি টাকা জমাচ্ছিলাম না।

আমি বিনিয়োগ করছিলাম । আমার স্ত্রীর ও আমার প্রায় ১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি টাকা বাজারে খাটছিলো আর দ্রুত বাড়ছিলো। বিনিয়োগের এটাই ছিল সবচেয়ে বড় সুযোগ। অর্থনীতি ভয়ংকর ছিলো। আমি ছোটখাট বাবসাগুলোকে এড়িয়ে যেতে পারিনি।Money Tree

১০০,০০০ ডলারের ঘর তখন ৭৫,০০০ ডলারে। কিন্তু স্থানীয় রিয়েল এস্টেট অফিস বাদ দিয়ে আমি ঋণখেলাপি অ্যাটনির অফিস বা কোর্ট হাউজ থেকে কিনতাম। এসব জায়গা থেকে ৭৫,০০০ ডলারের ঘর ২০,০০০ ডলার বা তার চেয়েও কমে কেনা যেত। যে ২০০০ ডলার আমি এক বন্ধুর কাজ থেকে লোণ নিয়েছিলাম ৯০ দিনে ২০০ ডলার করে,অ্যাটনিকে সে টাকা আমি বায়না হিসেবে দিলাম। যখন প্রাপ্তির সব ক্রিয়া সম্পন্ন হলো,আমি ছুটে গিয়ে বিজ্ঞাপন দিলাম যে,৭৫০০০ ডলারের বাড়ি কোন বায়না ছাড়াই ৬০,০০০ ডলারে বিক্রি। ফোন খুব জোরালোভাবে বাজলো। ক্রেতাদের দেখা মিললো এবং তাদের প্রত্যেককে ঘর দেখানো হলো। উত্তেজনা টান টান হয়ে উঠলো। কয়েক মিনিটেই ঘর বিক্রি হয়ে গেলো।

প্রসেসিং ফি হিসেবে আমি ২৫০০ ডলার চাইলাম এবং যেটা তারা খুশিমনে দিয়েছিলো এবং দলিল নিয়ে গেলো। এরপর আমি ২০০০ ডলারের সাথে আরও ২০০ ডলার যোগ করে বন্ধুকে ফিরিয়ে দিলাম সেও খুশি হয়ে গেলো এবং বাড়ির ক্রেতাও খুশি হয়ে গেলো এবং সেই সাথে আমিও খুশি।

রবার্ট কিয়োসাকি_

“৬০০০০ ডলারে বাড়ি বিক্রি করে আমি ২০,০০০ ডলার পেলাম। সম্পদ কলামের টাকা দিয়ে আমি ৪০০০০ ডলার তৈরি করলাম। সময় লেগেছে মাত্র ৫ ঘণ্টা”।

পোস্টটি যদি ভালো লাগে তাহলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle.com এর সঙ্গেই থাকার চেষ্টা করবেন।

BY:Factarticle.com

Shahin Hasan

1 comment

Ads

Follow us

Don't be shy, get in touch. We love meeting interesting people and making new friends.

Most discussed

shares