Uncategorized

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের এসএসসি প্রস্তুতি – জীববিজ্ঞান ২০২০

এসএসসি পরীক্ষার্থীরা শেষ মুহূর্তের এসএসসি প্রস্তুতি ২০২০ ( SSC Preparation 2020 ) আপনাদের জন্যই আজকের আমাদের এই কনটেন্টা। আমরা চাই, আপনারা ভালোভাবে এসএসসি পরীক্ষা দেন। আপনারাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ,আপনারাই এ দেশকে উন্নতির শিখরে তুলবেন।

আমরা আজকে- জীববিজ্ঞান চতুর্থ অধ্যায় (জীবনী শক্তি) ও ষষ্ঠ অধ্যায় (জীবে পরিবহন) শেষ এসএসসি প্রস্তুতি ২০২০ হিসেবে দেখাবো। শেষ প্রস্তুতি হিসেবে লিখেছেন- সুনির্মল চন্দ্র বসু স্যার।

আমরা এই শেষ প্রস্তুতি শুধু শেয়ার করছি এতে যদি কারও উপকারে আসে তাহলে আমরা গর্বিত।

আমার কথা- আপনারা কখনোই অসৎভাবে এসএসসির পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো করার চেষ্টা করবেন না এতে আপ্নারই ক্ষতি। অনেক অসৎলোক আপনাকে প্রলোভন দেখাবে যে, এসএসসির প্রশ্নপত্র এর বিষয়ে।

কিন্তু সেখানে দেখা যাবে,প্রশ্ন তো দুরের কথা- প্রথমে টাকা হাতিয়ে নিয়ে,প্রলোভন দেখিয়ে আপনার শেষ প্রস্তুতিকে নষ্ট করে দিবে ফলে, আপনার এসএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ার সম্ভবনা থাকবে। সুতরাং আপনার কখনোই অসৎভাবে কিছু করার চেষ্টা করবেন না। প্লীজ কখনোই না।

শেষ সময়ের এসএসসি প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন-

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়ালেখার জন্য অনেকেই ‘দৈনন্দিন রুটিন’ করে নেন। রুটিন করার সময় খুব ভালোমতো খেয়াল রাখবেন একটি কথা—আপনি কত ঘণ্টা পড়ালেখা করছেন, তার চেয়েও বড় কথা হলো আপনি ‘কীভাবে’ পড়ালেখা করছেন।
  • এসএসসি পরীক্ষার্থ আপনাকে অনেক বেশি কৌশলী হতে হবে। সারা দিন শুধু বই নিয়ে বসে থাকলেই যে পড়ালেখা ভালো হবে, এমন কিন্তু কোনো কথা নেই। রুটিনে বিশ্রামের জন্যও যথেষ্ট সুযোগ রাখতেই হবে।
  • প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করলেই যে এসএসসি তে ভালো রেজাল্ট করবেন এমনটা না। আপনি প্রতিদিন কত ঘণ্টা করে পড়াশোনা করবেন, তা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে আপনার ব্যক্তিগত সামর্থ্যের ওপর। আপনি যদি অনুভব করেন, সাত থেকে ঘণ্টা পড়ালেখা করে খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছেন, তাহলে আপনার জন্য সেটাই যথেষ্ট।
  • অনেকেই একই বিষয়ের ওপর অনেকগুলো বই কিনেছেন, কিন্তু দিন শেষে কোনোটাই ঠিকমতো রপ্ত করতে পারলেন না। এতে করে লাভের চেয়ে ক্ষতির শঙ্কাই কিন্তু বেশি থাকে। কোনো বিষয়ের ওপর মানসম্মত একটি বা দুটি বইই যথেষ্ট।
  • এসএসসি পরীক্ষার্থীরা আপনাদের সময় খুবই কম, পড়ার টেবিলে আজ থেকে ‘দিন গণনা’ শুরু করতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনার কাঙ্ক্ষিত এসএসসি পরীক্ষার ২০ দিন সময় বাকি আছে।
  • একটি সাদা কাগজে সিরিয়াল মতো উল্টো দিক থেকে ২০ থেকে ১ পর্যন্ত লিখে টাঙিয়ে রাখুন এবং প্রতিদিন একটি করে দিন কাটুন। এক দিন করে যখন কমতে থাকবে, আপনি আরও বেশি করে পড়ার তাগিদ অনুভব করবেন। দেখবেন, এই কাজ আপনাকে পড়ালেখার দিকে সব সময় আকর্ষিত করবে।

এসএসসি প্রস্তুতি ২০২০ জীববিজ্ঞান

সুনির্মল চন্দ্র বসু সহকারী অধ্যাপক, মুজিব ডিগ্রি কলেজ, কাদেরনগর, সখীপুর, টাঙ্গাইল

সুপ্রিয় ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার শিক্ষার্থী বন্ধুরা, জীববিজ্ঞান বিষয়ের ‘চতুর্থ অধ্যায় : জীবনী শক্তি ’ থেকে একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন ও তার উত্তর নিয়ে আলোচনা করা হলো। উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

জীববিজ্ঞান চতুর্থ অধ্যায়- জীবনী শক্তি

দশম শ্রেণীর ছাত্রী বিপাশা গাজর খেতে পছন্দ করে। গাজরে গুøকোজ থাকায় এটা তার কাজ করার শক্তি জোগায়। তার ছোট বোন তাকে প্রশ্ন করে, গাছ বড় হওয়ার জন্য শক্তি কিভাবে পায়? সে তার বোনকে জানায়, গাছও শ্বসনপ্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ থেকে শক্তি পায়।

ক. ফটোলাইসিস কী?
খ. ঈ৪ উদ্ভিদ বলতে কী বুঝায়?
গ. বিপাশার গৃহীত খাদ্য উপাদানের ২ অণু থেকে ক্রেবস চক্রে কী পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয় ছকের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উক্ত প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হলে উদ্ভিদের মধ্যে কী প্রভাব ফেলবে তা বিশ্লেষণ করো।

উত্তর
ক. সূর্যালোক ও ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি বিয়োজিত হয়ে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন ও ইলেকট্রন উৎপন্ন হয়। এ প্রক্রিয়াকে ফটোলাইসিস বলে।

খ. হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ হলো ৪ কার্বনবিশিষ্ট অক্সালো এসিটিক এসিড। যেসব উদ্ভিদে ঈ৪ চক্র দেখা যায় তাদেরকে ঈ৪ উদ্ভিদ বলে।

গ. বিপাশার গৃহীত খাদ্য উপাদান ছিল গাজর। গাজরে বিদ্যমান ১ অণু গ্লুকোজ থেকে ক্রেবস চক্রের শক্তি নি¤œরূপÑ=২৪ অঞচ ,১ অণু ঘঅউঐ+ঐ+= ৩ অণু অঞচ, ১ অণু ঋঅউঐ২ = ২ অণু অঞচ, ১ অণু এঞচ = ১ অণু অঞচ, গাজরে বিদ্যমান ২ অণু গ্লুকোজ থেকে ক্রেবস চক্রে ৪৮ অণু অঞচ উৎপন্ন হয়।

ঘ. উদ্দীপকে আলোচিত প্রক্রিয়াটি শ্বসনপ্রক্রিয়া। উদ্ভিদের জন্য শ্বসন প্রক্রিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। উক্ত প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হলে উদ্ভিদের মধ্যে যে বিরূপ প্রভাবের সৃষ্টি হয় তা নিচে আলোচনা করা হলোÑ

শ্বসনপ্রক্রিয়ায় উৎপন্ন শক্তি দিয়ে উদ্ভিদের সব ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া ও কাজকর্ম পরিচালিত হয়। শ্বসনে নির্গত ঈঙ২ উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য শর্করা উৎপন্নের জন্য সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। এ প্রক্রিয়া উদ্ভিদে খনিজ লবণ পরিশোষণে সাহায্য করে, যা পরোক্ষভাবে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও অন্যান্য জৈবিক প্রক্রিয়া চালু রাখে।

SSC exam Preparation 2020 English – দেখে নিতে পারেন

উদ্ভিদ কোষ বিভাজনের প্রয়োজনীয় শক্তি ও কিছু আনুষঙ্গিক পদার্থ শ্বসনপ্রক্রিয়া থেকে আসে। তাই এ প্রক্রিয়া উদ্ভিদের দৈহিক বৃদ্ধিও নিয়ন্ত্রণ করে। এ প্রক্রিয়া বিভিন্ন উপক্ষার ও জৈব এসিড সৃষ্টিতে সহায়তা করার মাধ্যমে জীবনের অন্যান্য জৈবিক কাজেও সহায়তা করে। শ্বসন প্রক্রিয়ার মূল উৎস শক্তি।

এ শক্তি দিয়ে উদ্ভিদের সব ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া ও কাজকর্ম পরিচালিত হয়। উক্ত প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হলে শক্তি উৎপন্ন বন্ধ হয়ে উদ্ভিদের সব ধরনের ক্রিয়া-বিক্রিয়া কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাবে।

শ্বসনে নির্গত ঈঙ২ তৈরিতে বাধা প্রদান করবে, উদ্ভিদের প্রধান খাদ্য শর্করা উৎপাদন ব্যাহত হবে এবং শর্করা উৎপন্নের জন্য যে সালোকসংশ্লেষণ ব্যবহৃত হয় তাতেও বাধা প্রদান করবে। শ্বসনপ্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত হলে উদ্ভিদ খনিজ লবণ পরিশোষণে বাধাগ্রস্ত হবে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও অন্যান্য জৈবিক প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে উদ্ভিদ মারা যাবে।


এসএসসি প্রস্তুতি ২০২০ জীববিজ্ঞান

ফারহানা রহমান, সহকারী শিক্ষক, ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল, খিলগাঁও, ঢাকা

সৃজনশীল প্রশ্ন-

ষষ্ঠ অধ্যায় : জীবে পরিবহন

উদ্দীপক

আরিফ সাহেব হঠাৎ বুকে অসহনীয় ব্যথা অনুভব করেন এবং প্রচণ্ডভাবে ঘামতে থাকেন। তাঁর মনে হচ্ছিল, ব্যথা গলা ও বাঁ হাতে ছড়িয়ে যাচ্ছে। এরপর আরিফ সাহেব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেন। চিকিৎসক তাঁকে কিছু পরামর্শ দিলেন।

ক) ব্যাপন কী?

ক) রক্তচাপ বলতে কী বোঝো?

গ) আরিফের সমস্যাটি কী? এর কারণ ব্যাখ্যা করো।

ঘ) হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য চিকিৎসকের দেওয়া পরামর্শগুলো মূল্যায়ন করো।

উত্তর

ক) যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো দ্রব্যের অণু বেশি ঘনত্বের এলাকা থেকে কম ঘনত্বের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে, তাকে ব্যাপন বলে।

খ) রক্ত প্রবাহের সময় ধমনির প্রাচীরে যে চাপের সৃষ্টি হয় তাকে রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার বলে। রক্তচাপকে দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা—

i. সিস্টোলিক প্রেসার : এর আদর্শ মান ১২০ মিলিমিটার বা এর নিচে।

ii. ডায়াস্টোলিক প্রেসার : এর আদর্শ মান ৮০ মিলিমিটার বা এর নিচে।

গ) উদ্দীপকে আলোচিত আরিফ সাহেবের সমস্যাটি হলো—হার্ট অ্যাটাক। নিচে হার্ট অ্যাটাকের কারণ ব্যাখ্যা করা হলো—

আরিফ সাহেবের হার্ট অ্যাটাক বিভিন্ন কারণে হতে পারে। তার মধ্যে দেহের ওজন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া, রক্তে গ্লুুকোজের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস.

যেমন—অধিক তেলযুক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড খাওয়া, অলস ইত্যাদি জীবনযাপন এবং শারীরিক পরিশ্রম না করার ফলে আরিফ সাহেবের এ রোগ হয়। এ ছাড়া আরিফ সাহেবের উচ্চ রক্তচাপ, সর্বদা হতাশা, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ও বিমর্ষ থাকার কারণেও এ রোগ হতে পারে।

ঘ) উদ্দীপকে আরিফ সাহেবের রোগটি হলো হার্ট অ্যাটাক। হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য চিকিৎসক আরিফ সাহেবকে ধূমপান না করা, নিয়মিত ব্যায়াম করা ও হাঁটা, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করা, সবজি খাওয়া, ভাজা খাবার ও ফাস্ট ফুড পরিহার করার পরামর্শ দেন। তাঁর এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধগুলো নিয়মিত খেতে হবে।

পাশাপাশি সঠিক জীবনধারা ও খাদ্য নির্বাচন করতে হবে। তাঁকে চর্বিযুক্ত খাবার যেমন—ফাস্ট ফুড, খাসির মাংস, ভাজা খাবার, মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে; যাতে তাঁর শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল LDL বেড়ে গিয়ে উচ্চ রক্তচাপ সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষতি না হয়। সিগারেট, জর্দাসহ নানা রকম মাদক ও নেশাজাতীয় বস্তু হৃৎপিণ্ডের মারাত্মক ক্ষতি করে।

তাঁকে প্রতিদিন পরিমিত ব্যায়াম ও হাঁটা-চলার অভ্যাস করতে হবে। তাহলে তাঁর শরীরে অতিরিক্ত চর্বি পরিশ্রমের ফলে কমে যাবে এবং রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

তবে সব সময় দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে হবে এবং কোনো কাজে ব্যর্থ হলে হতাশ হওয়া যাবে না। তাঁকে কাঁচা ফল ও শাকসবজি বেশি বেশি খেতে হবে। যেমন—রসুন, তেঁতুল ও ভিটামিন ‘সি’সমৃদ্ধ ফল। সুতরাং হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ যথার্থ ছিল।


সপ্তম অধ্যায় : গ্যাসীয় বিনিময়

উদ্দীপক

জারিফের দাদির অনেক দিন ধরে খুসখুসে কাশি এবং প্রতিদিন বিকেলের দিকে জ্বর আসে। ক্রমেই শুকিয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছেন। ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে তিনি বলেন, সহজে এ রোগ প্রকাশ পায় না। জীবাণুগুলো শ্বেত রক্ত কণিকাকে পরাস্ত করে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ।

ক) ব্রংকাল কাকে বলে?

খ) রাত্রিবেলা গাছের নিচে ঘুমানো বিপজ্জনক কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ) জারিফের দাদির রোগ, রোগের কারণ ও লক্ষণগুলো উল্লেখ করো।

ঘ) ওই রোগের জন্য দায়ী জীবাণুকে কিভাবে প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সমাজে এ রোগ নির্মূল করা যায়? সে ক্ষেত্রে তোমার ভূমিকা উল্লেখ করো।

উত্তর :

ক) শ্বাসনালির শেষ অংশ দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যে শাখা নালি গঠন করে, তাদের ব্রংকাস বলে।

খ) রাতের বেলা সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ থাকে, তাই অক্সিজেন গ্যাস উৎপন্ন হয় না। অন্যদিকে দিবা-রাত্রি ২৪ ঘণ্টা শ্বসনপ্রক্রিয়া সংঘটিত হয়। ফলে শ্বসনপ্রক্রিয়ায় কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাসের উৎপাদন চলতে থাকে।

এ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস পাতার স্টোমাটার মাধ্যমে পরিবেশে বের হয়ে যায়। পরিণত কাণ্ডের বাকলে যে লেন্টিসেল তৈরি হয় তার মাধ্যমেও এসব গ্যাসের বিনিময় হয়। এ জন্য বড় গাছের নিচে রাতে ঘুমালে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে।

গ) জারিফের দাদি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। যক্ষ্মা একটি পরিচিত বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। Mycobacterium tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে এ রোগ হয়।

লক্ষণ

  • দীর্ঘদিন ধরে খুসখুসে কাশি ও বুকে ব্যথা হয়।
  • ভগ্ন স্বর, ওজন হ্রাস এবং ক্ষুধামান্দ্য।
  • হাঁপানি, ঘন ঘন জ্বর আসা।
  • বারবার ব্রংকাইটিস বা নিউমোনিয়া দ্বারা সংক্রামিত হওয়া।
  • হাড়ে ব্যথা অনুভব, দুর্বলতা, কোনো গ্রন্থি অবশ হয়ে যাওয়া, জন্ডিস দেখা দেওয়া।

ঘ) উদ্দীপকের রোগটি হলো যক্ষ্মা। সমাজ থেকে যক্ষ্মা বিতাড়িত করতে নিম্নলিখিত প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে রোগটি নির্মূলে কাজ করতে গেলে তা ব্যক্তিপর্যায় থেকে শুরু করতে হবে।

প্রতিকার ব্যবস্থা

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করতে হবে।

এ রোগের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি। ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী রোগ নিবারণের নিয়মগুলো কঠিনভাবে মেনে চলতে হবে। এ জন্য পরিবার ও সমাজের সবাইকে সহযোগী হতে হবে।

  • রোগীকে হাসপাতালে বা স্যানোটেরিয়ামে পাঠানো বেশি নিরাপদ।
  • রোগীর ব্যবহারের সব কিছু পৃথক রাখতে হবে।
  • রোগীর কফ বা থুথু মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
  • প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা

এই মারাত্মক রোগের আক্রমণ থেকে রেহাই পেতে গেলে শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিষেধক বিসিজি টিকা দেওয়া উচিত। শিশুদের জন্মের পর থেকে এক বছরের মধ্যে এ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। আর টিকার প্রয়োজনীয়তা টিভি, যোগাযোগমাধ্যম বা মাইকিং ইত্যাদির মাধ্যমে সমাজে সবাইকে অবহিত করতে হবে।

বর্তমানে দেশের সব টিকাদান কেন্দ্রে এ টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। তা ছাড়া নিয়মিত ক্যাম্পেইন করেও আমরা রোগটি নির্মূল করতে পারি।

এসএসসি প্রস্তুতি ২০২০ পোস্টটি পরে উপকৃত হলে এসএসসি প্রস্তুতি যারা নিচ্ছেন তাদের সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন।

Credit Dailynayadiganta

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close