All Exam

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০ – SSC Biology Suggestion 100% Common

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের এসএসসি সাজেশন ২০২০ । এসএসসি এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন  ( SSC Biology Suggestion 100% Common ) পাবেন আশা করি। MCQ  প্রশ্ন গুলো ১০০% এই টাইপ এর হবে। আপনি চাইলে এগুলো দেখে প্রস্তুতি নিতে পারেন।
এসএসসি পরীক্ষার্থীরা শেষ মুহূর্তের এসএসসি সকল বোর্ড সাজেশন ২০২০ ( এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০ ) আপনাদের জন্যই আজকের আমাদের এই কনটেন্টা। আমরা চাই, আপনারা ভালোভাবে এসএসসি পরীক্ষা দেন। আপনারাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ,আপনারাই এ দেশকে উন্নতির শিখরে তুলবেন।

আমরা আজকে-  এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সাজেশন  শেষ প্রস্তুতি ২০২০ হিসেবে দেখাবো। এসএসসি সাজেশন  শেষ প্রস্তুতি হিসেবে লিখেছেন- নয়াদিগন্ত



আমরা এই শেষ প্রস্তুতি শুধু শেয়ার করছি এতে যদি কারও উপকারে আসে তাহলে আমরা গর্বিত।

Suggestion is very important to a student for earn an excellent result in the Examination. That is why every student likes to have a very good suggestion Which can save time in examination.

আমার কথা- আপনারা কখনোই অসৎভাবে এসএসসির পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো করার চেষ্টা করবেন না এতে আপ্নারই ক্ষতি। অনেক অসৎলোক আপনাকে প্রলোভন দেখাবে যে, এসএসসির প্রশ্নপত্র এর বিষয়ে।

কিন্তু সেখানে দেখা যাবে,প্রশ্ন তো দুরের কথা- প্রথমে টাকা হাতিয়ে নিয়ে,প্রলোভন দেখিয়ে আপনার শেষ প্রস্তুতিকে নষ্ট করে দিবে ফলে, আপনার এসএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ার সম্ভবনা থাকবে। সুতরাং আপনার কখনোই অসৎভাবে কিছু করার চেষ্টা করবেন না। প্লীজ কখনোই না।

শেষ সময়ের এসএসসি সাজেশন প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন-

  • এসএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়ালেখার জন্য অনেকেই ‘দৈনন্দিন রুটিন’ করে নেন। রুটিন করার সময় খুব ভালোমতো খেয়াল রাখবেন একটি কথা—আপনি কত ঘণ্টা পড়ালেখা করছেন, তার চেয়েও বড় কথা হলো আপনি ‘কীভাবে’ পড়ালেখা করছেন।
  • এসএসসি পরীক্ষার্থ আপনাকে অনেক বেশি কৌশলী হতে হবে। সারা দিন শুধু বই নিয়ে বসে থাকলেই যে পড়ালেখা ভালো হবে, এমন কিন্তু কোনো কথা নেই। রুটিনে বিশ্রামের জন্যও যথেষ্ট সুযোগ রাখতেই হবে।
  • প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করলেই যে এসএসসি তে ভালো রেজাল্ট করবেন এমনটা না। আপনি প্রতিদিন কত ঘণ্টা করে পড়াশোনা করবেন, তা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে আপনার ব্যক্তিগত সামর্থ্যের ওপর। আপনি যদি অনুভব করেন, সাত থেকে ঘণ্টা পড়ালেখা করে খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছেন, তাহলে আপনার জন্য সেটাই যথেষ্ট।
  • অনেকেই একই বিষয়ের ওপর অনেকগুলো বই কিনেছেন, কিন্তু দিন শেষে কোনোটাই ঠিকমতো রপ্ত করতে পারলেন না। এতে করে লাভের চেয়ে ক্ষতির শঙ্কাই কিন্তু বেশি থাকে। কোনো বিষয়ের ওপর মানসম্মত একটি বা দুটি বইই যথেষ্ট।
  • এসএসসি পরীক্ষার্থীরা আপনাদের সময় খুবই কম, পড়ার টেবিলে আজ থেকে ‘দিন গণনা’ শুরু করতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনার কাঙ্ক্ষিত এসএসসি পরীক্ষার ২০ দিন সময় বাকি আছে।
  • একটি সাদা কাগজে সিরিয়াল মতো উল্টো দিক থেকে ২০ থেকে ১ পর্যন্ত লিখে টাঙিয়ে রাখুন এবং প্রতিদিন একটি করে দিন কাটুন। এক দিন করে যখন কমতে থাকবে, আপনি আরও বেশি করে পড়ার তাগিদ অনুভব করবেন। দেখবেন, এই কাজ আপনাকে পড়ালেখার দিকে সব সময় আকর্ষিত করবে।

Depend Of Content- 

  • ssc all board suggestion 2020 english
  • ssc  dhaka suggestion 2020
  • সকল বোর্ডের  সাজেশন ২০২০
  • এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০
  • ssc biology suggestion 2020 pdf
  • ssc suggestion 2020 pdf
  • ssc model test 2020
  • ssc suggestion 2020
  • all subject ssc biology board question 2020
  • ssc biology question 2020
  • dhaka board ssc suggestion 2020



এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০

একাদশ অধ্যায় : জীবের প্রজনন

  • ক. পরাগথলি কী?
  • খ. অনিয়ত পুষ্পমঞ্জরি বলতে কী বুঝায়? ২
  • গ. চ অংশটি এই ফুলে অনুপস্থিত থাকলে পরাগায়নের ক্ষেত্রে কী ঘটবে? ব্যাখ্যা করো। ৩
  • ঘ. ছ চিহ্নিত অংশটি কিভাবে প্রজাতিকে রক্ষা করে? যুক্তিসহ তোমার মতামত ব্যক্ত করো। ৪

উত্তর :

ক. পুংকেশরের দণ্ডের মতো অংশকে পুংদণ্ড এবং শীর্ষের থলির মতো অংশকে পরাগথলি বলে।

খ. ফুলসহ শাখাকে পুষ্পমঞ্জরি বলে। যে শাখার বৃদ্ধি অসীম হলে তাকে অনিয়ত পুষ্পমঞ্জরি বলে।

গ. চিত্রে চ অংশটি হলো উদ্দীপকের ফুলের পুংস্তবক। যেকোনো উদ্ভিদের পরাগায়নের জন্য পুংস্তবক অত্যাবশ্যকীয় অংশ। পুংস্তবকের প্রতিটি অংশকে পুংকেশর বলে। পুংকেশরের দণ্ডের মতো অংশটি হলো পুংদণ্ড এবং শীর্ষের থলের মতো অংশটি পরাগধানী। তাই এ ফুলে চ চিহ্নিত অংশটি অর্থাৎ পুংস্তবক অনুপস্থিত থাকলে ফুলটির পরাগায়নে যেসব সমস্যা ঘটবে সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো-

  • ১. ফুলটিতে স্বপরাগায়ন ঘটবে না। এ জন্য ফুলটিতে পর-পরাগায়ন ঘটবে।
  • ২. এ ধরনের পরাগায়নে অনেক পরাগরেণু নষ্ট হবে।
  • ৩. এজন্য বাহকের ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে।
  • ৪. পরাগায়ন অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।
  • ৫. নতুন প্রজাতির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বিশুদ্ধতা নষ্ট হবে।

ঘ. চিত্রে ছ চিহ্নিত অংশটি ফুলের গর্ভাশয়, উদ্ভিদের প্রজাতি রক্ষায় এ অংশটির গুরুত্ব অপরিসীম। সাধারণত অধিকাংশ সপুষ্পক উদ্ভিদের যৌন প্রজনন বীজ তৈরির মাধ্যমেই ঘটে থাকে। আর এ বীজ থেকেই উদ্ভিদের নতুন প্রজাতি সৃষ্টির মাধ্যমে বংশ বৃদ্ধি ও প্রজাতি রক্ষার ধারা অব্যাহত থাকে। সাধারণত গর্ভাশয়ের অভ্যন্তরেই বীজের সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, ফুলের পরাগায়নের ফলে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পতিত হয় এবং পরাগরেণু থেকে একটি পরাগনালিকা সৃষ্টি হয়।

নালিকাটি গর্ভদণ্ডের ভেতর দিয়ে ক্রমেই গর্ভাশয়ের দিকে বাড়তে থাকে এবং শেষ পর্যন্ত ডিম্বকের ভ্রƒণথলিতে পৌঁছে। ভ্রƒণথলিতে পৌঁছানোর পর নালিকার অগ্রভাগ ফেটে যায় এবং পুংজনন কোষ দু’টি মুক্ত হয়। একটি পুংজনন কোষ (শুক্রাণু) স্ত্রীজনন কোষের ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে নিষেক সম্পন্ন করে।

নিষেকের ফলে ফুলের গর্ভাশয় ফলে এবং ডিম্বকসমূহ বীজে পরিণত হয়। একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফল পরিপক্ব হওয়ার সাথে সাথে বীজও পরিপক্ব হয়। এই পরিপক্ব বীজই পরবর্তী সময়ে অনুকূল পরিবেশে অঙ্কুরোদগমের মাধ্যমে নতুন প্রজাতির সৃষ্টি করে।

সুতরাং উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, চিত্রের ছ অংশটি অর্থাৎ গর্ভাশয় বীজে সৃষ্টির মাধ্যমেই উদ্ভিদের প্রজাতি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০

অধ্যায় চৌদ্দ : জীবপ্রযুক্তি

১১. ভাইরাস প্রতিরোধী জাত সৃষ্টিতে উপযোগী পদ্ধতি

ক) টিস্যুকালচার খ) প্রাচীন পদ্ধতি
গ) সর্বাধুনিক পদ্ধতি ঘ) কলম তৈরি

১২. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মূল উদ্দেশ্য কী?

ক) নতুন জীব সৃষ্টি
খ) উন্নত বৈশিষ্ট্য সৃষ্টি
গ) নতুন ও উন্নত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীব সৃষ্টি
ঘ) খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি

১৩. উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদানÑ

র. খনিজ পুষ্টি রর. ফাইটোহরমোন
ররর. সুক্রোজ

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) র ও রর খ) ররর গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর

নিচের প্রাপ্ত তথ্য হতে ১৪ ও ১৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দাও।

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজি) মাধ্যমে ইনসুলিন উৎপাদন করা হয়। ইনসুলিনের অভাবে মানবদেহে বিভিন্ন প্রকার রোগ সৃষ্টি হয়।

১৪. ইনসুলিন কী?

ক) অ্যামাইনো এসিড
খ) প্রোটিন হরমোন
গ) লিপিড ঘ) ভিটামিন

১৫. ১৯২১ সালে কুকুরের অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন পৃথক করে ডায়াবেটিস রোগের দিগন্ত উন্মোচন করেন

র. ঈযধৎষবং ঐবৎনবৎঃ ইবংঃ
রর. ঔড়যহ গধপষবড়ফ
ররর. জড়নবৎঃ ঐড়ড়শব

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) র ও রর খ) রর ও ররর
গ) র, রর ও ররর ঘ) র ও ররর

উত্তর : ১১.ক, ১২.গ, ১৩.ঘ, ১৪.খ, ১৫.ক।

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০

অধ্যায় চৌদ্দ : জীবপ্রযুক্তি

১. ইরড়ঃবপযহড়ষড়মু শব্দের প্রবর্তক কে?

ক) গ্রেগর জোহান মেন্ডেল
খ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
গ) কার্ল এরেকি
ঘ) লুই পাস্তুর

২. মেন্ডেল কত সালে জেনেটিক্সের সূত্রসমূহ আবিষ্কার করেন?

ক) ১৮৬০ খ) ১৮৬১
গ) ১৮৬২ ঘ) ১৮৬৩

৩. ডিএনএ ডাবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কৃত হয় কত সালে?

ক) ১৮৫৩ খ) ১৮৬৩
গ) ১৯৫৩ ঘ) ১৯৬৩

৪. টিস্যুকালচারের উদ্দেশ্যে উদ্ভিদের কোন অংশ ব্যবহার করা হয়?

ক) পত্রাংশ খ) নতুন কুঁড়ি
গ) টেক্সপ্লান্ট ঘ) এক্সপ্লান্ট

৫. জীবপ্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়

র. অণুজীব রর. টিস্যু ররর. অ্যাগার

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) র ও রর খ) র ও ররর
গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর

৬. টিস্যুকালচারে অত্যাবশ্যকীয়

র. জীবাণুমুক্ত মিডিয়াম
রর. পুষ্টিসমৃদ্ধ মিডিয়াম
ররর. পানিপূর্ণ মিডিয়াম

নিচের কোনটি সঠিক?

ক) র ও রর খ) র ও ররর
গ) রর ও ররর ঘ) র, রর ও ররর

৭. আবাদ মাধ্যমকে কোন যন্ত্রে রেখে জীবাণুমুক্ত করা হয়?

ক) অটোক্লেভ
খ) সেন্ট্রিফিউগাল
গ) স্পেকটোফটোমিটার
ঘ) থার্মোফ্লাক্স

৮. উঘঅ অণুকে ছেদন করার জন্য নিচের কোনটি প্রয়োজন?

ক) লাইপেজ এনজাইম
খ) লাইগেজ এনজাইম
গ) স্টারটেজ এনজাইম
ঘ) রেস্ট্রিকশন এনজাইম

৯. কোনটির আক্রমণে আলুর লেট ব্লাইট রোগ হয়?

ক) ভাইরাস খ) ছত্রাক
গ) ব্যাকটেরিয়া
ঘ) প্রোটোজোয়া

১০. ভেড়ার পশমের পরিমাণ ও গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য ব্যাকটেরিয়ার কয়টি জিন ভেড়ার জিনোমে স্থানান্তর করা হয়েছে?

ক) ১ খ) ২ গ) ৩ ঘ) ৪

উত্তর : ১. গ, ২.ঘ, ৩.গ, ৪.ঘ, ৫.ঘ, ৬.ক, ৭.ক, ৮.ঘ, ৯.খ, ১০.খ।

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০

দশম অধ্যায় : সমন্বয়

নিচের চিত্রটি লক্ষ করে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

  • ক. প্রতিবর্তী ক্রিয়া কী? ১
  • খ. প্রাণরস কাকে বলে বুঝিয়ে লিখ। ২
  • গ. মানবদেহে উদ্দীপনা তৈরিতে ‘অ’ চিহ্নিত অংশটির ভূমিকা ব্যাখ্যা করো। ৩
  • ঘ. উক্ত কোষটির গঠন প্রকৃতি একটি সাধারণ কোষ অপেক্ষা ভিন্নতর যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো। ৪

উত্তর- 

ক. যেসব উদ্দীপনার প্রতিক্রিয়া মস্তিষ্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত না হয়ে সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে প্রতিবর্তী ক্রিয়া বলে।

খ. নালিবিহীন গ্রন্থি নিঃসৃত রসকে প্রাণরস বলে। রক্তের মাধ্যমে প্রাণরস বা হরমোন বিভিন্ন স্থানে যায়।

গ. চিত্রের অ চিহ্নিত অংশ হলো নিউরন। দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও তন্ত্রের কাজের সমন্বয় সাধনে এ নিউরনের ভূমিকা অসামান্য। নিউরন বা স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা বা স্নায়ুতাড়না গ্রহণ করতে পারে এবং দেহের অভ্যন্তরে তা পরিবহন করতে পারে। একটি নিউরন প্রধানত তিনটি অংশ যথা- কোষদেহ, ডেনড্রাইট ও অ্যাক্সন নিয়ে গঠিত।

এভাবে অসংখ্য নিউরনের সমন্বয়ে গঠিত স্নায়ুতন্ত্র। পরপর দু’টি নিউরনের প্রথমটার অ্যাক্সন এবং পরেরটার ডেনড্রাইটের মধ্যে একটি স্নায়ুসন্ধি গঠিত হয়। প্রথম নিউরনের অ্যাক্সন গৃহীত উদ্দীপনা মূলত সিনাপসের মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় নিউরনের ডেনড্রাইটে প্রেরণ করে। এভাবে সিনাপসের মধ্য দিয়ে এক নিউরন থেকে অন্য নিউরনে উদ্দীপনা প্রেরণ করা হয়, যা ক্রমান্বয়ে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে পৌঁছে।

ফলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র উদ্দীপনা গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে পারে। অর্থাৎ সিনাপসের মধ্য দিয়েই একটা নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা-পরবর্তী নিউরনে প্রবাহিত হয়। সুতরাং বলা যাচ্ছে যে, উদ্দীপনা গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করতে নিউরনের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

ঘ. উদ্দীপকে প্রদর্শিত কোষটি হলো নিউরন বা স্নায়ুকোষ। একটি সাধারণ কোষ থেকে এ কোষটির গঠন ভিন্নতর। নিচে এর সপক্ষে যুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো-

  • ১. দেহকোষ সাধারণত গোলাকার, সর্পিলাকার, চ্যাপ্টা প্রভৃতি আকৃতির হতে পারে। কিন্তু স্নায়ুকোষ লম্বাটে অনেকটা সুতার মতো।
  • ২. দেহকোষে সাধারণত সাইটোপ্লাজম প্লাজমামেমব্রেন দ্বারা আবৃত; কিন্তু স্নায়ুকোষে সাইটোপ্লাজম দীর্ঘ তন্তু গঠন করে।
  • ৩. দেহকোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বডি বিভিন্ন ধরনের অঙ্গাণু থাকে; কিন্তু স্নায়ুকোষের সাইটোপ্লাজমে কোনো অঙ্গাণু থাকে না।
  • ৪. দেহকোষ বিভাজিত হয়; কিন্তু স্নায়ুকোষ বিভাজিত হয় না।

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০

দশম অধ্যায় : সমন্বয়

নিচের অনুচ্ছেদটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

অহনা বাবার সাথে কৃষি খামারে ঘুরতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের গাছ পর্যবেক্ষণ করে। সে দেখল একটি ঘরে আলো জ্বালিয়ে ছোট ছোট চারাগাছ রাখা আছে এবং ঘরটি বেশ ঠাণ্ডা। সে আরো দেখল, কিছু ফলজগাছের ফুল ফুটছে না, ছোট অবস্থায় ফলগুলো ঝরে পড়ছে।

  • ক. বায়োলজিক্যাল ক্লক কী? ১
  • খ. ভার্নালাইজেশন বলতে কী বোঝায়? ২
  • গ. উদ্দীপকে ফলজগাছগুলোতে এরূপ সমস্যার কারণ ব্যাখ্যা করো। ৩
  • ঘ. অহনার দেখা গাছগুলো উক্ত পরিবেশে রাখার কারণ বিশ্লেষণ করো। ৪

উত্তর :

ক. উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলে।

খ. শৈত্য প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণকে ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে। এতে রাশিয়ার দ্বিবার্ষিক গমকে বর্ষজীবী গমে পরিণত করা হয়েছে।

গ. উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও ফুল, ফল ধারণের বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করে আবহাওয়া, পরিবেশ এবং শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার ওপর। এ বিষয়গুলো সঠিক না থাকলে উদ্ভিদের নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেবে। অহনার দেখা কৃষি খামারের উদ্ভিদগুলোরও এ রকম সমস্যা হয়েছিল। খামারের ফলজগাছগুলো বড় দিনের উদ্ভিদ। কিন্তু তাদের ছোট দিনে লাগানো হয়েছিল।

ফলে গাছগুলো যথাযথভাবে আলো পাচ্ছিল না এবং ফুল ফুটতে দেরি হচ্ছিল। তা ছাড়া গাছগুলোতে ফুল ফোটার জন্য দায়ী হরমোন ফ্লোরিজেন ও ভার্নালিনের অভাব ছিল। তাই গাছগুলোতে ফুল ফোটেনি।
খামারের ফলজগাছগুলোতে আরেকটি সমস্যা দেখা গেছে। কিছু ফলজগাছের ফল ঝরে পড়ছে। এ সমস্যাটিও উদ্ভিদের দেহে অবস্থিত হরমোনের প্রভাবে হচ্ছিল।

উদ্ভিদে কিছু হরমোন আছে যা ফুল, ফল, পাতা প্রভৃতি ঝরে পড়তে সাহায্য করে। সাধারণ কচি ফলের বোঁটায় এ হরমোনগুলো বেশি উৎপন্ন হয়। কচি ফল ঝরে পড়ে ইথিলিন ও অ্যাবসিসিক এসিড নামে হরমোনের কারণে। খামারের ফলজগাছগুলোতেও এ হরমোনগুলো কাজ করছিল বলেই ছোট ফলগুলো ঝরে পড়ছিল।

ঘ. আমরা জানি, উদ্ভিদের ফুল ফোটা ও ফল হওয়ার ওপর দিবালোকের দৈর্ঘ্যরে প্রভাব রয়েছে। বড় দিনের উদ্ভিদে অতিরিক্ত আলোর ব্যবস্থা করে ফুল ধারণের সময়কে এগিয়ে আনা যায়। এ আলো উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ এবং শাখা-প্রশাখা তৈরিতে ভূমিকা রেখে ফুল ও ফল ধারণ ত্বরান্বিত করে।

ফলে ফলন তাড়াতাড়ি পাওয়া যায়। খামারের চাষিরাও এ কারণে চারাগাছগুলোতে অধিক আলোর ব্যবস্থা করেছিলেন যেন গাছগুলো তাড়াতাড়ি ফুল ও ফল ধারণ করে। অন্য দিকে উদ্ভিদের ওপর তাপ ও শৈত্যের প্রভাবকে ভার্নালাইজেশন বলে। অঙ্কুরিত বীজ অথবা ছোট চারাগাছকে শৈত্য প্রদান করলে তার ফুল ও ফল ধারণ ত্বরান্বিত হয়।

ভার্নালাইজেশন প্রক্রিয়া উদ্ভিদ ভ্রƒণের অগ্রভাগে ভার্নালিন নামক এক প্রকার পুষ্প উদ্ভিদ হরমোন তৈরি করে ফুল ও ফল ধারণকে বেগবান করে।

সুতরাং অহনার দেখা কৃষি খামারে গাছগুলো উক্ত পরিবেশে রাখার কারণ ছিল অধিক ও আগাম ফল ধারণের মাধ্যমে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হওয়া।

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০

একাদশ অধ্যায় : জীবের প্রজনন

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

১২ বছরের হৃদয় ছোটবেলা থেকে সুরেলা কণ্ঠে গান গায়। ইদানীং কিছু দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের পাশাপাশি তার গলার স্বর মোটা হয়ে গেছে। তাই তার মা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তিনি বললেন এ সময়ে শিশুদের মধ্যে এরূপ পরিবর্তন ঘটাই স্বাভাবিক।

  • ক. অমরা কী? ১
  • খ. অওউঝ-কে ঘাতক রোগ বলা হয় কেন? ২
  • গ. হৃদয়ের ওই সময়ের ঘটনাগুলো ঘটার কারণ ব্যাখ্যা করো। ৩
  • ঘ. হৃদয়ের ওই সময়ে পরিবারের বড়দের তার প্রতি করণীয় ভূমিকাগুলো ব্যাখ্যা করো। ৪

উত্তর

ক. যে বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে মাতৃজরায়ুতে ক্রমবর্ধমান ভ্রƒণ এবং মাতৃজরায়ু টিস্যুর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপিত হয় তাকে অমরা বলে।

খ. অওউঝ হলো অপয়রৎবফ ওসসঁহব উবভরপরবহপু ঝুহফৎড়সব. ঐওঠ-এর জন্য এ রোগ হয়। এই ভাইরাস শ্বেতরক্তকণিকার ক্ষতি করে। এতে অ্যান্টিবডি তৈরিতে বিঘœ হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে রোগী মারা যায়। এ জন্য অওউঝ-কে ঘাতক রোগ বলে।

গ. হৃদয়ের বয়স ১২ বছর। তার দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণ হলো বয়ঃসন্ধি। শিশু জন্মগ্রহণের সময় তার প্রজননতন্ত্র অপরিণত অবস্থায় থাকে। ধীরে ধীরে দৈহিক বৃদ্ধির সময় প্রজননতন্ত্রের অঙ্গসমূহের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটে। এ সময় হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন- থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত থাইরক্সিন হরমোন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি, যৌন লক্ষণ প্রকাশ পায়।

শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন শুক্রাণু উৎপাদন, দাড়ি-গোঁফ গজানো, গলার স্বর বদলানো ইত্যাদি যৌন লক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। শিশু বাল্যকাল অতিক্রম করে কৈশোর ও তারুণ্যে উপনীত হয়।
এ সময়টি হলো বয়ঃসন্ধিকাল।

ছেলেদের ক্ষেত্রে ১২-১৫ বছর বয়সে বয়ঃসন্ধি হয়। এ সময় ছেলেদের দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন হয়। ছেলেদের গোঁফ-দাড়ি গজায়, গলার স্বর পরিবর্তন হয় ও কাঁধ চওড়া হয়। হৃদয়ের ক্ষেত্রেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তার সুরেলা কণ্ঠ মোটা হয়ে গেছে। তা ছাড়া তার দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তন ঘটেছে। তাই আমরা বলতে পারি, হৃদয়ের এই পরিবর্তনের কারণ বয়ঃসন্ধি।

ঘ. হৃদয়ের দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণ হলে বয়ঃসন্ধি। বয়ঃসন্ধি মানবজীবনের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। শিশু যখন কৈশোর বা তারুণ্যে পৌঁছায় অর্থাৎ ১২-১৫ বছর বয়সের মধ্যে বয়ঃসন্ধি ঘটে।

বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের মানসিক ও দৈহিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য পরিবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিচে হৃদয়ের জন্য পরিবারের বড়দের করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।
হৃদয়ের জন্য পরিবারের বড়দের করণীয় :

  • ১. পরিবারের বড়রা হৃদয়কে বয়ঃসন্ধিকালের দৈহিক ও মানসিক পরিবর্তনের বিষয়টি সহজভাবে বুঝিয়ে বলবেন। ২. পরিবারের বড়রা হৃদয়কে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থেকে রোগব্যাধি থেকে মুক্ত থাকার উপায়গুলো বুঝিয়ে দেবেন।
  • ৩. বয়ঃসন্ধিকালীন বিষয়টি হৃদয়কে বুঝিয়ে বলে তার সঙ্কোচবোধ ও একা থাকার প্রবণতা দূর করবেন।
  • ৪. পরিবারের সদস্যরা হৃদয়ের সাথে বন্ধুসুলভ এবং সহানুভূতিশীল আচরণ করে তার মানসিক পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করবেন।
  • ৫. পরিবারের বড়রা হৃদয়কে ভালো গল্পের বই পড়া, খেলাধুলা করা, সহপাঠীদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে মনের প্রফুল্লতা আনতে সাহায্য করবেন।

উপরিউক্ত বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ রেখে পরিবারের সদস্যরা বা বড়রা হৃদয়কে বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা থেকে বের করে আনতে পারেন।

এসএসসি জীববিজ্ঞান সাজেশন ২০২০ ( SSC Biology Suggestion 100% Common )   পোস্টটি পরে উপকৃত হলে এসএসসি প্রস্তুতি যারা নিচ্ছেন তাদের সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন।

Credit– নয়াদিগন্ত 

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close