Uncategorized

এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০ – Learn Seo For Beginners Fully Guide 2020

এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০  এ  আমরা আলোচনা করবো-  আপনি কিভাবে এসইও তে এক্সপার্ট হবেন। ( Learn Seo For Beginners Fully Guide 2020  ) এসইও কিভাবে করে ও এসইও নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে , তাহলে চলুন শুরু করা যাক-

গুগল অনুসন্ধানের মাধ্যমে আপনাকে খুঁজে পেতে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (এসইও) আপনার অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে থাকা দরকার।যদি কেউ আপনাকে না পায় তবে আপনি আপনার ওয়েবসাইটে ভালো ট্র্যাফিক তৈরি করতে পারবেন না এবং ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করতে পারবেন না। তাই আমাদের আজকের কন্টেন্টটি এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০ পড়ে এসইও তে এক্সপার্ট হতে পারেন।

গুগলে শীর্ষে যে ফলাফলটি প্রকাশিত হয়,সেখানে ক্লিক করার ৩৩% সুযোগ রয়েছে। এর অর্থ আপনি যদি পৃষ্ঠায় এক নম্বরে না থেকে থাকেন, তবে আপনি সম্ভাব্য ট্র্যাফিকের এক তৃতীয়াংশ মিস করেছেন। আরও অবাক করা বিষয় হলো যে, ৭৫% লোক অনুসন্ধান এর পর অনুসন্ধান ফলাফলের দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ক্লিক করবে না।

Table Of Content-

  • এসইও ( Seo ) কী
  • এসইও এর ইতিহাস
  • এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  • এসইও কয় প্রকার
  • হোয়াইট হ্যাট বনাম ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
  • সার্চ ইঞ্জিন কী?
  • কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে?
  • সার্চ ইঞ্জিনের শাস্তি (পেনাল্টি) থেকে রক্ষা করবেন যেভাবে ?
  • সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্সিং কী?
  • সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কিং
  • রোবটস ডট টিএক্সটি ফাইল
  • গুগল বট কীভাবে robots.txt ফাইলকে অনুসরণ করে
  • এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল

এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০ – Learn Seo For Beginners Fully Guide 2020

এসইও কী

ইংরেজি শব্দ এসইও (SEO) এর সম্পূর্ণ রূপ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (search engine optimization) যা সার্চ ইঞ্জিনের কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত নিয়ম/পদ্ধতি বা মেথড। যে সকল নিয়মগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে দেখাতে পারবেন।

সহজভাবে বলতে গেলে, মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের কিছু নিয়মকানুন যা অনুসরণ বা প্রয়োগ করা হলে সার্চ ইঞ্জিন কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং র‌্যাঙ্ক করে থাকে। বর্তমান প্রতিযোগিতার বিশ্বে এসইও ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব। সাধারণত এসইও ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কই করে না।

এসইও এর ইতিহাস

১৯৯১ সালে ৬ই আগস্ট টিম বার্নাস লির হাত ধরে প্রথম ওয়েবপেজ প্রকাশ করা হয়। এর কয়েক বছর পর ১৯৯৭ সালে প্রথম অফিশিয়ালি এসইও-এর যাত্রা শুরু হলেও ২০০১ সাল থেকে এসইও-এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে।

জেরি ইয়াং এবং ডেভিড ফিলো ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিন প্রতিষ্ঠাতা করেন। তার পাশাপাশি তারা ইয়াহু ডিরেক্টরি তৈরি করেন।

১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিনের হাত ধরে গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং প্রধান। ইন্টারনেটে গুগল মোট সার্চের ৯০% এর চেয়েও বেশি গ্রাহক পেয়ে থাকে এবং এর পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন জনপ্রিয় পণ্য ও সেবা রয়েছে।

১৯৯৮ সালে গোটো ডটকম (Goto.com) স্পনসর লিংক এবং পেইড সার্চ চালু করে। যেখানে অরগানিক রেজাল্টে প্রথমে থাকার জন্য পেইড করার প্রয়োজন হতো। গোটো মূলত ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিনের সমর্থন নিয়ে কাজ করেছিল।
তারপর থেকে এ পর্যন্ত সার্চ ইঞ্জিনগুলো বিভিন্ন অ্যালগরিদম আপডেটের মাধ্যমে আজকের এ জায়গায় এসেছে। প্রতিযোগিতার দিক দিয়ে গুগল বর্তমানে সবার সেরা এবং মানসম্পন্ন সার্চ ইঞ্জিন।

Read More- ওয়েবসাইটে এসইও র‌্যাঙ্কিং উন্নত করার ১৩ টি উপায়,দেখে নিন! – Click ME

এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ?

সার্চ ইঞ্জিন তৈরি হয়েছে মূলত ইউজারদের অনুসন্ধানের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য আর এসইও (SEO) সেই তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলে। এসইও এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সার্চ ইঞ্জিনে ইউজাররা কী তথ্য খুঁজছে, কী ধরনের সমস্যার সমাধান চাচ্ছে, কী ধরনের শব্দ বা কিওয়ার্ড ব্যবহার করছে এবং কী ধরনের কনটেন্ট তারা চায়। এসইও এর মাধ্যমে আমরা সহজেই ইউজারদের এ সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারি।

  এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০

আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে ( Seo )সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের (এসইও) কাজ বেশ জনপ্রিয়। এসইও মূলত সার্চ ইঞ্জিনের কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত নিয়ম/পদ্ধতি বা মেথড।

এসইও (SEO) অনুশীলনের/প্রয়োগের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের গুণগত মান ও ইউজার বৃদ্ধি পেয়ে থাকে, পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে অরগানিক ফলের মাধ্যমে কোম্পানির ব্র্যান্ডিং হয়ে থাকে।

ওয়েবসাইটে ট্রাফিক/ইউজার জেনারেট করার জন্য যদিও পেইড অ্যাডভারটাইজিং, সোশ্যাল মিডিয়া ‍এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো রয়েছে। তারপরও বেশির ভাগ ইউজার ওয়েবসাইটে আসে সার্চ ইঞ্জিন থেকে।

সার্চ ইঞ্জিন তার রেজাল্ট পেজে বিভিন্ন ডিজিটাল ফিচার ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্যবহুল উত্তর দেখায়, যা পেইড অ্যাডভারটাইজিংয়ের তুলনায় অধিক পরিমাণ ক্লিক জেনারেট করে। উদাহরণস্বরূপ, শুধু যুক্তরাষ্ট্রে সব ক্লিকের মাত্র ২.৮% আসে টাকা দিয়ে দেওয়া বিজ্ঞাপন বা পেইড অ্যাডভারটাইজিং থেকে।

এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০

এসইও একমাত্র অনলাইন মার্কেটিং চ্যানেল যেখানে সঠিকভাবে সেটআপ করা কাজ থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয় হতে বা রেভিনিউ জেনারেট হতে থাকে। আপনি যদি সাইটে তথ্যসমৃদ্ধ ও ব্যবহারবান্ধব কনটেন্ট দিতে পারেন এবং তা সার্চ ইঞ্জিনে সঠিক কি-ওয়ার্ডে র‍্যাঙ্কিং করে। তবে আপনার সাইটে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ক্রমাগত ইউজার আসতে থাকবে। পেড অ্যাডভারটাইজিংয়ে প্রচুর অর্থ খরচ করেও আপনি যা পাবেন না।

বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিনগুলো যদিও অনেক স্মার্ট, কিন্তু সঠিক সার্চ কনটেন্ট দেখানোর জন্য তারপরও আপনার সহযোগিতা দরকার। অপটিমাইজ করার মাধ্যমে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনকে তথ্যসমৃদ্ধ ও ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট দেবে। যাতে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের কনটেন্ট ক্রলিং, ইনডেক্সিং এবং র‍্যাঙ্কিং করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে দেখাতে পারে।

Read More- অনলাইন সার্চে শীর্ষ স্থান পেতে ওয়েবসাইটের অনপেজ এসইও 

এসইও কয় প্রকার

এসইও ২ প্রকার-

  • Paid SEO : যে এসইও এর কারণে প্রতি ক্লিকের / ভিজিটরের বিনিময়ে গুগলকে টাকা পরিশোধ করতে হয়। এই এসই ( Seo ) ও এর ফলে সা্ইড খুব তাড়াতাড়ি সাইড গুগল সার্চের প্রথমে চলে আষে।
  • Organic SEO : যে এসইও এর কারণে প্রতি ক্লিকের / ভিজিটরের বিনিময়ে গুগলকে টাকা পরিশোধ করতে করতে হয় না।

Organic SEO : আবার দুই প্রকার যথা-

  • On Page Optimization
  • Off Page Optimization.

এসইও কয় ধরনের-

হোয়াইট হ্যাট

হোয়াইট হ্যাট এসইও বলতে সার্চ ইঞ্জিনের সব নিয়ম মেনে পরিচ্ছন্ন ও সম্পূর্ণ বৈধভাবে একটি ওয়েবসাইটকে প্রথম পেজে নিয়ে আসার চেষ্টা করাকে বোঝায়। সব সময় অবশ্যই হোয়াইট হ্যাট এসইওর চর্চা করা উচিত।

ব্ল্যাক হ্যাট

অন্যদিকে, বিভিন্ন স্প্যামিং বা প্রতারণার মাধ্যমে এসইও করার চেষ্টা করাকে ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বলে। ব্ল্যাক হ্যাট এসইওর চর্চা করলে ওয়েবসাইট ব্ল্যাক লিস্টেড হবে এবং পরে কখনোই সার্চে আসবে না।

গ্রে হ্যাট এসইও

হোয়াইট হ্যাট ও ব্ল্যাক হ্যাট এসইওর মাঝামাঝি অবস্থাকে বলা হয় গ্রে হ্যাট এসইও

Read More- (SEO) সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি এবং কিভাবে শিখবেন?

হোয়াইট হ্যাট বনাম ব্ল্যাক হ্যাট এসইও

‘হোয়াইট হ্যাট এসইও’ বলতে এসইও ( seo ) -এর সেই সব কৌশল, বেস্ট প্র্যাকটিস এবং ‍স্ট্রাটেজি বোঝায়, যা সার্চ ইঞ্জিনের সব গাইডলাইন অনুসরণ করে করা হয়। এটার প্রধান ফোকাস মূলত ইউজারদের ওপর।

‘ব্ল্যাক হ্যাট এসইও’ বলতে সেই সব কৌশল এবং ‍স্ট্রাটেজি, যা স্প্যামিংয়ের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হয়। যার মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‍্যাঙ্কিং-এ দেখানো যায়। কিন্তু এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন সেই সাইটটিকে পেনাল্টি বা ডিইনডেক্সিং করে দিতে পারে। ‘ব্ল্যাক হ্যাট এসইও’তে সার্চ ইঞ্জিনের কোনো গাইডলাইন অনুসরণ করা হয় না।

পেনাল্টি পাওয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে কোনো ব্যবসায় সফল হওয়া যাবে না। সার্চ ইঞ্জিনের পেনাল্টি পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে এসইও প্রফেশনাল, ‍এজেন্সি বাছাই করতে ভুল করা ও সার্চ ইঞ্জিনের গাইডলাইন অনুসরণ না করা।

সার্চ ইঞ্জিনের শাস্তি (পেনাল্টি) থেকে রক্ষা করবেন যেভাবে ?

  • ওয়েব পেজ তৈরি করুন ব্যবহারকারী বা ইউজারের জন্য, সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়।
  • ব্যবহারকারীর সঙ্গে কখনো প্রতারণা করবেন না।
  • সার্চ ইঞ্জিন গাইডলাইন ভঙ্গ করে বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম ‍পদ্ধতি অনুসরণ করে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাঙ্কিং করার চেষ্টা করবেন না।
  • আপনি সব সময় ইউজারদের জন্য কনটেন্ট তৈরি করুন।

যা যা করবেন না-

  • অটোমেটিক জেনারেটেড কনটেন্ট তৈরি করা।
  • লিংক স্কিম ব্যবহার বা লিংকের অপব্যবহার করা।
  • টাইটেল অনুসারে কনটেন্ট তৈরি করা বা অন্য কারও কাছ থেকে কনটেন্ট কপি করে তা ব্যবহার করা।
  • ক্লোকিং করা বা সার্চ ইঞ্জিনকে একধরনের কনটেন্ট আর ইউজারকে আরেক ধরনের কনটেন্ট দেখানো।
  • হিডেন টেক্স বা লিংক ব্যবহার করা।
  • ডোরওয়ে পেজ করা-সুনির্দিষ্ট সার্চের জন্য পেজ তৈরি করা, যাতে র‌্যাঙ্ক করে এবং সার্চ থেকে ভিজিটর পাওয়া যায়।

Read More- ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের স্পীড বাড়ানোর ৫ টি কৌশল

ইউজারদের কথা মাথায় রেখে ওয়েবসাইট করা

এসইওর জন্য সার্চ ইঞ্জিন গাইডলাইন ফলো না করে কোন শর্টকাট পদ্ধতির মাধ্যমে র‍্যঙ্ক পাওয়া সম্ভব নয়। আপনি যদি ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট ও সাইট তৈরি করেন এবং তা যদি ইউজারদের চাহিদা পূরণ করে, তবেই আপনার সাইটটি দীর্ঘ মেয়াদে সার্চ ইঞ্জিনে র‌্যাঙ্ক করবে।

উদাহরণস্বরূপ: ইউজার তার প্রয়োজনে সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে থাকে এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত রেজাল্টে ক্লিক করে। আর এ ধরনের রেজাল্টে আপনার সাইটিকে রাখতে হলে অবশ্যই ইউজারদের কথা মাথায় রাখতে হবে।

যেমন-  আপনি যদি কোনো ইন্সুরেঞ্চ সাইট করেন, তবে ইউজার কোনো কোনো কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করতে পারে এবং কি ধরনের তথ্য চাচ্ছে তা মাথায় রাখতে হবে এবং যাতে কোনো ইউজার ইন্সুরেঞ্চ রিলেটেড কিওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিয়ে আপনার সাইটিকে খুঁজে পায় এবং সঠিক তথ্যটি পায় সে বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে।

  এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০

সার্চ ইঞ্জিন কী?

সার্চ ইঞ্জিন ( search engine ) হলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরদাতা মেশিন বা যন্ত্র যা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে থাকা বিভিন্ন ধরনের কনটেন্ট খোঁজা, সেগুলোকে বোঝা, প্রাসঙ্গিকতা (রিলেভেন্সি) অনুসারে সাজানো। যখন কোনো ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোনো কিছু খোঁজ করেন (সার্চ) তখন তাঁর সেই সার্চ অনুযায়ী তা ফল বের করে দেখানো সার্চ ইঞ্জিনের কাজ। সার্চ ইঞ্জিনের সকল নিয়ম অনুসরণ করে আপনার কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম পাতায় থাকতে হবে। এটা নিশ্চিত করার জন্য এসইও-এর বিকল্প নেই। আপনার কনটেন্ট বা ওয়েবসাইট যদি সার্চ ইঞ্জিন খুঁজে না পায় তবে তা SERP-এ দেখানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজকে বলা হয় SERPs।

Read More- অনলাইনে আপনার কনটেন্ট জনপ্রিয় করবেন যেভাবে ২০২০

কীভাবে সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে?

সার্চ ইঞ্জিনের প্রধানত তিনটি কাজ করে থাকে। যা হলো:

  •  ক্রলিং: ইন্টারনেটের সব ধরনের কনটেন্ট এবং কোড ইউআরএলসহ খুঁজে বের করা।
  • ইনডেক্সিং: ক্রলিং প্রসেসের বা ক্রলিং প্রক্রিয়ার পর তা সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে সেগুলো সংরক্ষণ (স্টোরেজ) এবং গুছিয়ে (অর্গানাইজড) ফেলা। একবার ইনডেক্স করা তথ্য পরবর্তীতে ইউজারের সার্চ এবং রিলেভেন্সি অনুযায়ী সার্চ রেজাল্টে দেখাবে।
  • র‍্যাঙ্কিং: ইউজারের সার্চ অনুযায়ী ইনডেক্সিং করা কনটেন্ট থেকে পর্যায়ক্রমে প্রাসঙ্গিকতা ও সঠিক ফলাফল হিসেবে সর্বোত্তম কনটেন্টগুলো দেখানো যা কিনা তার র‌্যাংক করা।

সার্চ ইঞ্জিন কি ক্রলিং করে?

ক্রলিং হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের ( search engine )একটি প্রক্রিয়া বা প্রসেস যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন এক বা একাধিক বটের/রোবটের মাধ্যমে (অনেকে এটাকে ‍স্পাইডার বা ক্রলার ( search engine crawling ) নামে অভিহিত করেন) ইন্টারনেটের সব ধরনের নতুন ও আপডেটেড কনটেন্ট এবং কোড ইউআরএল সহ খুঁজে বের করে।

কনটেন্ট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: ওয়েব পেজ, ইমেজ/ছবি, ভিডিও, অডিও, পিডিএফ ইত্যাদি। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, এসব কনটেন্ট ইন্টারনেটে লিংকের মাধ্যমে খুঁজে পাওয়া যায়।

গুগল বট ক্রলিং শুরু করে কিছু ওয়েব পেজ ফেচিং-এর মাধ্যমে, তারপর ওই ওয়েব পেজের লিংক ধরে অন্যান্য পেজ ক্রলিং করে। এভাবে লিংকের মাধ্যমে নতুন নতুন কনটেন্ট খুঁজে পায় এবং তা ইনডেক্স-এ ‍যুক্ত করে, যাকে ক্যাফিন বলা হয়। যেখানে বিশাল একটি ডেটাবেইসে ক্রলিং করা তথ্যগুলো জমা করে রাখা হয় এবং যখন কোনো ইউজার সার্চ করে তখন তাঁর সার্চ অনুযায়ী তথ্য মিলিয়ে দেখা হয়।

সার্চ ইঞ্জিন ইনডেক্সিং কী?

ক্রলিং প্রক্রিয়ার পর সার্চ ইঞ্জিন তা সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে তথ্যগুলোকে একটি বিশাল ডেটাবেইসে সংরক্ষণ এবং অর্গানাইজড করে থাকে। পরবর্তীতে যখন কোনো ইউজার সার্চ করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন সার্চ এবং রিলেভেন্সি অনুযায়ী ইউজারকে সার্চ রেজাল্টে সেটা দেখায়।

সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কিং

যখন একজন ইউজার সার্চ করে, সার্চ ইঞ্জিন তখন তার ইনডেক্সকৃত বিশাল ডেটাবেইস/তথ্যভান্ডার থেকে ইউজারের সার্চ অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো তথ্যগুলো যা সার্চের সঙ্গে মিলে তা দেখায়। এভাবে সার্চ রেজাল্ট দেখানোর পদ্ধতিকে র‌্যাঙ্কিং বলা হয়। সার্চ ইঞ্জিনের অ্যালগরিদম মেনে কাজ করে থাকে র‌্যাংকিং। আপনি সার্চ করার পর যে ওয়েব সাইটটি প্রথম দেখেন তা ইউজারের সমস্যার সুনির্দিষ্ট সমাধান দিতে পারবে বলে সার্চ ইঞ্জিন বিশ্বাস করে।

রোবটস ডট টিএক্সটি ফাইল

রোবটস ডট টিএক্সটি ফাইলটি ( robots.txt file ) ওয়েব সাইটের রুট ডিরেক্টরিতে থাকে (ex. yourdomain.com/robots.txt) এবং যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে নির্দেশ করা হয় যে, সাইটের কোন কোন অংশ ইনডেক্স করা হবে এবং কোনগুলো নয়। এর পাশাপাশি কোন গতিতে সাইটটি ইনডেক্স হবে তার নির্দেশনাও দেওয়া থাকে।

গুগল বট কীভাবে robots.txt ফাইলকে অনুসরণ করে ?

যদি গুগল বট কোন সাইটের জন্য রোবটস ডট টিএক্সটি ফাইল খুঁজে না পায়, তবে এটি কোনো নির্দেশ ছাড়াই সাইটটিকে ক্রল করা শুরু করে।

যদি গুগল বট কোন সাইটের জন্য রোবটস ডট টিএক্সটি ফাইল খুঁজে পায়, তবে এটি সেখানে দেওয়া নির্দেশ মেনে চলবে এবং সাইটটিকে ক্রল করা শুরু করে।
যদি কোনো সাইটের রোবটস ডট টিএক্সটি ফাইলটি অ্যাক্সেস করার সময় কোনো ত্রুটির মুখোমুখি হয় এবং তা নির্ধারণ করতে না পারে, তবে এটি সাইটটিকে ক্রল করবে না।

এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০

শেষ কথা- এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০ ( Learn Seo For Beginners Fully Guide 2020 ) এ আমরা আপনাদের এসইও এর বেসিক থেকে শুরু করে এক্সপার্ট হওয়া পর্যন্ত দেখিয়ে দিয়েছি। আপনি চাইলে  সম্পূর্ণ কনটেন্টটি পড়ে ভালোভাবে বুঝে নিতে পারেন। আপনি যদি এভাবে এসইও করেন তাহলে ১০০% আপনি এসইও করে আপনার ওয়েবসাইটকে রাঙ্ক করাতে পারবেন।

এসইও বাংলা টিউটোরিয়াল ২০২০( Learn Seo For Beginners Fully Guide 2020 )এই কনটেন্টটি পড়ে যদি উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন, এতে সবাই উপকৃত হবেন এবং Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন।

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close