All Exam

Hsc Suggestion 2020 – এইচএসসি সাজেশন ২০২০ ফিন্যান্স, ব্যাংকিং

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের এইচএসসি সাজেশন ২০২০ । Hsc Suggestion 2020 – ২০২০ সালের সকল বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার সাজেশন দেখতে পড়ুন সম্পূর্ণ সাজেশনটি-

 এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা শেষ মুহূর্তের এইচএসসি সকল বোর্ড সাজেশন ২০২০ ( Hsc Suggestion 2020 ) আপনাদের জন্যই আজকের আমাদের এই কনটেন্টা। আমরা চাই, আপনারা ভালোভাবে এসএসসি পরীক্ষা দেন। আপনারাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ,আপনারাই এ দেশকে উন্নতির শিখরে তুলবেন।

আমরা আজকে-  শেষ এইচএসসি প্রস্তুতি ২০২০ হিসেবে দেখাবো। এইচএসসি সাজেশন শেষ প্রস্তুতি হিসেবে লিখেছেন- নয়াদিগন্ত।

আমরা এই শেষ প্রস্তুতি শুধু শেয়ার করছি এতে যদি কারও উপকারে আসে তাহলে আমরা গর্বিত।

Suggestion is very important to a student for earn an excellent result in the Examination. That is why every student likes to have a very good suggestion Which can save time in examination.

আমার কথা- আপনারা কখনোই অসৎভাবে এসএসসির পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো করার চেষ্টা করবেন না এতে আপ্নারই ক্ষতি। অনেক অসৎলোক আপনাকে প্রলোভন দেখাবে যে, এসএসসির প্রশ্নপত্র এর বিষয়ে।কিন্তু সেখানে দেখা যাবে,প্রশ্ন তো দুরের কথা- প্রথমে টাকা হাতিয়ে নিয়ে,প্রলোভন দেখিয়ে আপনার শেষ প্রস্তুতিকে নষ্ট করে দিবে ফলে, আপনার এসএসসি পরীক্ষা খারাপ হওয়ার সম্ভবনা থাকবে। সুতরাং আপনার কখনোই অসৎভাবে কিছু করার চেষ্টা করবেন না। প্লীজ কখনোই না।

শেষ সময়ের এইচএসসি প্রস্তুতি যেভাবে নিবেন-

  • এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা পড়ালেখার জন্য অনেকেই ‘দৈনন্দিন রুটিন’ করে নেন। রুটিন করার সময় খুব ভালোমতো খেয়াল রাখবেন একটি কথা—আপনি কত ঘণ্টা পড়ালেখা করছেন, তার চেয়েও বড় কথা হলো আপনি ‘কীভাবে’ পড়ালেখা করছেন।
  • এইচএসসি পরীক্ষার্থ আপনাকে অনেক বেশি কৌশলী হতে হবে। সারা দিন শুধু বই নিয়ে বসে থাকলেই যে পড়ালেখা ভালো হবে, এমন কিন্তু কোনো কথা নেই। রুটিনে বিশ্রামের জন্যও যথেষ্ট সুযোগ রাখতেই হবে।
  • প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা করে পড়াশোনা করলেই যে এসএসসি তে ভালো রেজাল্ট করবেন এমনটা না। আপনি প্রতিদিন কত ঘণ্টা করে পড়াশোনা করবেন, তা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে আপনার ব্যক্তিগত সামর্থ্যের ওপর। আপনি যদি অনুভব করেন, সাত থেকে ঘণ্টা পড়ালেখা করে খুব ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারছেন, তাহলে আপনার জন্য সেটাই যথেষ্ট।
  • অনেকেই একই বিষয়ের ওপর অনেকগুলো বই কিনেছেন, কিন্তু দিন শেষে কোনোটাই ঠিকমতো রপ্ত করতে পারলেন না। এতে করে লাভের চেয়ে ক্ষতির শঙ্কাই কিন্তু বেশি থাকে। কোনো বিষয়ের ওপর মানসম্মত একটি বা দুটি বইই যথেষ্ট।
  • এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আপনাদের সময় খুবই কম, পড়ার টেবিলে আজ থেকে ‘দিন গণনা’ শুরু করতে পারেন। যেমন ধরুন, আপনার কাঙ্ক্ষিত এসএসসি পরীক্ষার ২০ দিন সময় বাকি আছে।
  • একটি সাদা কাগজে সিরিয়াল মতো উল্টো দিক থেকে ২০ থেকে ১ পর্যন্ত লিখে টাঙিয়ে রাখুন এবং প্রতিদিন একটি করে দিন কাটুন। এক দিন করে যখন কমতে থাকবে, আপনি আরও বেশি করে পড়ার তাগিদ অনুভব করবেন। দেখবেন, এই কাজ আপনাকে পড়ালেখার দিকে সব সময় আকর্ষিত করবে।

Depend Of Content-

  • hsc suggestion 2020
  • hsc accounting suggestion 2020
  • hsc suggestion 2020 dhaka board
  • hsc economics suggestion 2020
  • hsc suggestion 2020 question
  • hsc short suggestion 2020
  • hsc suggestion 2020 update
  • এইচএসসি সাজেশন ২০২০

Hsc Suggestion 2020 – এইচএসসি সাজেশন ২০২০

  • ফিন্যান্স, ব্যাংকিং

ব্যাংক হলো এমন একটি আর্থিক মধ্যস্থ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান।

১. ‘Y’ ব্যাংক দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর শাখা খুলে জনগণের কাছ থেকে আমানত নেয় এবং ঋণদান করে। এই ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন করা। অন্যদিকে ব্যাংক Z এর মূল উদ্দেশ্য মুনাফা অর্জন নয়। এই ব্যাংক ঋণ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। দেশে দ্রব্য সামগ্রীর দাম বাড়তে থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে Y ব্যাংকটি Z ব্যাংককে সহযোগিতা করে।

  • ক. ব্যাংক কী? ১
  • খ. ব্যাংককে ধার করা অর্থের ধারক বলা হয় কেন?- ব্যাখ্যা করো। ২
  • গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘Y’ ব্যাংকটি কোন ধরনের ব্যাংক? -ব্যাখ্যা করো। ৩
  • ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক দুটির মধ্যে কোনটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূল ভূমিকা পালন করে?-বিশ্লেষন করো। ৪

এইচএসসি সাজেশন ২০২০  উত্তর- 

ক- ব্যাংক হলো এমন একটি আর্থিক মধ্যস্থ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, যা বিভিন্ন হিসাবের মাধ্যমে কম সুদে আমানত নিয়ে বেশি সুদে ঋণ দিয়ে মুনাফা অর্জন করে।

খ. ব্যাংক জনগণের অর্থে ব্যবসায় করে বলে ব্যাংককে ধার করা অর্থের ধারক বলা হয়। ব্যাংক কম সুদের বিনিময়ে গ্রাহকের অর্থ আমানত হিসেবে নেয়। উক্ত আমানত ব্যাংক কিছু অর্থ জমা রেখে বাকিটা বেশি সুদে ঋণ দেয়। ব্যাংক এভাবে ধার করা অর্থ দিয়ে ব্যবসায় পরিচালনা করে।

Read More- HSC Routine 2020 PDF – এইচএসসি রুটিন ২০২০ শেষ আপডেট দেখুন

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘Y­-ব্যাংক’ হলো একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক। এ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন। এ ধরণের ব্যাংক কম সুদে জনগণের কাছ থেকে আমানত হিসেবে অর্থ নেয়। আবার, বেশি সুদে উক্ত অর্থ অন্যদের ঋণ দেয়। উদ্দীপকের Y ব্যাংকটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর শাখা স্থাপন করে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি জনগণের অর্থ আমানত হিসেবে নেয়। এর বিনিময়ে ব্যাংকটি তাদের কম পরিমাণে সুদ দেয়। আবার, আমানতের অর্থ দিয়ে বিভিন্ন লাভজনক খাতে বেশি সুদে ঋণ দেয়। এ দুই সুদের পার্থক্য থেকে Y ব্যাংক মুনাফা অর্জন করে। তাই বলা যায়, Y ব্যাংকটির কাজের সাথে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজের মিল রয়েছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ব্যাংক দুটির মধ্যে Y-ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূল ভূমিকা পালন করে।Y-ব্যাংকটি জনগণের সঞ্চিত অর্থ থেকে মূলধন গঠন ও বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি করে। এভাবে ব্যাংকটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখে। উদ্দীপকে উল্লিখিত Y ব্যাংকটি একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

এ ব্যাংকটি জনগণের অর্থ থেকে বিভিন্ন লাভজনক খাতে ঋণ দেয়। এ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য হলো মুনাফা অর্জন। অন্যদিকে, Z ব্যাংকটি একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ব্যাংক বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। দেশে দ্রব্যসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণেও ব্যাংকটি হন্তক্ষেপ করে।

উদ্দীপকের Y ব্যাংকটি জনগণের আমানত থেকে তহবিল গঠন করে। উক্ত তহবিল থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও লাভজনক খাতে ঋণ দেয়। এতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ে। এছাড়া ব্যাংকটি বিভিন্ন বিনিময়ের মাধ্যম; যেমন: চেক, বিনিময় বিল, প্রত্যয়পত্র প্রভৃতি সৃষ্টি করে। এর ফলে অভ্যন্তরীন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রসারিত হয়। মূলত বাণিজ্যিক ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যাবতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। তাই বলা যায়, উল্লিখিত Y ব্যাংকটি দেশের অর্থনৈতিক মূল ভূমিকা রাখে।

২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সাজেশন

যে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের অর্থসংক্রান্ত কার্যাবলি তদারকি করেন তাকে আর্থিক ব্যবস্থাপক বলে।

ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা-প্রথমপত্র

প্রথম অধ্যায়- অর্থায়নের ধারণা

  • জনাব হামিদ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সম্প্রতি তিনি একটি নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন। এজন্য তিনি তার এক বন্ধুর নিকট থেকে পরামর্শ গ্রহণ করলেন। বন্ধু তাকে কাম্য পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগের পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি অধিক লাভের আশায় সমুদয় অর্থ উক্ত প্রকল্পে বিনিয়োগ করেন এবং তার মূলধন ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
  • ক) আর্থিক ব্যবস্থাপক কে? ১
  • খ) অর্থায়ন কলা না বিজ্ঞান? ব্যাখ্যা করো। ২
  • গ) জনাব হামিদকে তার বন্ধু অর্থায়নের যে নীতি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছিলেন তা ব্যাখ্যা করো। ৩
  • ঘ) উদ্দীপকে জনাব হামিদের বন্ধুর প্রদত্ত পরামর্শের যৌক্তিকতা কতটুকু? বিশ্লেষণ কর ৪

এইচএসসি সাজেশন ২০২০ উত্তর:

) যে ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের অর্থসংক্রান্ত কার্যাবলি তদারকি করেন তাকে আর্থিক ব্যবস্থাপক বলে।

খ) অর্থায়ন অর্থ ব্যবস্থাপনার কলা ও বিজ্ঞান উভয়ই। অর্থায়ন বলতে তহবিল সংগ্রহ, বণ্টন ও নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়াকে বোঝায়। আর্থিক ব্যবস্থাপক বিশেষ কিছু পদ্ধতি ও কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থায়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন। এ দৃষ্টিকোণ থেকে এটি একটি Arts বা কলা।

অপরপক্ষে অর্থায়নের কাজকে অধিক সাফল্যমণ্ডিত করার লক্ষ্যে আধুনিককালে আর্থিক ব্যবস্থাপকগণ কতগুলো সূত্র ও নীতির প্রয়োগ করছেন।এদিক থেকে অর্থায়ন নি:সন্দেহে একটি বিজ্ঞান।

গ) জনাব হামিদকে তার বন্ধু অর্থায়নের তারল্য বনাম মুনাফা নীতি অনুসরণের পরামর্শ দিয়েছেন। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হয় নগদ টাকার। আবার বেশি পরিমাণ নগদ অর্থ হাতে রাখলে প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের ঘাটতি দেখা দেয় যা প্রতিষ্ঠানের মুনাফাকে কমিয়ে দেয়। তাই সুষ্ঠুভাবে ব্যবসায় পরিচালনা করতে গেলে এই দুইয়ের মাঝে সমন্বয় করে চলতে হয়। একেই বলে তারল্য বনাম মুনাফা নীতি।

উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব হামিদ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। এজন্য তিনি তার বন্ধুর নিকট থেকে পরামর্শ গ্রহণ করেন। তার বন্ধু তাকে কাম্য পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগের পরামর্শ দেন। কাম্য পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগ বলতে এমন পরিমাণ মূলধনকে বোঝায় যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগের ফলে প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কার্যাবলি সম্পাদন করার জন্য পর্যাপ্ত তারল্য বজায় থাকে। কিন্তু জনাব হামিদ অধিক লাভের আশায় সমুদয় অর্থ উক্ত প্রকল্পে বিনিয়োগ করেন এবং তার মূলধন ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

ঘ) উদ্দীপকে জনাব হামিদের বন্ধুর প্রদত্ত পরামর্শটি ছিল তারল্য ও মুনাফা নীতি অনুসরণ করা যা সম্পূর্ণ যৌক্তিক।

কোন প্রতিষ্ঠানের তারল্য বলতে বোঝায় চলতি দায় পরিশোধের সক্ষমতা। অর্থাত্ নগদ ও নগদ সমতুল্য সম্পদের উপস্থিতি। অধিক পরিমাণ তারল্য বজায় রাখলে প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কমে যায় যা প্রতিষ্ঠানের মুনাফা কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য সমুদয় সম্পদ বিনিয়োগ করলে তারল্য ঘাটতি দেখা দেয় যার ফলে প্রতিষ্ঠান চলতি দায় পরিশোধে অক্ষম হয়। ফলে প্রতিষ্ঠান দেউলিয়াত্বের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

উদ্দীপকে বর্ণিত জনাব হামিদ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। সম্প্রতি তিনি একটি নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগের কথা ভাবছেন। তার বন্ধু তাকে কাম্য পরিমাণ মূলধন বিনিয়োগের পরামর্শ দেন। কিন্তু তিনি অধিক লাভের আশায় সমুদয় অর্থ উক্ত প্রকল্পে বিনিয়োগ করেন। জনাব হামিদ চলতি মূলধনের প্রয়োজন মেটানোর জন্য নগদ ও নগদ সমতুল্য সম্পদ সংরক্ষণ না করেই সম্পূর্ণ টাকা বিনিয়োগ করেন যার ফলে তার মূলধন ক্ষতিগ্রস্থ হয়। পরিশেষে বলা যায় যে, জনাব হামিদের বন্ধুর প্রদত্ত পরামর্শ অত্যন্ত যৌক্তিক।

এইচএসসি সাজেশন ২০২০ ( Hsc Suggestion 2020 )

বন্ডের গায়ে যে সুদের হার লিখিত থাকে তাকে কুপন রেট বলে

  • ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা
  • দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন

সামিট কোম্পানির ১০,০০,০০০ টাকা দীর্ঘমেয়াদি মূলধনের প্রয়োজন হওয়ায় ১০% কুপন সুদের হারে ১,০০০ টাকা অভিহিত মূল্যের ১,০০০টি বন্ড ১০ বছরের জন্য বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিলেন। উল্লেখ্য বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশিত আয়ের হার ১২%। অন্যদিকে বাজার সুদের হার হ্রাস পাওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীরা বন্ড ক্রয়ের জন্য ভিড় জমাতে থাকেন।

  • ক) ইল্ড টু কল কী ? ১
  • খ) কখন বন্ডের বাজার মূল্য অভিহিত মূল্যের সমান হয়? ব্যাখ্যা করো। ২
  • গ) সামিট কোম্পানির বন্ডের বর্তমান মূল্য নির্ণয় করো। ৩
  • ঘ) উদ্দীপকে বাজার সুদের হার হ্রাস পাওয়ায় সামিট কোম্পানির বন্ডের বিক্রয় মূল্যের উপর কী ধরণের প্রভাব পড়বে? মতামত দাও। ৪

এইচএসসি সাজেশন ২০২০ উত্তর- 

ক) কোনো বন্ড মেয়াদপূর্তির পূর্বেই ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তলব করা হলে উক্ত বন্ড হতে অর্জিত আয়ের হারকে ইল্ড টু কল বলে।

খ) যখন কুপন সুদের হার ও বাজার সুদের হার সমান হয়, তখন বন্ডের বাজারমূল্য অভিহিত মূল্যের সমান হয়। বন্ডের গায়ে যে সুদের হার লিখিত থাকে তাকে কুপন রেট বলে। বন্ড ইস্যু করার সময় বাজার সুদের হারকে বিবেচনা করে বন্ডের কুপন রেট নির্ধারণ করা হয় যেন বন্ডটি অভিহিত মূল্যে বাজারে ইস্যু করা যায়। পরবর্তীতে বাজার সুদের হারের পরিবর্তনের ফলে বন্ডের বাজার মূল্যের পরিবর্তন ঘটে।

ঘ) বাজার সুদের হার হ্রাস পাওয়ায় সামিট কোম্পানির বন্ডের বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি পাবে।

বন্ড ইস্যু করার সময় এর গায়ে একটি সুদের হার উল্লেখ থাকে যাকে কুপন রেট বলে এবং এটা অপরিবর্তনীয়। বাজার সুদের হার যদি ঐ রেটের চেয়ে কম থাকে তবে ঐ বন্ড ক্রয়ের জন্য বিনিয়োগকারীরা অধিক আগ্রহ দেখান। অন্যদিকে বাজার সুদের হার যদি ঐ রেটের চেয়ে বেশি থাকে তবে ঐ বন্ডের চাহিদা কমে যায়। কারণ বিনিয়োগকারীরা সবসময় লাভজনক খাতে বিনিয়োগ করতে চায়।

উদ্দীপকে দেখা যায় যে, বাজার সুদের হার হ্রাস পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সামিট কোম্পানির বন্ড ক্রয়ের জন্য ভিড় জমাতে থাকেন। ফলে কোম্পানির বন্ডের চাহিদা বৃদ্ধি পায় এবং বাজার মূল্য বৃদ্ধি পায়। বন্ডের চাহিদা বৃদ্ধির কারণ হচ্ছে সামিট কোম্পানির বন্ডের কুপন রেট ১০% যা অপরিবর্তিত এবং বাজার সুদের হারের চেয়ে বেশি। কুপন রেট বাজার সুদের চেয়ে বেশি হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা সামিট কোম্পানির বন্ডে বিনিয়োগ করবে এবং বেশি মূল্য দিয়ে বন্ড ক্রয় করবে। এজন্য বন্ডের মূল্য বৃদ্ধি পাবে। অতএব বাজার সুদের হার হ্রাস পেলে বন্ডের বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি পাবে।

Hsc Suggestion 2020 ( এইচএসসি সাজেশন ২০২০ ) পোস্টটি পরে উপকৃত হলে এইচএসসি প্রস্তুতি যারা নিচ্ছেন তাদের সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিবেন এবং Factarticle এর সঙ্গেই থাকবেন।

Credit– dailynayadiganta

সৌজন্যেঃ Factarticle.com

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close