Uncategorized

আমাদের সমাজে কেন এসব সন্ত্রাস গুলো হচ্ছে?

Terrorist Alert ভুমিকাঃআমি শুরুতেই ভারতের বিখ্যাত বিচারক লর্ড টারনিং এর কথা না বলে পারছিনা তিনি বলেছিলেন অভিনেতাদের মতো অন্যকে খুশি করার জন্য বিচারকরা কথা বলে না।

বিচারকরা উকিলদের মতো মামলা জেতার জন্য কথা বলে না।বিচারকরা কথা বলে রায় দেয়ার জন্য ।আমি বাক-সাধিনতায় বিশ্বাস করি । যখনি কোন অন্যায় চোখে পড়বে তখনি কথা বলা উচিত ।
১৯৪৮ সালে দিল্লির আশপাশ এলাকায় বেশ কিছু বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল এটা করেছিল খালিস্তানিরা ।সে সময় খালিস্তানিরা ছিল সন্ত্রাসী ।তাই সন্ত্রাসিদের জন্য কিছু আইন তৈরি করা হলো।তার নাম টাডা ।

টাডা বড় নিষ্ঠুর আইন ।প্রচুর মানুষকে Arrest করা হয়েছিল। তাদের TOrture করা হয়েছিল ।সে সময় পাঞ্জাব কোর্ট এর জাজ Arjit shing এক জনসভায় সারা ভারতের অত্যাচার নিয়ে কথা বলেছিলেন।
তিনি বললেন আমরা এই অত্যাচার আইন থেকে একদিন মুক্তি পাবো।এখন টাডা আইন এমন ছিল দেশের সংগতি নষ্ট হয় এমন কথা কেউ বলতে পারবে না।কেউ বলতে পারতনা উচিত কথা ।
কেউ বলতে পারতো না যে কাশ্মীরে স্বাধীনতা পাওয়া উচিত কিনা না।কেউ তার মুখের বলি বলতে পারতো না।আর যদি কেউ বলতো সেটা ছিল অপরাধ।

তাই ভারতের JUSTICE ORJIT SING শুধু বলেছিলেন একদিন আমরা এই অত্যাচার থেকে মুক্তি পাব।
তাকে ARREST করা হল।হাঈকোটর জাজের হাতে হাতকড়া।এই অবস্তায় রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হল তাকে ।কোনও অবস্থায় তিনি জামিন পেলেন না।Torture

মূল কারনঃ সন্ত্রাসের মূল কারন হল অন্যায় আর অবিচার । টাডা আইন এর বলে ৭৫,০০০ এরও বেশি মানুষকে ARREST করা হয়েছিল।কাউকে জামিন দেয়া হইনি ।আর পুলিশ তদন্তের নামে চালাত বিভিন্ন রকমের TOrture ভয়ংকর সব অত্যাচার । এই আইন দিয়েই যখন কোন কাজ হল না তখন ইন্ডিয়ান সরকার টাডা আইনটা বাতিল করলেন।

কিন্তু হাজার হাজার মানুষকে এই আইন এর বলে অবিচার করা হয়েছে। পরে দেখা গেলো ৭২০০০০ কয়েদীকে মক্ত করে দেয়া হল।কিন্তু তাদের case হলো না কিছু হলো না।
অথচ তাদের বছরের পর বছর জেলে থাকতে হলো।পরে দেখা গেলো দোষী সাব্যস্ত হলো মাত্র ১.৮ শতাংশ। কিন্তু যারা নির্দোষ নিরীহ তারা কি করবে ,কে পুরন করবে তাদের এই ক্ষতিপূরণ।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে মানুষ কি করবে? যদি আপনাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয় ,যদি আদালতে ন্যায় বিচার না পান ।আপনি কি করবেন? অন্ধ প্রদেশে হাজার হাজার মানুষ আত্মহত্যা করেছে।বার বার তারা আদালতে আপিল করেছে সরকার এ ব্যাপারে উদাসীন ,সরকার এ ব্যাপারে কিছুই করছে না,মানুষ এখানে কি করবে,এগুলই হল প্রশ্ন? এ ধরনের পরিস্ততিতে মানুষ যখন ন্যায় বিচার পায় না, কোন সাহায্য পায় না ,সে সময় তারা যা করে সেটা হল তারা এসব অত্যাচার কে অস্বীকার করতে চায়। তখন তারা তুলে নেয় অস্ত্র , রোহিঙ্গার অনেক ছোট ছোট ছেলে পেলের যাদের মা বোনদের ধর্ষণ এর পর পুরিয়ে মারা হয়েছে।কেউ তাদের গাইড করেনি ।কেউ তাদের লেখাপড়া সেখাইনি , কেউ তাদের আতঙ্ক কাটই নি,কে তাদের ন্যায় বিচার দিবে ,কিভাবে তারা আশা করতে পারে তারা ন্যায় বিচার পাবে।

Terrorist

 তাহলে তারা কি করবে বা তাদের কি করা উচিত ? কেউ যদি Victim দের সাহায্য না করে, তাহলে Victim রা নিজে থেকেই সমাধান করার চেষ্টা করবে।এটাই মূল কথা।
এখানে Victim রা যখন আর Victim হতে চায় না তখন তাদের বলা হয়, সন্ত্রাসী ।

Collected This post.

Comments

Tags
Back to top button
Close
Close